তিনি প্রজ্ঞার সহিত মুখ খোলেন, তাঁহার জিহ্বাগ্রে দয়ার ব্যবস্থা থাকে।
Cross references
তিনি কহিলেন, মহাশয়, পান করুন; ইহা বলিয়া তিনি শীঘ্র কলশ হাতের উপরে নামাইয়া তাঁহাকে পান করিতে দিলেন।
কিন্তু তাঁহার স্ত্রী কহিলেন, আমাদিগকে বধ করা যদি সদাপ্রভুর অভিরুচি হইত, তবে তিনি আমাদের হস্ত হইতে হোম ও ভক্ষ্য-নৈবেদ্য গ্রহণ করিতেন না, এবং এই সকল আমাদিগকে দেখাইতেন না, আর এই সময় আমাদিগকে এমন সকল কথাও শুনাইতেন না।
আর তাঁহার চরণে পড়িয়া কহিলেন, হে আমার প্রভু, আমার উপরে, আমারই উপরে এই অপরাধ বর্ত্তুক। বিনয় করি, আপনার দাসীকে আপনার কর্ণগোচরে কথা কহিবার অনুমতি দিউন; আর আপনি আপনার দাসীর কথা শ্রবণ করুন।
পরে নগরের মধ্য হইতে একটী বুদ্ধিমতী স্ত্রীলোক উচ্চৈঃস্বরে কহিল, শুন শুন, অনুগ্রহ করিয়া যোয়াবকে এই স্থান পর্য্যন্ত আসিতে বল, আমি তাঁহার সহিত কথা কহিব।
পরে তাঁহারা তাঁহার সহিত কথোপকথন করিলেন। তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভু এই কথা কহেন, যে ব্যক্তি তোমাদিগকে আমার কাছে পাঠাইয়াছে, তাহাকে বল, সদাপ্রভু এই কথা কহেন,
পরে ইষ্টেরের দাসীগণ ও নপুংসকেরা আসিয়া ঐ কথা তাঁহাকে জ্ঞাত করিল; তাহাতে রাণী অতিশয় মনস্তাপিতা হইয়া মর্দখয়কে চট পরিত্যাগ ও বস্ত্র পরিধান করাইবার জন্য বস্ত্র প্রেরণ করিলেন, কিন্তু তিনি তাহা গ্রহণ করিলেন না।
আমি যদি মহারাজের দৃষ্টিতে অনুগ্রহ পাইয়া থাকি, এবং আমার নিবেদন গ্রাহ্য করিতে ও আমার অনুরোধ সিদ্ধ করিতে যদি মহারাজের ভাল বোধ হয়, তবে আমি আপনাদের জন্য যাহা প্রস্তুত করিব, মহারাজ ও হামন সেই ভোজে আগমন করুন; এবং আমি কল্য মহারাজের আজ্ঞানুসারে [উত্তর] করিব।
তখন ইষ্টের রাণী উত্তর করিলেন, মহারাজ, আমি যদি আপনার দৃষ্টিতে অনুগ্রহ পাইয়া থাকি, ও যদি মহারাজের ভাল বোধ হয়, তবে আমার নিবেদনে আমার প্রাণ, ও আমার অনুরোধে আমার জাতি আমাকে দত্ত হউক;
পরে ইষ্টের রাজার কাছে পুনর্ব্বার নিবেদন করিলেন, ও তাঁহার চরণে পড়িয়া রোদন করিতে করিতে অগাগীয় হামনের [অভিপ্রেত] অমঙ্গল, অর্থাৎ যিহূদীদের বিরুদ্ধে তাহার সঙ্কল্পিত কুমন্ত্রণা নিবারণার্থে তাঁহার কাছে সাধ্যসাধনা করিলেন।
ধার্ম্মিকের মুখ প্রজ্ঞা-ফলে ফলবান; কিন্তু কুটিল জিহ্বা ছেদন করা যাইবে।
কেহ কেহ অবিবেচনার কথা বলে, খড়্গাঘাতের মত, কিন্তু জ্ঞানবানদের জিহ্বা স্বাস্থ্যস্বরূপ।
মনোহর বাক্য মৌচাকের ন্যায়; তাহা প্রাণের পক্ষে মধুর, অস্থির পক্ষে স্বাস্থ্যকর।
বাটী ও ধন পৈত্রিক অধিকার; কিন্তু বুদ্ধিমতী স্ত্রী সদাপ্রভু হইতে পাওয়া যায়।
দীর্ঘসহিষ্ণুতা দ্বারা শাসনকর্ত্তা প্ররোচিত হন, এবং কোমল জিহ্বা অস্থি ভগ্ন করে।
তুমি বোবাদিগের জন্য তোমার মুখ খোল, অনাথ সকলের জন্য খোল।
অয়ি মম কপোতি! তুমি শৈলের ফাটালে, ভূধরের গুপ্ত স্থানে রহিয়াছ, আমাকে তোমার রূপ দেখিতে দেও, তোমার স্বর শুনিতে দেও, কেননা তোমার স্বর মিষ্ট ও তোমার রূপ মনোহর।’
কান্তে! তোমার ওষ্ঠাধর হইতে ফোঁটা ফোঁটা মধু ক্ষরে, তোমার জিহ্বার তলে মধু ও দুগ্ধ আছে; তোমার বস্ত্রের গন্ধ লিবানোনের গন্ধের ন্যায়।
তাহার মুখে সত্যের ব্যবস্থা ছিল, ও তাহার ওষ্ঠাধরে অন্যায় পাওয়া যাইত না; সে শান্তিতে ও সরলতায় আমার সহিত গমনাগমন করিত, এবং অনেককে অপরাধ হইতে ফিরাইত।
তখন মরিয়ম কহিলেন, দেখুন, আমি প্রভুর দাসী; আপনার বাক্যানুসারে আমার প্রতি ঘটুক। পরে দূত তাঁহার নিকট হইতে প্রস্থান করিলেন।
এবং উচ্চরবে মহাশব্দ করিয়া বলিলেন, নারীগণের মধ্যে তুমি ধন্য, এবং ধন্য তোমার জঠরের ফল।
তখন যাহারা সভায় বসিয়াছিল, তাহারা সকলে তাঁহার প্রতি একদৃষ্টে চাহিয়া দেখিল, তাঁহার মুখ স্বর্গদূতের মুখের তুল্য।
তিনি সমাজ-গৃহে সাহসপূর্ব্বক কথা কহিতে আরম্ভ করিলেন। আর প্রিষ্কিল্লা ও আক্বিলা তাঁহার উপদেশ শুনিয়া তাঁহাকে আপনাদের নিকটে আনিলেন, এবং ঈশ্বরের পথ আরও সূক্ষ্মরূপে বুঝাইয়া দিলেন।
তোমাদের মুখ হইতে কোন প্রকার কদালাপ বাহির না হউক, কিন্তু প্রয়োজনমতে গাঁথিয়া তুলিবার জন্য সদালাপ বাহির হউক, যেন যাহারা শুনে, তাহাদিগকে অনুগ্রহ দান করা হয়।
তোমরা বাহিরের লোকদের প্রতি বুদ্ধিপূর্ব্বক আচরণ কর, সুযোগ কিনিয়া লও।
তদ্রূপ, হে ভার্য্যা সকল, তোমরা আপন আপন স্বামীর বশীভূতা হও;
কিন্তু হৃদয়ের গুপ্ত মনুষ্য, মৃদু ও প্রশান্ত আত্মার অক্ষয় শোভা, তাহাদের ভূষণ হউক; তাহাই ঈশ্বরের দৃষ্টিতে বহুমূল্য।
অবশেষে বলি, তোমরা সকলে সমমনা, পরদুঃখে দুঃখিত, ভ্রাতৃপ্রেমিক; স্নেহবান্ ও নম্রমনা হও।