আর সদাপ্রভু ঈশ্বর ভূমি হইতে সর্ব্বজাতীয় সুদৃশ্য ও সুখাদ্য-দায়ক বৃক্ষ, এবং সেই উদ্যানের মধ্যস্থানে জীবনবৃক্ষ ও সদসদ্-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষ, উৎপন্ন করিলেন।
Cross references
কিন্তু সদসদ্-জ্ঞানদায়ক যে বৃক্ষ, তাহার ফল ভোজন করিও না, কেননা যে দিন তাহার ফল খাইবে, সেই দিন মরিবেই মরিবে।
কেবল উদ্যানের মধ্যস্থানে যে বৃক্ষ আছে, তাহার ফলের বিষয় ঈশ্বর বলিয়াছেন, তোমরা তাহা ভোজন করিও না, স্পর্শও করিও না, করিলে মরিবে।
কেননা ঈশ্বর জানেন, যে দিন তোমরা তাহা খাইবে, সেই দিন তোমাদের চক্ষু খুলিয়া যাইবে, তাহাতে তোমরা ঈশ্বরের সদৃশ হইয়া সদসদ্-জ্ঞান প্রাপ্ত হইবে।
আর সদাপ্রভু ঈশ্বর কহিলেন, দেখ, মনুষ্য সদসদ্-জ্ঞান প্রাপ্ত হইবার বিষয়ে আমাদের একের মত হইল; এখন পাছে সে হস্ত বিস্তার করিয়া জীবনবৃক্ষের ফলও পাড়িয়া ভোজন করে ও অনন্তজীবী হয়।
আর আমরা আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর আজ্ঞানুসারে তাঁহার সম্মুখে এই সমস্ত বিধি যত্নপূর্ব্বক পালন করিলে আমাদের ধার্ম্মিকতা হইবে।
যাহারা তাহাকে ধরিয়া রাখে, তাহাদের কাছে তাহা জীবনবৃক্ষ; যে কেহ তাহা গ্রহণ করে, সে ধন্য।
ধার্ম্মিকের ফল জীবনবৃক্ষ; এবং জ্ঞানবান [অপরদের] প্রাণ লাভ করে।
[সদাপ্রভু] বাচালদিগের চিহ্ন সকল ব্যর্থ করেন, ও মন্ত্রজ্ঞদিগকে উন্মত্ত করেন, তিনি জ্ঞানবানদিগকে হটাইয়া দেন, ও তাহাদের জ্ঞান মূর্খতাস্বরূপ করেন।
তুমি আপন দুষ্টতায় নির্ভর করিয়াছ, তুমি বলিয়াছ, কেহ আমাকে দেখিতে পায় না; তোমার বিদ্যা ও তোমার জ্ঞান তোমাকে বিপথগামিনী করিয়াছে; তুমি মনে মনে বলিয়াছ, আমিই আছি, আমা ভিন্ন আর কেহ নাই।
ঈশ্বরের উদ্যানে এরস বৃক্ষ সকল তাহাকে গোপন করিতে পারিত না, দেবদারু সকল ডালপালায় তাহার সমান ছিল না; এবং অর্ম্মোণ বৃক্ষ সকল তাহার ন্যায় শাখাবিশিষ্ট ছিল না; ঈশ্বরের উদ্যানে স্থিত কোন বৃক্ষ সৌন্দর্য্যে তাহার তুল্য ছিল না।
যখন আমি তাহাকে পাতালবাসীদের নিকটে ফেলিয়া দিলাম, তখন তাহার পতনের শব্দে জাতিগণকে কম্পিত করিলাম; আর এদনের সমস্ত বৃক্ষ, লিবানোনের উৎকৃষ্ট ও শ্রেষ্ঠ জলপায়ী সকলে, অধোভুবনে সান্ত্বনা পাইল।
এইরূপে তুমি প্রতাপে ও মহত্ত্বে এদনস্থ বৃক্ষসমূহের মধ্যে কাহার তুল্য? তথাপি এদনস্থ বৃক্ষগণের সহিত তুমিও অধোভুবনে অবনীত হইবে; অচ্ছিন্নত্বক্ সকলের মধ্যে খড়্গনিহত লোকদের সহিত শয়ন করিবে। এ সেই ফরৌণ ও তাহার সমস্ত লোকারণ্য; ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
আর নদীর ধারে এপারে ওপারে সর্ব্বপ্রকার ভোজনার্থ ফলের বৃক্ষ হইবে, তাহার পত্র ম্লান হইবে না, ও ফল শেষ হইবে না; প্রতিমাসে তাহার ফল পাকিবে, কেননা তাহার সেচনের জল ধর্ম্মধাম হইতে নির্গত; আর তাহার ফল আহারের জন্য ও পুত্র আরোগ্যের নিমিত্ত ব্যবহৃত হইবে।
আমিই জীবন-খাদ্য।
আর প্রতিমার কাছে উৎসৃষ্ট বলির বিষয়;—আমরা জানি যে, আমাদের সকলের জ্ঞান আছে। জ্ঞান গর্ব্বিত করে, কিন্তু প্রেমই গাঁথিয়া তুলে।
যাহার কর্ণ আছে, সে শুনুক, আত্মা মণ্ডলীগণকে কি কহিতেছেন। যে জয় করে, তাহাকে আমি ঈশ্বরের “পরমদেশস্থ জীবনবৃক্ষের” ফল ভোজন করিতে দিব।
“নদীর এপারে ওপারে জীবন-বৃক্ষ আছে, তাহা দ্বাদশ বার ফল উৎপন্ন করে, এক এক মাসে আপন আপন ফল দেয়, এবং সেই বৃক্ষের পত্র জাতিগণের আরোগ্য নিমিত্তক”।
ধন্য তাহারা, যাহারা আপন আপন পরিচ্ছদ ধৌত করে, যেন তাহারা জীবনবৃক্ষের অধিকারী হয়, এবং দ্বার সকল দিয়া নগরে প্রবেশ করে।