আমি দৃষ্টান্ত কথায় কর্ণপাত করিব, বীণাযন্ত্রে আপন গূঢ় বাক্যের ব্যাখ্যা করিব।
Cross references
তাহার সহিত আমি সম্মুখাসম্মুখি হইয়া কথা কহি, গূঢ় বাক্য দ্বারা নয়, কিন্তু প্রকাশ্যরূপে; এবং সে সদাপ্রভুর মূর্ত্তি দর্শন করিবে; অতএব আমার দাসের প্রতিকূলে, মোশির প্রতিকূলে, কথা কহিতে তোমরা কেন ভীত হইলে না?
তখন সে আপন মন্ত্র গ্রহণ করিয়া বলিল, বালাক অরাম হইতে আমাকে আনাইলেন, মোয়াব-রাজ পূর্ব্বদিকের পর্ব্বতমালা হইতে আনাইলেন; আইস, আমার নিমিত্ত যাকোবকে শাপ দেও, আইস, ইস্রায়েলের উপর কুপিত হও।
আমি দৃষ্টান্তকথায় আপন মুখ খুলিব, আমি পুরাকালের গূঢ় বাক্য সকল ব্যক্ত করিব;
এতদ্দ্বারা দৃষ্টান্ত কথা ও রূপক বুঝা যায়, জ্ঞানবানদের বাক্য ও তাহাদের সমস্যা বুঝা যায়।
তখন আমি কহিলাম, হাঁ প্রভু সদাপ্রভু, তাহারা আমার বিষয়ে বলে, ঐ ব্যক্তি কি উপমাবাদী নয়?
তাহাদের রাজ্যের উত্তরকালে অধর্ম্মীদের মাত্রা পূর্ণ হইলে ভীষণবদন ও গূঢ়বাক্যবিৎ এক রাজা উৎপন্ন হইবে।
তিনি উত্তর করিয়া কহিলেন, স্বর্গ-রাজ্যের নিগূঢ় তত্ত্ব সকল তোমাদিগকে জানিতে দেওয়া হইয়াছে, কিন্তু তাহাদিগকে দেওয়া হয় নাই।
যেন ভাববাদীর দ্বারা কথিত এই বচন পূর্ণ হয়, “আমি দৃষ্টান্ত কথায় আপন মুখ খুলিব, জগতের পত্তনাবধি যাহা যাহা গুপ্ত আছে, সে সকল ব্যক্ত করিব।”
অতএব তোমরা অন্ধকারে যাহা কিছু বলিয়াছ, তাহা আলোতে শুনা যাইবে; এবং অন্তরাগারে কাণে কাণে যাহা বলিয়াছ, তাহা ছাদের উপরে প্রচারিত হইবে।
অতএব, আমাদের এই প্রকার প্রত্যাশা থাকাতে আমরা অতি স্পষ্ট কথা ব্যবহার করি;