আর সদাপ্রভু প্রথমে যিহূদার তাম্বু সকল নিস্তার করিবেন, যেন দায়ূদ-কুলের শোভা ও যিরূশালেম-নিবাসীদের শোভা যিহূদার উপরে অভিমানী না হয়।
Cross references
তোমরা কি নিতান্তই আমার উপরে দর্প করিবে? আমার বিরুদ্ধে আমার গ্লানির দোহাই দিবে?
যাহারা আমার বিপদে আনন্দিত হয়, তাহারা একসঙ্গে লজ্জিত ও হতাশ হউক; যাহারা আমার বিরুদ্ধে শ্লাঘা করে, তাহারা লজ্জায় ও অপমানে আচ্ছন্ন হউক।
কেননা আমি কহিলাম, পাছে উহারা আমার বিষয়ে আনন্দ করে, আমার চরণ টলিলেই আমার বিপক্ষে দর্প করে।
কোন শত্রু যে আমাকে তিরস্কার করিয়াছে, তাহা নয়, করিলে আমি তাহা সহিতে পারিতাম; বিদ্বেষীও আমার বিরুদ্ধে দর্প করে নাই, করিলে তাহা হইতে আপনাকে লুকাইতাম।
সামান্য লোকের উচ্চ দৃষ্টি অবনত হইবে, মান্য লোকদের গর্ব্ব খর্ব্ব হইবে, আর সেই দিন কেবল সদাপ্রভুই উন্নত হইবেন।
বাহিনীগণের সদাপ্রভুই এই মন্ত্রণা করিয়াছেন; তিনি সমস্ত ভূষণের অহঙ্কার অশুচি করিবার, ও পৃথিবীর গৌরবান্বিত সকলকে অবমাননার পাত্র করিবার নিমিত্তই ইহা করিয়াছেন।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি যাকোবের তাম্বু সকলের বন্দি-দশা ফিরাইব, ও তাহার আবাস সকলের প্রতি করুণা করিব; তাহাতে নগর আপন উপপর্ব্বতের উপরে নির্ম্মিত হইবে, ও রাজপুরীতে রীতিমত মানুষের বসতি হইবে।
সেই দিন আমি দায়ূদের পতিত কুটীর উত্থাপন করিব, তাহার ফাটা বুজাইয়া দিব, ও উৎপাটিত স্থান সকল উঠাইব, এবং পূর্ব্বকালের ন্যায় তাহা নির্ম্মাণ করিব;
তখন তিনি উত্তর করিয়া আমাকে কহিলেন, এ সরুব্বাবিলের প্রতি সদাপ্রভুর বাক্য, ‘পরাক্রম দ্বারা নয়, বল দ্বারাও নয়, কিন্তু আমার আত্মা দ্বারা,’ ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন।
আর সেই দিন তাহা ভগ্ন হইল, তাই পালের মধ্যে যে সকল দুঃখী আমাতে মনোযোগ করিত, তাহারা জ্ঞাত হইল যে, ইহা সদাপ্রভুর বাক্য।
সেই সময়ে যীশু এই কথা কহিলেন, হে পিতঃ হে স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, আমি তোমার ধন্যবাদ করিতেছি, কেননা তুমি বিজ্ঞ ও বুদ্ধিমানদের হইতে এই সকল বিষয় গুপ্ত রাখিয়া শিশুদের নিকটে প্রকাশ করিয়াছ;
তিনি আপন বাহু দ্বারা বিক্রমকার্য্য করিয়াছেন; যাহারা আপনাদের হৃদয়ের কল্পনায় অহঙ্কারী, তাহাদিগকে ছিন্নভিন্ন করিয়াছেন।
সেই দণ্ডে তিনি পবিত্র আত্মায় উল্লাসিত হইলেন ও কহিলেন, হে পিতঃ, স্বর্গের ও পৃথিবীর প্রভু, আমি তোমার ধন্যবাদ করিতেছি, কেননা তুমি বিজ্ঞ ও বুদ্ধিমানদের হইতে এই সকল বিষয় গুপ্ত রাখিয়া শিশুদের নিকটে এই সকল প্রকাশ করিয়াছ। হাঁ, পিতঃ, কেননা ইহা তোমার দৃষ্টিতে প্রীতিজনক হইল।
ফরীশীরা তাহাদিগকে উত্তর করিল, তোমরাও কি ভ্রান্ত হইলে?
অতএব শ্লাঘা কোথায় রহিল? তাহা দূরীকৃত হইল। কিরূপ ব্যবস্থা দ্বারা? কার্য্যের ব্যবস্থা দ্বারা? না; কিন্তু বিশ্বাসের ব্যবস্থা দ্বারা।
কারণ, হে ভ্রাতৃগণ, তোমাদের আহ্বান দেখ, যেহেতুক মাংস অনুসারে জ্ঞানবান্ অনেক নাই, পরাক্রমী অনেক নাই, উচ্চ পদস্থ অনেক নাই;
কিন্তু এই ধন মৃন্ময় পাত্রে করিয়া আমরা ধারণ করিতেছি, যেন পরাক্রমের উৎকর্ষ ঈশ্বরের হয়, আমাদের হইতে নয়।
হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ, শুন, সংসারে যাহারা দরিদ্র, ঈশ্বর কি তাহাদিগকে মনোনীত করেন নাই, যেন তাহারা বিশ্বাসে ধনবান্ হয়, এবং যাহারা তাঁহাকে প্রেম করে, তাহাদের কাছে অঙ্গীকৃত রাজ্যের অধিকারী হয়?
বরং তিনি আরও অনুগ্রহ প্রদান করেন; এই কারণ শাস্ত্র বলে, “ঈশ্বর অহঙ্কারীদের প্রতিরোধ করেন, কিন্তু নম্রদিগকে অনুগ্রহ প্রদান করেন।”