অতএব, আইস, আমরা পরস্পর কেহ কাহারও বিচার আর না করি, বরং তোমরা এই বিচার কর যে, ভ্রাতার ব্যাঘাতজনক কি বিঘ্নজনক কিছু রাখা অকর্ত্তব্য।
Cross references
তুমি বধিরকে শাপ দিও না, ও অন্ধের সম্মুখে বাধাজনক বস্তু রাখিও না, কিন্তু তোমার ঈশ্বরকে ভয় করিও; আমি সদাপ্রভু।
কিন্তু এই কর্ম্ম দ্বারা আপনি সদাপ্রভুর শত্রুগণকে নিন্দা করিবার বড় সুযোগ দিয়াছেন, এই জন্য আপনার নবজাত পুত্রটী অবশ্য মরিবে।
আর বলা হইবে, উচ্চ কর, উচ্চ কর, পথ পরিষ্কার কর, আমার প্রজাগণের পথ হইতে বিঘ্ন দূর কর।
হে মনুষ্য-সন্তান, ঐ লোকেরা আপন আপন পুত্তলিকে আপন আপন হৃদয়ে উঠিতে দিয়াছে, ও আপন আপন দৃষ্টির সম্মুখে আপনাদের অপরাধজনক বিঘ্ন রাখিয়াছে; আমি কি কোন মতে উহাদিগকে আমার কাছে অনুসন্ধান করিতে দিব?
তোমরা বিচার করিও না, যেন বিচারিত না হও।
কিন্তু তিনি মুখ ফিরাইয়া পিতরকে কহিলেন, আমার সম্মুখ হইতে দূর হও, শয়তান, তুমি আমার বিঘ্নস্বরূপ; কেননা যাহা ঈশ্বরের, তাহা নয়, কিন্তু যাহা মনুষ্যের তাহাই তুমি ভাবিতেছ।
বিঘ্ন প্রযুক্ত জগৎকে ধিক্! কেননা বিঘ্ন অবশ্যই উপস্থিত হইবে; কিন্তু ধিক্ সেই ব্যক্তিকে, যাহার দ্বারা বিঘ্ন উপস্থিত হইবে।
আর ন্যায্য কি, তাহা আপনারাই কেন বিচার কর না?
সে যে এই ক্ষুদ্রগণের মধ্যে এক জনের বিঘ্ন জন্মায়, ইহা অপেক্ষা বরং তাহার গলায় যাঁতা বাঁধিয়া তাহাকে সমুদ্রে ফেলিয়া দিলে তাহার পক্ষে ভাল।
কারণ কি? বিশ্বাস দ্বারা নয়, কিন্তু যেন কর্ম্ম দ্বারা তাহারা অনুধাবন করিত।
—আর দায়ূদ বলেন, “তাহাদের মেজ তাহাদের জন্য ফাঁদ ও পাশস্বরূপ হউক, তাহা বিঘ্ন ও প্রতিফলস্বরূপ হউক।
তুমি কে, যে অপরের ভৃত্যের বিচার কর? নিজ প্রভুরই নিকটে হয় সে স্থির থাকে, নয় পতিত হয়। বরং তাহাকে স্থির রাখা যাইবে, কেননা প্রভু তাহাকে স্থির রাখিতে পারেন।
কিন্তু তুমি কেন তোমার ভ্রাতার বিচার কর? কেনই বা তুমি তোমার ভ্রাতাকে তুচ্ছ কর? আমরা সকলেই ত ঈশ্বরের বিচারাসনের সম্মুখে দাঁড়াইব।