ইহারা বচসাকারী, স্বভাগ্যনিন্দক আপন আপন অভিলাষের অনুগামী; আর তাহাদের মুখ মহাগর্ব্বের কথা বলে, এবং তাহারা লাভার্থে মনুষ্যদের তোষামোদ করে।
Cross references
তোমরা বিচারে অন্যায় করিও না। তুমি দরিদ্রের মুখাপেক্ষা করিও না, ও ধনবানের সমাদর করিও না; তুমি ধার্ম্মিকতায় স্বজাতীয়ের বিচার নিষ্পন্ন করিও।
[36-37] আর দেশ নিরীক্ষণ করিতে মোশি যে লোকদিগকে পাঠাইয়াছিলেন, যাহারা ফিরিয়া আসিয়া ঐ দেশের অখ্যাতি করিয়া তাঁহার প্রতিকূলে সমস্ত মণ্ডলীকে দিয়া বচসা করাইয়াছিল, দেশের অখ্যাতিকারী সেই ব্যক্তিরা সদাপ্রভুর সম্মুখে মহামারীতে মরিল।
অতএব তুমি ও তোমার সমস্ত দল সদাপ্রভুরই প্রতিকূলে একত্র হইয়াছ; আর হারোণ কে যে তোমরা তাঁহার প্রতিকূলে বচসা কর?
আর আপন আপন তাম্বুতে বচসা করিয়া কহিলে, সদাপ্রভু আমাদিগকে ঘৃণা করিলেন বলিয়া আমরা যেন বিনষ্ট হই, তাই ইমোরীয়দের হস্তে সমর্পণ করিবার নিমিত্ত আমাদিগকে মিসর দেশ হইতে বাহির করিয়া আনিলেন।
তুমি ইহাদের চিত্ত বুদ্ধিরহিত করিয়াছ, তাই ইহাদিগকে উন্নত করিবে না।
আমি কোন লোকের মুখাপেক্ষাও করিব না, কোন মনুষ্যের চাটুবাদ করিব না।
কিন্তু তিনি জনাধ্যক্ষদেরও মুখাপেক্ষা করেন না, দরিদ্রের কাছে ধনবানকেও বিশিষ্ট জ্ঞান করেন না, কেননা তাহারা সকলেই তাঁহার হস্তকৃত বস্তু।
যাহার দৃষ্টিতে পামর তুচ্ছনীয় হয়; যে সদাপ্রভুর ভয়কারীদিগকে মান্য করে, দিব্য করিলে ক্ষতি হইলেও অন্যথা করে না;
তাহারা আপন আপন মেদে বদ্ধ, তাহারা মুখে অহঙ্কারের কথা কহে।
তাহারা আকাশে মুখ রাখিয়াছে, এবং তাহাদের জিহ্বা পৃথিবীতে বিহার
কিন্তু আপন আপন তাম্বুর মধ্যে বচসা করিল, সদাপ্রভুর রবে কর্ণপাত করিল না।
মানুষের মুখাপেক্ষা করা ভাল নয়, একখণ্ড রুটীর নিমিত্ত অধর্ম্ম করাও ভাল নয়।