হে উত্তরীয় বায়ু, জাগ, হে দক্ষিণ বায়ু, আইস, আমার উপবনে বহ; উপবনের বিবিধ সুগন্ধি প্রবাহিত হউক, আমার প্রিয় আপন উদ্যানে আইসুন, আপন উপাদেয় ফল সকল ভোজন করুন।
Cross references
বায়ু দক্ষিণ দিকে যায় ও ঘুরিয়া ঘুরিয়া উত্তর দিকে যায়; নিরন্তর ঘুরিয়া ঘুরিয়া আপন পথে যায়, এবং বায়ু আপন চক্রপথে ফিরিয়া আসে।
আমাকে আকর্ষণ কর। আমরা তোমার পশ্চাতে দৌড়িব। রাজা আপন অন্তপুরে আমাকে আনিয়াছেন। আমরা তোমাতে উল্লাসিতা হইব, আনন্দ করিব, দ্রাক্ষারস হইতেও তোমার প্রেমের অধিক উল্লেখ করিব; লোকে ন্যায়তঃ তোমাকে প্রেম করে।
যেমন বনতরুগণের মধ্যে নাগরঙ্গবৃক্ষ, তেমনি যুবকগণের মধ্যে আমার প্রিয়; আমি পরমহর্ষে তাঁহার ছায়াতে বসিলাম, তাঁহার ফল আমার মুখে সুস্বাদু লাগিল।
তোমার চারাগুলি দাড়িম্বের উপবন, তন্মধ্যে আছে সুস্বাদু ফল, জটামাংসীর সহিত মেঁদি,
আমি নিদ্রিতা ছিলাম, কিন্তু আমার হৃদয় জাগিয়াছিল; আমার প্রিয়ের স্বর, তিনি দ্বারে আঘাত করিয়া কহিলেন,
আমার প্রিয়তম আপন উপবনে সুগন্ধি ওষধির চৌকাতে গিয়াছেন, উপবনে [পাল] চরাইবার জন্য ও শোশন পুষ্প চয়ন করিবার জন্য।
চল, প্রত্যূষে উঠিয়া দ্রাক্ষাক্ষেত্রে যাই, দেখি, দ্রাক্ষালতা পল্লবিত হইয়াছে কি না, তাহার মুকুল ধরিয়াছে কি না, দাড়িম্ব পুষ্প ফুটিয়াছে কি না; সেখানে তোমাকে আমার প্রেম প্রদান করিব।
আমার নিজের দ্রাক্ষাক্ষেত্র আমার সম্মুখে; হে শলোমন, সেই সহস্র মুদ্রা তোমারই হইবে, দুই শত মুদ্রা কৃষকদিগের থাকিবে।
জাগ, জাগ, বল পরিধান কর, হে সদাপ্রভুর বাহু; জাগ, যেমন পূর্ব্বকালে, সেকালের পুরুষে পুরুষে জাগিয়াছিলে, তুমিই কি রহবকে কুচি কুচি করিয়া কাট নাই, প্রকাণ্ড জলচরকে বিদ্ধ কর নাই?
আহা, তুমি আকাশমণ্ডল বিদীর্ণ করিয়া নামিয়া আইস, পর্ব্বতগণ তোমার সাক্ষাতে কম্পিত হউক;
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, আত্মার উদ্দেশে ভাববাণী বল, হে মনুষ্য-সন্তান, ভাববাণী বল, এবং আত্মাকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, হে আত্মন্; চারি বায়ু হইতে আইস, এবং এই নিহত লোকদের উপরে বহ, যেন তাহারা জীবিত হয়।
কিন্তু যীশু তাহা বুঝিয়া তাঁহাদিগকে কহিলেন, স্ত্রীলোকটীকে কেন দুঃখ দিতেছ? এ ত আমার প্রতি সৎকার্য্য করিল।
বস্তুতঃ আমার দেহের উপরে এই সুগন্ধি তৈল ঢালিয়া দেওয়াতে এ আমার সমাধির উপযোগী কর্ম্ম করিল।
বায়ু যে দিকে ইচ্ছা করে, সেই দিকে বহে, এবং তুমি তাহার শব্দ শুনিতে পাও; কিন্তু কোথা হইতে আইসে, আর কোথায় চলিয়া যায়, তাহা জান না; আত্মা হইতে জাত প্রত্যেক জন সেইরূপ।
যীশু তাহাকে কহিলেন, উঠ, তোমার খাট তুলিয়া লইয়া চলিয়া বেড়াও।
পরে পঞ্চাশত্তমীর দিন উপস্থিত হইলে তাঁহারা সকলে একস্থানে সমবেত ছিলেন।
তাঁহারা প্রার্থনা করিলে, যে স্থানে তাঁহারা সমবেত হইয়াছিলেন, সেই স্থান কাঁপিয়া উঠিল; এবং তাঁহারা সকলেই পবিত্র আত্মায় পরিপূর্ণ হইলেন ও সাহসপূর্ব্বক ঈশ্বরের বাক্য বলিতে থাকিলেন।
যেন আমি পরজাতীয়দের নিকটে খ্রীষ্ট যীশুর সেবক হইয়া, ঈশ্বরের সুসমাচারের যাজকত্ব করি, যেন পরজাতীয়েরা পবিত্র আত্মাতে পবিত্রীকৃত উপহাররূপে গ্রাহ্য হয়।
অতএব সেই কর্ম্ম সম্পন্ন করিবার এবং মুদ্রাঙ্ক দিয়া সেই ফল তাহাদিগকে দিবার পর, আমি তোমাদের নিকট দিয়া স্পেন দেশে গমন করিব।
আর যিনি বপনকারীকে বীজ ও আহারের জন্য খাদ্য যোগাইয়া থাকেন, তিনি তোমাদের বপনের বীজ যোগাইবেন এবং প্রচুর করিবেন, আর তোমাদের ধার্ম্মিকতার ফল বৃদ্ধি করিবেন;
আর আমি এই প্রার্থনা করিয়া থাকি, তোমাদের প্রেম যেন তত্ত্বজ্ঞানে ও সর্ব্বপ্রকার সূক্ষ্মচৈতন্যে উত্তর উত্তর উপচিয়া পড়ে;
এই কারণ আমরাও, যে দিন সেই সংবাদ শুনিয়াছি, সেই দিন অবধি তোমাদের নিমিত্তে প্রার্থনা ও বিনতি করিতে ক্ষান্ত হই নাই, যেন তোমরা সমস্ত আত্মিক জ্ঞানে ও বুদ্ধিতে তাঁহার ইচ্ছার তত্ত্বজ্ঞানে পূর্ণ হও,
যেন তোমরা ঈশ্বরের যোগ্য রূপে চল, যিনি আপন রাজ্যে ও প্রতাপে তোমাদিগকে আহ্বান করিতেছেন।
আর শান্তির ঈশ্বর, যিনি অনন্তকালস্থায়ী নিয়মের রক্ত প্রযুক্ত সেই মহান্ পাল-রক্ষককে, আমাদের প্রভু যীশুকে, মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়া আনিয়াছেন,
—আসিয়া জীবন্ত প্রস্তরের ন্যায় আত্মিক গৃহস্বরূপে গাঁথিয়া তোলা যাইতেছ, যেন পবিত্র যাজকবর্গ হইয়া যীশু খ্রীষ্ট দ্বারা ঈশ্বরের গ্রাহ্য আত্মিক বলি উৎসর্গ করিতে পার।
কিন্তু তোমরা “মনোনীত বংশ, রাজকীয় যাজকবর্গ, পবিত্র জাতি, [ঈশ্বরের] নিজস্ব প্রজাবৃন্দ, যেন তাঁহারই গুণকীর্ত্তন কর,” যিনি তোমাদিগকে অন্ধকার হইতে আপনার আশ্চর্য্য জ্যোতির মধ্যে আহ্বান করিয়াছেন।
কিন্তু আমাদের প্রভু ও ত্রাণকর্ত্তা যীশু খ্রীষ্টের অনুগ্রহ ও জ্ঞানে বর্দ্ধিষ্ণু হও। এখন ও অনন্তকাল পর্য্যন্ত তাঁহার গৌরব হউক। আমেন।