দূদাফল সৌরভ বিস্তার করিতেছে; আমাদের দুয়ারে দুয়ারে নবীন ও পুরাতন সর্ব্বপ্রকার উত্তম উত্তম ফল আছে; হে আমার প্রিয়, আমি তোমারই নিমিত্ত তাহা রাখিয়াছি।
Cross references
আর গোম কাটার সময়ে রূবেণ বাহিরে গিয়া ক্ষেত্রে দূদাফল পাইয়া আপন মাতা লেয়াকে আনিয়া দিল; তাহাতে রাহেল লেয়াকে কহিলেন, তোমার পুত্রের কতকগুলি দূদাফল আমাকে দেও না।
তোমার চারাগুলি দাড়িম্বের উপবন, তন্মধ্যে আছে সুস্বাদু ফল, জটামাংসীর সহিত মেঁদি,
হে উত্তরীয় বায়ু, জাগ, হে দক্ষিণ বায়ু, আইস, আমার উপবনে বহ; উপবনের বিবিধ সুগন্ধি প্রবাহিত হউক, আমার প্রিয় আপন উদ্যানে আইসুন, আপন উপাদেয় ফল সকল ভোজন করুন।
আমি উপত্যকার নবীন তরুচয় দেখিতে, দ্রাক্ষালতা পল্লবিত হয় কি না, দেখিতে, দাড়িম্বপুষ্প ফুটে কি না, দেখিতে, আক্রোটের উপবনে নামিয়া গেলাম।
কিন্তু তাহার লভ্য ও আয় সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র হইবে; তাহা কোষে রাখা কিম্বা সঞ্চয় করা যাইবে না; কেননা যাহারা সদাপ্রভুর সম্মুখে বাস করে, তাহাদের তৃপ্তিজনক ভক্ষ্যের ও সুন্দর পরিচ্ছদের নিমিত্ত তাহার লভ্য দত্ত হইবে।
তোমাকে আবৃত করিবে উষ্ট্রযূথ, মিদিয়নের ও ঐফার দ্রুতগামী উষ্ট্রগণ; শিবা দেশ হইতে সকলেই আসিবে; তাহারা সুবর্ণ ও কুন্দুরু আনিবে, এবং সদাপ্রভুর প্রশংসার সুসমাচার প্রচার করিবে।
তখন তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, এই জন্য স্বর্গ-রাজ্যের সম্বন্ধে শিক্ষিত প্রত্যেক অধ্যাপক এমন গৃহকর্ত্তার তুল্য, যে আপন ভাণ্ডার হইতে নূতন ও পুরাতন দ্রব্য বাহির করে।
তখন রাজা উত্তর করিয়া তাহাদিগকে বলিবেন, আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, আমার এই ভ্রাতৃগণের—এই ক্ষুদ্রতমদিগের—মধ্যে এক জনের প্রতি যখন ইহা করিয়াছিলে, তখন আমারই প্রতি করিয়াছিলে।
ইহাতেই আমার পিতা মহিমান্বিত হন যে, তোমরা প্রচুর ফলে ফলবান্ হও; আর তোমরা আমার শিষ্য হইবে।
কিন্তু এক্ষণে পবিত্রদিগের পরিচর্য্যা করিতে যিরূশালেমে যাইতেছি।
কিন্তু, যেমন লেখা আছে, “চক্ষু যাহা দেখে নাই, কর্ণ যাহা শুনে নাই, এবং মনুষ্যের হৃদয়াকাশে যাহা উঠে নাই। যাহা ঈশ্বর, যাহারা তাঁহাকে প্রেম করে, তাহাদের জন্য প্রস্তুত করিয়াছেন।”
কিন্তু খাদ্য দ্রব্য আমাদিগকে ঈশ্বরের কাছে গ্রাহ্য করায় না; ভোজন না করিলে আমাদের ক্ষতি হয় না, ভোজন করিলেও আমাদের বৃদ্ধি হয় না।
সপ্তাহের প্রথম দিনে তোমরা প্রত্যেকে আপনাদের নিকটে কিছু কিছু রাখিয়া আপন আপন সঙ্গতি অনুসারে অর্থ সঞ্চয় কর; যেন আমি যখন আসিব, তখনই চাঁদা না হয়।
কিন্তু আত্মার ফল প্রেম, আনন্দ, শান্তি, দীর্ঘসহিষ্ণুতা, মাধুর্য্য, মঙ্গলভাব,
—কেননা সর্ব্বপ্রকার মঙ্গলভাবে, ধার্ম্মিকতায় ও সত্যে দীপ্তির ফল হয়—
যেন ধার্ম্মিকতার সেই ফলে পূর্ণ হও, যাহা যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা পাওয়া যায়, এইরূপে যেন ঈশ্বরের গৌরব ও প্রশংসা হয়।
আর বাক্যে কি কার্য্যে যাহা কিছু কর, সকলই প্রভু যীশুর নামে কর, তাঁহার দ্বারা পিতা ঈশ্বরের ধন্যবাদ করিতে করিতে ইহা কর।
যদি কেহ কথা বলে, সে এমন বলুক, যেন ঈশ্বরের বাণী বলিতেছে; যদি পরিচর্য্যা করে, সে ঈশ্বর-দত্ত শক্তি অনুসারে করুক; যেন সর্ব্ববিষয়ে যীশু খ্রীষ্টের দ্বারা ঈশ্বর গৌরবান্বিত হন। মহিমা ও পরাক্রম যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে তাঁহারই। আমেন।