দুর্জ্জনেরা কেন জীবিত থাকে, কেন বৃদ্ধ হয়, আবার ঐশ্বর্য্যে বীর্য্যবান্ হয়?
Cross references
দস্যুদের তাম্বু শান্তিযুক্ত, ঈশ্বরের ক্রোধজনকেরা নির্ব্বিঘ্নে থাকে, ঈশ্বর তাহাদের হস্তে ধন দেন।
তাহারা আপন আপন মেদে বদ্ধ, তাহারা মুখে অহঙ্কারের কথা কহে।
আমি দুষ্টকে মহাক্ষমতাশালী দেখিয়াছি, উৎপত্তি স্থানের সতেজ বৃক্ষের ন্যায় প্রসারিত দেখিয়াছি।
কারণ যখন দুষ্টদের কল্যাণ দেখিয়াছিলাম, তখন গর্ব্বিতদের প্রতি ঈর্ষা করিয়াছিলাম।
আমি আপন অসারতার কালে এই সমস্তই দেখিয়াছি; কোন ধার্ম্মিক লোক নিজ ধার্ম্মিকতায় বিনষ্ট হয়, এবং কোন দুষ্ট লোক নিজ দুষ্টতায় দীর্ঘ কাল যাপন করে।
হে সদাপ্রভু, আমি যখন তোমার সহিত বিবাদ করি, তুমিই ধর্ম্মময়; তথাপি তোমার সহিত বাদানুবাদ করিব। দুষ্ট লোকদের পথ কেন কুশলযুক্ত হয়? যাহারা অতিশয় বিশ্বাসঘাতক, তাহারা কেন শান্তিতে থাকে?
এই বার্ত্তা প্রহরীবর্গের আদেশে, ও এই বিষয়টী পবিত্রগণের কথায় দত্ত হইল; অভিপ্রায় এই, যেন জীবিত লোকেরা জানিতে পারে যে, মনুষ্যদের রাজ্যে পরাৎপর কর্ত্তৃত্ব করেন, যাহাকে তাহা দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে তাহা দেন, ও মনুষ্যদের মধ্যে অতি নীচ ব্যক্তিকে তাহার উপরে নিযুক্ত করেন।
তুমি এমন নির্ম্মলচক্ষু যে মন্দ দেখিতে পার না, এবং দুষ্কার্য্যের প্রতি তুমি দৃষ্টিপাত করিতে পার না, তবে বিশ্বাসঘাতকদের প্রতি কেন দৃষ্টিপাত করিতেছ? আর দুর্জ্জন আপনার অপেক্ষা ধার্ম্মিক লোককে গ্রাস করিলে কেন নীরব থাক?
সে সকলকে বড়শীতে তুলে, তাহাদিগকে নিজ জালে ধরে, খালুইতে একত্র করে; এই জন্য সে আনন্দিত ও উল্লাসিত হয়।
সেই যে পশুকে আমি দেখিলাম, সে “চিতাবাঘের তুল্য, আর তাহার চরণ ভল্লুকের ন্যায়, এবং মুখ সিংহমুখের ন্যায়”; আর সেই নাগ আপনার পরাক্রম ও আপনার সিংহাসন ও মহৎ কর্ত্তৃত্ব তাহাকে দান করিল।
“যাহার সহিত পৃথিবীর রাজগণ ব্যভিচার করিয়াছে, এবং পৃথিবী-নিবাসীরা যাহার বেশ্যাক্রিয়ার মদিরাতে মত্ত হইয়াছে”।