সদাপ্রভু সমস্ত চাটুবাদী ওষ্ঠাধর ও দর্পবাদী জিহ্বা কাটিয়া ফেলিবেন;
Cross references
শত্রু বলিয়াছিল, আমি পশ্চাৎ ধাবিত হইব, উহাদের সঙ্গ ধরিব, লুট বিভাগ করিয়া লইব; উহাদিগেতে আমার অভিলাষ পূর্ণ হইবে; আমি খড়গ নিষ্কোষ করিব, আমার হস্ত উহাদিগকে বিনাশ করিবে।
তোমরা এমন মহাশ্লাঘার কথা আর কহিও না, তোমাদের মুখ হইতে দর্প নির্গত না হউক; কেননা সদাপ্রভু জ্ঞানের ঈশ্বর, তাঁহাকর্ত্তৃক কর্ম্ম সকল তুলাতে পরিমিত হয়।
পরে ঐ পলেষ্টীয় দায়ূদকে কহিল, আমি কি কুকুর যে, তুই দণ্ড লইয়া আমার কাছে আসিতেছিস্? আর সেই পলেষ্টীয় আপন দেবগণের নাম লইয়া দায়ূদকে শাপ দিল।
তুমি আপন দূতগণের দ্বারা প্রভুকে টিট্কারি দিয়াছ, বলিয়াছ, ‘আমি নিজ রথ-বাহুল্য দ্বারা পর্ব্বতগণের উচ্চ মস্তকে, লিবানোনের নিভৃত স্থানে আরোহন করিয়াছি; আমি তাহার দীর্ঘকায় এরস বৃক্ষ ও উৎকৃষ্ট দেবদারু সকল ছেদন করিব; তাহার প্রান্তভাগস্থ বাসস্থানে, উর্ব্বর ক্ষেত্রের কাননে, প্রবেশ করিব।
কেননা আমি চাটুবাদ করিতে জানি না, করিলে আমার নির্ম্মাতা শীঘ্রই আমাকে সংহার করিবেন।
তাহারা আপন আপন মেদে বদ্ধ, তাহারা মুখে অহঙ্কারের কথা কহে।
তুমি সদাপ্রভুতে আপনার ভার অর্পন কর; তিনিই তোমাকে ধরিয়া রাখিবেন, কখনও ধার্ম্মিককে বিচলিত হইতে দিবেন না।
তাহারা বিদ্রূপ করে, ও দুষ্টতায় উপদ্রবের কথা কহে, তাহারা দর্পকথা কহে।
আমি উদ্বেগে বলিয়াছিলাম, মনুষ্যমাত্র মিথ্যাবাদী।
আমি জানি, সদাপ্রভু দুঃখীর বিবাদ, ও দরিদ্রবর্গের বিচার নিষ্পন্ন করিবেন।
মরণ ও জীবন জিহ্বার অধীন; যাহারা তাহা ভালবাসে, তাহারা তাহার ফল ভোগ করিবে।
যে দ্বেষ করে, সে ওষ্ঠাধরে ভাণ করে, কিন্তু মনের মধ্যে ছল রাখে;
সে সকল প্রতিমার রাজ্য আমার হস্তগত হইয়াছে, সে গুলির ক্ষোদিত মূর্ত্তি যিরূশালেমের ও শমরিয়ার মূর্ত্তি সকল অপেক্ষা উত্তম;
কেহ ধার্ম্মিকতায় অভিযোগ করে না, কেহ সত্যে হেতুবাদ করে না; তাহারা অবস্তুতে নির্ভর করে, ও মিথ্যা কহে, অনিষ্ট গর্ভে ধারণ করে, অন্যায় প্রসব করে।
তাহা ছলের কথা কহে; লোকে মুখে বন্ধুর সহিত প্রেমালাপ করে, কিন্তু অন্তরে তাহার জন্য ঘাঁটি বসায়।
বস্তুতঃ তোমার ভ্রাতৃগণ ও তোমার পিতৃকুল, তাহারাই তোমার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছে, তাহারাই তোমার পশ্চাতে ‘ধর ধর’ বলিয়া ডাকিতেছে; তাহারা তোমাকে ভাল ভাল কথা কহিলেও তাহাদের কথায় বিশ্বাস করিও না।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সোরের অধ্যক্ষকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে, তুমি বলিয়াছ, আমি দেবতা, আমি সমুদ্রগণের মধ্যস্থলে ঈশ্বরের আসনে বসিয়া আছি; কিন্তু তুমি ত মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ, তথাপি আপন চিত্তকে ঈশ্বরের চিত্তের তুল্য বলিয়া মানিয়াছি।
তোমার বধকারীর সাক্ষাতে তুমি কি বলিবে, ‘আমি ঈশ্বর’? কিন্তু যে তোমাকে বিদ্ধ করিবে, তাহার হস্তে ত তুমি মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ।
তুমি এই কথা বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, হে মিসর-রাজ ফরৌণ, দেখ, আমি তোমার বিপক্ষ; তুমি সেই প্রকাণ্ড কুম্ভীর, যে আপন স্রোতঃসমূহের মধ্যে শয়ন করে, বলে, আমার নদী আমারই, আমিই আপনার জন্য ইহা উৎপন্ন করিয়াছি।
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
আমি সেই শৃঙ্গের বিষয় ভাবিতেছিলাম, আর দেখ, তাহাদের মধ্যে আর এক শৃঙ্গ উঠিল, ইহা ক্ষুদ্র, ইহার সাক্ষাতে পূর্ব্ব শৃঙ্গগুলির তিন শৃঙ্গ সমূলে উৎপাটিত হইল; আর দেখ, ঐ শৃঙ্গে মানুষের চক্ষুর মত চক্ষু ও দর্পবাক্যবাদী মুখ ছিল।
সে পরাৎপরের বিপরীতে কথা কহিবে, পরাৎপরের পবিত্রগণকে শীর্ণ করিবে, এবং নিরূপিত সময়ের ও ব্যবস্থার পরিবর্ত্তন করিতে মনস্থ করিবে, এবং এক কাল, [দুই] কাল ও অর্দ্ধ কাল পর্য্যন্ত তাহারা তাহার হস্তে সমর্পিত হইবে।
তোমরা আমার বিরুদ্ধে শক্ত শক্ত কথা বলিয়াছ, ইহা সদাপ্রভু কহেন। কিন্তু তোমরা বলিতেছ, আমরা কিসে তোমার বিরুদ্ধে কথা বলিয়াছি? তোমরা বলিয়াছ, ঈশ্বরের সেবা করা অনর্থক;
কারণ তাহারা অসার গর্ব্বের কথা কহিয়া মাংসিক সুখাভিলাষে, লম্পটতায়, সেই লোকদিগকে প্রলোভিত করে, যাহারা ভ্রমাচারীদের হইতে সম্প্রতি পলায়ন করিতেছে।
ইহারা বচসাকারী, স্বভাগ্যনিন্দক আপন আপন অভিলাষের অনুগামী; আর তাহাদের মুখ মহাগর্ব্বের কথা বলে, এবং তাহারা লাভার্থে মনুষ্যদের তোষামোদ করে।
আর এমন এক মুখ তাহাকে দত্ত হইল, যাহা দর্প ও ঈশ্বর-নিন্দা করে, এবং তাহাকে বিয়াল্লিশ মাস পর্য্যন্ত কার্য্য করিবার ক্ষমতা দেওয়া গেল।