যে অভিমানী ও উদ্ধত, তাহার নাম নিন্দক; সে দর্পের প্রাবল্যে কর্ম্ম করে।
Cross references
আর হামন যখন দেখিল যে, মর্দখয় তাহার কাছে নত হইয়া প্রণিপাত করে না, তখন সে ক্রোধে পরিপূর্ণ হইল।
ধন্য সেই ব্যক্তি, যে দুষ্টদের মন্ত্রণায় চলে না, পাপীদের পথে দাঁড়ায় না, নিন্দকদের সভায় বসে না।
‘অবোধেরা, কত দিন নির্বুদ্ধিতা ভালবাসিবে? নিন্দকেরা কত দিন নিন্দায় রত থাকিবে? হীনবুদ্ধিরা, কত দিন জ্ঞানকে ঘৃণা করিবে?
উদ্ধত দৃষ্টি, মিথ্যাবাদী জিহ্বা, নির্দ্দোষের রক্তপাতকারী হস্ত,
বিনাশের পূর্ব্বে অহঙ্কার, পতনের পূর্ব্বে মনের গর্ব্ব।
বিনাশের অগ্রে মনুষ্যের মন গর্ব্বিত হয়, আর সম্মানের অগ্রে নম্রতা থাকে।
প্রস্তুত রহিয়াছে নিন্দকদের নিমিত্ত দণ্ডাজ্ঞা, মূর্খদের পৃষ্ঠের নিমিত্ত কোড়া।
কার্য্যের আরম্ভ হইতে তাহার অন্ত ভাল, এবং গর্ব্বিতাত্মা অপেক্ষা ধীরাত্মা ভাল।
আমরা মোয়াবের অহঙ্কারের কথা শুনিয়াছি, সে অত্যন্ত অহঙ্কারী; তাহার অভিমান, অহঙ্কার ও ক্রোধের কথা শুনিয়াছি; তাহার দর্প কিছু নয়।
আমরা মোয়াবের অহঙ্কারের কথা শুনিয়াছি, সে অত্যন্ত অহঙ্কারী; তাহার অভিমান, অহঙ্কার, উদ্ধতভাব ও চিত্ত-গরিমার [কথা শুনিয়াছি]।
পরে হেরোদ যখন দেখিলেন যে, তিনি পণ্ডিতগণ কর্ত্তৃক তুচ্ছীকৃত হইয়াছেন, তখন মহাক্রুদ্ধ হইলেন, এবং সেই পণ্ডিতদের নিকটে বিশেষ করিয়া যে সময় জানিয়া লইয়াছিলেন, তদনুসারে দুই বৎসর ও তাহার অল্প বয়সের যত বালক বৈৎলেহম ও তাহার সমস্ত পরিসীমার মধ্যে ছিল, লোক পাঠাইয়া সে সকলকে বধ করাইলেন।