সে মনুষ্য ঐশ্বর্য্যশালী অথচ অবোধ, সে নশ্বর পশুদিগের সদৃশ।
Cross references
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
তাহাতে হামন মর্দখয়ের জন্য যে ফাঁশিকাষ্ঠ প্রস্তুত করিয়াছিল, লোকেরা তাহার উপরে হামনকে ফাঁশি দিল; তখন রাজার ক্রোধ প্রশমিত হইল।
তাহাদের আন্তরিক রজ্জু কি খোলা যায় না? তাহারা অজ্ঞানাবস্থায় মরিয়া যায়।”
যে পর্য্যন্ত আমি সেই স্থানে না যাই, যথা হইতে আর ফিরিয়া আসিব না। তাহা তিমিরের ও মৃত্যুচ্ছায়ার দেশ,
কিন্তু মনুষ্য ঐশ্বর্য্যশালী হইলেও স্থির থাকে না; সে নশ্বর পশুদিগের সদৃশ।
তুমি তাহাদিগকে পিচ্ছিল স্থানেই রাখিতেছ, তাহাদিগকে বিনাশে ফেলিয়া দিতেছ।
আমি মনে মনে কহিলাম, ইহা মনুষ্য-সন্তানদের নিমিত্ত হইতেছে, যেন ঈশ্বর তাহাদের পরীক্ষা করেন, আর যেন তাহারা দেখিতে পায় যে, তাহারা নিজেই পশুবৎ।
কোন মনুষ্য যদি অনেক বৎসর জীবিত থাকে, তবে সেই সকলে আনন্দ করুক, কিন্তু অন্ধকারের দিন সকল মনে রাখুক; কেননা সেই সকল দিন অনেক হইবে। যাহা যাহা ঘটে, সে সকলই অসার।