আমি উপত্যকার নবীন তরুচয় দেখিতে, দ্রাক্ষালতা পল্লবিত হয় কি না, দেখিতে, দাড়িম্বপুষ্প ফুটে কি না, দেখিতে, আক্রোটের উপবনে নামিয়া গেলাম।
Cross references
আর সদাপ্রভু ঈশ্বর ভূমি হইতে সর্ব্বজাতীয় সুদৃশ্য ও সুখাদ্য-দায়ক বৃক্ষ, এবং সেই উদ্যানের মধ্যস্থানে জীবনবৃক্ষ ও সদসদ্-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষ, উৎপন্ন করিলেন।
ধার্ম্মিক লোক তালতরুর ন্যায় উৎফুল্ল হইবে, সে লিবানোনের এরস বৃক্ষের ন্যায় বাড়িবে।
মম ভগিনি, মম কান্তা অর্গলবদ্ধ উপবন, অর্গলবদ্ধ জলাকর, মুদ্রাঙ্কিত উৎস।
আমি নিদ্রিতা ছিলাম, কিন্তু আমার হৃদয় জাগিয়াছিল; আমার প্রিয়ের স্বর, তিনি দ্বারে আঘাত করিয়া কহিলেন,
আমার প্রিয়তম আপন উপবনে সুগন্ধি ওষধির চৌকাতে গিয়াছেন, উপবনে [পাল] চরাইবার জন্য ও শোশন পুষ্প চয়ন করিবার জন্য।
চল, প্রত্যূষে উঠিয়া দ্রাক্ষাক্ষেত্রে যাই, দেখি, দ্রাক্ষালতা পল্লবিত হইয়াছে কি না, তাহার মুকুল ধরিয়াছে কি না, দাড়িম্ব পুষ্প ফুটিয়াছে কি না; সেখানে তোমাকে আমার প্রেম প্রদান করিব।
দূদাফল সৌরভ বিস্তার করিতেছে; আমাদের দুয়ারে দুয়ারে নবীন ও পুরাতন সর্ব্বপ্রকার উত্তম উত্তম ফল আছে; হে আমার প্রিয়, আমি তোমারই নিমিত্ত তাহা রাখিয়াছি।
তিনি তাহার চারিদিকে খনন করিলেন, তাহার পাথরগুলি তুলিয়া ফেলিলেন, তথায় উত্তম দ্রাক্ষালতা রোপণ করিলেন, তাহার মাঝখানে উচ্চগৃহ নির্ম্মাণ করিলেন, আর দ্রাক্ষা মাড়িবার এক কুণ্ডও খুদিলেন; আর অপেক্ষা করিলেন যে, দ্রাক্ষাফল ধরিবে, কিন্তু ধরিল বুনো আঙ্গুর।
এবং দূর হইতে সপত্র এক ডুমুরগাছ দেখিয়া, হয় ত তাহা হইতে কিছু ফল পাইবেন বলিয়া, কাছে গেলেন; কিন্তু নিকটে গেলে পত্র বিনা আর কিছুই দেখিতে পাইলেন না; কেননা তখন ডুমুরফলের সময় ছিল না।
তাহাতে তিনি দ্রাক্ষাপালককে কহিলেন, দেখ, আজ তিন বৎসর আসিয়া এই ডুমুরগাছে ফল অন্বেষণ করিতেছি, কিন্তু কিছুই পাইতেছি না; ইহা কাটিয়া ফেল; এটা কেন ভূমিও নষ্ট করে।
তোমরা যে আমাকে মনোনীত করিয়াছ, এমন নয়, কিন্তু আমিই তোমাদিগকে মনোনীত করিয়াছি; আর আমি তোমাদিগকে নিযুক্ত করিয়াছি, যেন তোমরা গিয়া ফলবান্ হও, এবং তোমাদের ফল যেন থাকে; যেন তোমরা আমার নামে পিতার নিকটে যাহা কিছু যাচ্ঞা করিবে, তাহা তিনি তোমাদিগকে দেন।
কতক দিন পরে পৌল বার্ণবাকে কহিলেন, চল, আমরা যে সকল নগরে প্রভুর বাক্য প্রচার করিয়াছিলাম, সেই সকল নগরে এখন ফিরিয়া গিয়া ভ্রাতৃগণের তত্ত্বাবধান করি, দেখি, তাহারা কেমন আছে।