বাহিনীগণের সদাপ্রভু শপথ করিয়া বলিয়াছেন, অবশ্যই, আমি যেরূপ সঙ্কল্প করিয়াছি, তদ্রূপ ঘটিবে; আমি যে মন্ত্রণা করিয়াছি, তাহা স্থির থাকিবে।
Cross references
আর ফরৌণের নিকটে দুই বার স্বপ্ন দেখাইবার ভাব এই; ঈশ্বর ইহা স্থির করিয়াছেন, এবং ঈশ্বর ইহা শীঘ্র ঘটাইবেন।
আর তিনি কহিলেন, সদাপ্রভুর সিংহাসনের উপরে হস্ত [উত্তোলিত হইয়াছে]; পুরুষানুক্রমে অমালেকের সহিত সদাপ্রভুর যুদ্ধ হইবে।
কারণ তাহাদের হৃদয়ের কঠিনীকরণ সদাপ্রভু হইতে হইয়াছিল, যেন তাহারা ইস্রায়েলের সহিত যুদ্ধ করে, আর তিনি তাহাদিগকে নিঃশেষে বিনষ্ট করেন, তাহাদের প্রতি দয়া না করেন, কিন্তু তাহাদিগকে সংহার করেন; যেমন সদাপ্রভু মোশিকে আজ্ঞা করিয়াছিলেন।
কিন্তু তিনি একাগ্রচিত্ত; কে তাঁহাকে ফিরাইতে পারে? তিনি যাহা ইচ্ছা, তাহাই করেন।
সদাপ্রভু জাতিগণের মন্ত্রণা ব্যর্থ করেন, তিনি লোকবৃন্দের সঙ্কল্প সকল বিফল করেন।
সদাপ্রভু, তোমার কার্য্য সকল কেমন মহৎ। তোমার সঙ্কল্প সকল অতি গভীর।
সদাপ্রভু শপথ করিলেন, অনুশোচনা করিবেন না, তুমি অনন্তকালীন যাজক, মল্কীষেদকের রীতি অনুসারে।
মানুষের মনে অনেক সঙ্কল্প হয়, কিন্তু সদাপ্রভুরই মন্ত্রণা স্থির থাকিবে।
নাহি জ্ঞান, নাহি বুদ্ধি, নাহি মন্ত্রণা—সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে।
আমি শেষের বিষয় আদি অবধি জ্ঞাত করি, যাহা সাধিত হয় নাই, তাহা পূর্ব্বে জানাই, আর বলি, আমার মন্ত্রণা স্থির থাকিবে, আমি আপনার সমস্ত মনোরথ সিদ্ধ করিব।
যে পর্য্যন্ত সদাপ্রভু আপন মনের অভিপ্রায় সফল ও সিদ্ধ না করেন, সে পর্য্যন্ত তাঁহার ক্রোধ ফিরিবে না; তোমরা শেষকালে তাহা সম্পূর্ণরূপে বুঝিতে পারিবে।
কেননা, সদাপ্রভু বলেন, আমি তোমাদের পক্ষে যে সকল সঙ্কল্প করিতেছি, তাহা আমিই জানি; সে সকল মঙ্গলের সঙ্কল্প, অমঙ্গলের নয়, তোমাদিগকে শেষ ফল ও আশাসিদ্ধি দিবার সঙ্কল্প!
অতএব, হে মিসর-দেশনিবাসী সমস্ত যিহূদী, সদাপ্রভুর বাক্য শুন; সদাপ্রভু কহেন, দেখ, আমি আপন মহানামে শপথ করিয়াছি, ‘জীবন্ত প্রভু সদাপ্রভুর দিব্য,’ এই কথা বলিয়া মিসর দেশস্থ কোন যিহূদী আমার নাম আর মুখে আনিবে না।
প্রভু আজ্ঞা না করিলে কাহার বাক্য সিদ্ধ হইতে পারে?
সদাপ্রভু যাকোবের মহিমাস্থলের নাম লইয়া এই শপথ করিয়াছেন, নিশ্চয়ই ইহাদের কোন ক্রিয়া আমি কখনও ভুলিয়া যাইব না।
সেই সময়ে যীশু এই কথা কহিলেন, হে পিতঃ হে স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, আমি তোমার ধন্যবাদ করিতেছি, কেননা তুমি বিজ্ঞ ও বুদ্ধিমানদের হইতে এই সকল বিষয় গুপ্ত রাখিয়া শিশুদের নিকটে প্রকাশ করিয়াছ;
যেন তোমার হস্ত ও তোমার মন্ত্রণা দ্বারা পূর্ব্বাবধি যে সকল বিষয় নিরূপিত হইয়াছিল, তাহা সম্পন্ন করে।
ফলতঃ তিনি আমাদিগকে আপন ইচ্ছার নিগূঢ়তত্ত্ব জ্ঞাত করিয়াছেন,
বাস্তবিক বিশ্বাস করিয়াছি যে আমরা, আমরা সেই বিশ্রামে প্রবেশ করিতে পাইতেছি; যেমন তিনি বলিয়াছেন, “তখন আমি আপন ক্রোধে এই শপথ করিলাম, ইহারা আমার বিশ্রামে প্রবেশ করিবে না,” যদিও তাঁহার কর্ম্ম জগতের পত্তনাবধি সমাপ্ত ছিল।
মনুষ্যেরা ত মহত্তর ব্যক্তির নাম লইয়া শপথ করে; এবং দৃঢ়ীকরণার্থে শপথই তাহাদের সমস্ত প্রতিকূলবাদের অন্তক।