কিন্তু অতিথিসেবক, সৎপ্রেমিক, সংযত, ন্যায়পরায়ণ, সাধু ও জিতেন্দ্রিয় হন,
Cross references
শৌলের সহিত তাঁহার কথা সাঙ্গ হইলে যোনাথনের প্রাণ দায়ূদের প্রাণে সংসক্ত হইল, এবং যোনাথন আপন প্রাণের মত তাঁহাকে ভালবাসিতে লাগিলেন।
আর সোরের রাজা হীরম শলোমনের নিকটে আপন দাসগণকে পাঠাইলেন; কেননা লোকেরা তাঁহার পিতার স্থানে তাঁহাকেই রাজপদে অভিষেক করিয়াছে, তিনি এই কথা শুনিয়াছিলেন; বাস্তবিক হীরম দায়ূদকে বরাবর ভালবাসিতেন।
শলোমনের কথা শুনিয়া হীরম বড় আনন্দিত হইয়া কহিলেন, অদ্য সদাপ্রভু ধন্য, যেহেতু তিনি দায়ূদকে জ্ঞানবান পুত্র দিয়া এই মহাজাতির অধ্যক্ষ করিয়াছেন।
পৃথিবীতে যে পবিত্র ব্যক্তিগণ থাকেন, তাঁহারা আদরণীয়, আমার সমস্ত প্রীতির পাত্র।
মন্দকে ঘৃণা কর ও উত্তমকে ভালবাস, এবং নগর-দ্বারে ন্যায়বিচার স্থাপন কর; হয় ত বাহিনীগণের ঈশ্বর সদাপ্রভু যোষেফের অবশিষ্টাংশের প্রতি কৃপা করিবেন।
কিন্তু ঈশ্বরের পরিচারক বলিয়া সর্ব্ববিষয়ে আপনাদিগকে যোগ্যপাত্র দেখাইতেছি,
আর বিশ্বাসী যে তোমরা, তোমাদের কাছে আমরা কেমন সাধু, ধার্ম্মিক ও নির্দ্দোষাচারী ছিলাম, তাহার সাক্ষী তোমরা আছ, ঈশ্বরও আছেন।
অতএব ইহা আবশ্যক যে, অধ্যক্ষ অনিন্দনীয়, এক স্ত্রীর স্বামী, মিতাচারী, আত্মসংযমী, পরিপাটী, অতিথিসেবক, এবং শিক্ষাদানে নিপুন হন;
তোমার যৌবন কাহাকেও তুচ্ছ করিতে দিও না; কিন্তু বাক্যে, আচার ব্যবহারে, প্রেমে, বিশ্বাসে, ও শুদ্ধতায় বিশ্বাসিগণের আদর্শ হও।
কিন্তু তুমি, হে ঈশ্বরের লোক, এই সকল হইতে পলায়ন কর; এবং ধার্ম্মিকতা, ভক্তি, বিশ্বাস, প্রেম, ধৈর্য্য, মৃদুভাব, এই সকলের অনুধাবন কর।
কিন্তু তুমি যৌবনকালের অভিলাষ হইতে পলায়ন কর; এবং যাহারা শুচি হৃদয়ে প্রভুতে ডাকে, তাহাদের সহিত ধার্ম্মিকতা, বিশ্বাস, প্রেম ও শান্তির অনুধাবন কর।
অকৃতজ্ঞ, অসাধু, স্নেহরহিত, ক্ষমাহীন, অপবাদক, অজিতেন্দ্রিয়,
আর আপনি সর্ব্ববিষয়ে সৎক্রিয়ার আদর্শ হও,