হীনবুদ্ধির মুখ তাহার সর্ব্বনাশজনক, তাহার ওষ্ঠ তাহার প্রাণের ফাঁদ।
Cross references
তখন তাহাকে দেখিবামাত্র তিনি বস্ত্র ছিঁড়িয়া কহিলেন, হায় হায়, আমার বৎসে, তুমি আমাকে বড় ব্যাকুল করিলে; আমার কষ্টদায়কদের মধ্যে তুমি এক জন হইলে; কিন্তু আমি সদাপ্রভুর কাছে মুখ খুলিয়াছি, আর অন্যথা করিতে পারিব না।
ঐ দিবসে ইস্রায়েল লোকেরা দুর্দ্দশাপন্ন হইয়াছিল, কিন্তু শৌল লোকদিগকে এই দিব্য করাইয়াছিলেন, সায়ংকালের পূর্ব্বে, আমি যে পর্য্যন্ত আমার শত্রুগণকে প্রতিফল না দিই, সে পর্য্যন্ত যে কেহ খাদ্য গ্রহণ করিবে, সে শাপগ্রস্ত হইক। এই জন্য লোকদের মধ্যে কেহই খাদ্য দ্রব্য স্পর্শ করিল না।
এইরূপে তাহারা উছোট খাইবে; তাহাদের জিহ্বা তাহাদের বিপক্ষ হইবে; যত লোক তাহাদিগকে দেখিবে, সকলে মাথা নাড়িবে।
যাহারা আমাকে ঘেরে, তাহাদের মস্তক তাহাদের ওষ্ঠাধরের দৌরাত্ম্যে আচ্ছাদিত হউক;
দুষ্ট নিজ অপরাধসমূহে ধরা পড়ে, সে নিজ পাপ-পাশে বদ্ধ হয়।
তবে আপন মুখের কথায় ফাঁদে পতিত হইয়াছ, আপন মুখের কথায় ধৃত হইয়াছ।
বিজ্ঞচিত্ত লোক আজ্ঞা গ্রহণ করে, কিন্তু অজ্ঞান বাচাল পতিত হইবে।
জ্ঞানবানেরা জ্ঞান সঞ্চয় করে, কিন্তু অজ্ঞানের মুখ আসন্ন সর্ব্বনাশ।
ওষ্ঠের অধর্ম্মে দুর্জ্জনের ফাঁদ থাকে, কিন্তু ধার্ম্মিক সঙ্কট হইতে উত্তীর্ণ হয়।
যে মুখ সাবধানে রাখে, সে প্রাণ রক্ষা করে; যে ওষ্ঠাধর খুলিয়া দেয়, তাহার সর্ব্বনাশ হয়।
অজ্ঞানের মুখে অহঙ্কারের দণ্ড থাকে; কিন্তু জ্ঞানবানদের ওষ্ঠ তাহাদিগকে রক্ষা করে।
বিবেচনা বিবেচকের পক্ষে জীবনের উনুই; কিন্তু অজ্ঞানতা অজ্ঞানদের শাস্তি।
মন্ত্রমুগ্ধ হইবার পূর্ব্বে যদি সর্পে দংশন করে, তবে মন্ত্রপাঠকের দ্বারা কিছু ফল নাই।
আর তিনি শপথ করিয়া তাহাকে কহিলেন, অর্দ্ধেক রাজ্য পর্য্যন্ত হউক, আমার কাছে যাহা চাহিবে, তাহাই তোমাকে দিব।
তাহারা প্রধান যাজকদের ও প্রাচীনবর্গের নিকটে গিয়া কহিল, আমরা এক মহা অভিশাপে আপনাদিগকে আবদ্ধ করিয়াছি, যে পর্য্যন্ত পৌলকে বধ না করিব, সে পর্য্যন্ত কিছুরই স্বাদ গ্রহণ করিব না।