প্রস্তুত রহিয়াছে নিন্দকদের নিমিত্ত দণ্ডাজ্ঞা, মূর্খদের পৃষ্ঠের নিমিত্ত কোড়া।
Cross references
তখন তিনি পশ্চাৎ দিকে মুখ ফিরাইয়া তাহাদিগকে দেখিলেন, এবং সদাপ্রভুর নামে তাহাদিগকে শাপ দিলেন; আর বন হইতে দুইটা ভল্লূকী আসিয়া তাহাদের মধ্যে বেয়াল্লিশ জন বালককে ছিঁড়িয়া ফেলিল।
‘অবোধেরা, কত দিন নির্বুদ্ধিতা ভালবাসিবে? নিন্দকেরা কত দিন নিন্দায় রত থাকিবে? হীনবুদ্ধিরা, কত দিন জ্ঞানকে ঘৃণা করিবে?
এজন্য তোমাদের বিপদে আমিও হাসিব, তোমাদের ভয় উপস্থিত হইলে পরিহাস করিব;
নিশ্চয়ই তিনি নিন্দকদিগের নিন্দা করেন, কিন্তু নম্রদিগকে অনুগ্রহ প্রদান করেন।
অমনি সে তাহার পশ্চাতে গেল, যেমন গোরু হত হইতে যায়, যেমন শৃঙ্খলবদ্ধ ব্যক্তি নির্ব্বোধের শাস্তি পাইতে যায়;
তুমি যদি জ্ঞানবান হও, নিজেরই মঙ্গলার্থে জ্ঞানবান হইবে, যদি নিন্দা কর, একাই তাহা বহন করিবে।
জ্ঞানবানের ওষ্ঠাধরে প্রজ্ঞা পাওয়া যায়, কিন্তু বুদ্ধিবিহীনের পৃষ্ঠের জন্য দণ্ড রহিয়াছে।
বুদ্ধিমানের মনে অনুযোগ যত লাগে, হীনবুদ্ধির মনে এক শত প্রহারও তত লাগে না।
হীনবুদ্ধির ওষ্ঠ বিবাদ সঙ্গে করিয়া আইসে, তাহার মুখ মার মার বলিয়া ডাকে।
ঘোড়ার জন্য চাবুক, গাধার জন্য বল্গা, আর হীনবুদ্ধিদের পৃষ্ঠের জন্য দণ্ড।
অতএব তোমরা নিন্দায় রত হইও না, পাছে তোমাদের বন্ধন দৃঢ়তর হয়; কেননা প্রভুর মুখে, বাহিনীগণের সদাপ্রভুরই মুখে আমি সমস্ত পৃথিবীর জন্য উচ্ছেদের, নিরূপিত উচ্ছেদের কথা শুনিয়াছি।
কেননা দুর্দ্দান্ত লোক আর নাই, নিন্দক লুপ্ত হইল, যে সকল লোক অধর্ম্মে উৎসুক, তাহারা উচ্ছিন্ন হইল।
অতএব দেখিও, ভাববাদিগণের গ্রন্থে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা যেন তোমাদের প্রতি না ঘটে,
কেননা প্রভু যাহাকে প্রেম করেন, তাহাকেই শাসন করেন, যে কোন পুত্রকে গ্রহণ করেন, তাহাকেই প্রহার করেন।”
প্রথমে ইহা জ্ঞাত হও যে, শেষকালে উপহাসের সহিত উপহাসকেরা উপস্থিত হইবে; তাহারা আপন আপন অভিলাষ অনুসারে চলিবে,