যে কেহ সতর্ক, সে জ্ঞানপূর্ব্বক কর্ম্ম করে; কিন্তু হীনবুদ্ধি মূর্খতা বিস্তার করে।
Cross references
নাবল উত্তর করিয়া দায়ূদের দাসদিগকে কহিল, দায়ূদ কে? যিশয়ের পুত্র কে? এই সময়ে অনেক দাস আপন আপন প্রভু হইতে পৃথক্ হইয়া বেড়াইতেছে।
অতএব এখন আপনার কি কর্ত্তব্য, তাহা বিবেচনা করিয়া বুঝুন, কেননা আমাদের কর্ত্তার ও তাঁহার সমস্ত কুলের বিরুদ্ধে অমঙ্গল স্থির হইয়াছে; কিন্তু তিনি এমন পাষণ্ড যে, তাঁহাকে কোন কথা কহিতে পারা যায় না।
বিনয় করি, আমার প্রভু সেই পাষণ্ডকে অর্থাৎ নাবলকে গণনার মধ্যে ধরিবেন না; তাহার যেমন নাম, সেও তেমনি। তাহার নাম নাবল [মূর্খ], তাহার অন্তরে মূর্খতা। কিন্তু আপনার এই দাসী আমি আমার প্রভুর প্রেরিত যুবকদিগকে দেখি নাই।
যে জন কৃপা করে ও ঋণ দেয়, তাহার মঙ্গল হয়; সে বিচারে আপনার কথা নিষ্পন্ন করিবে।
মিথ্যাবাদী ওষ্ঠ সদাপ্রভুর ঘৃণিত; কিন্তু যাহারা বিশ্বস্ততায় চলে, তাহারা তাঁহার সন্তোষ-পাত্র।
সতর্ক লোক জ্ঞান আচ্ছাদন করে; কিন্তু হীনবুদ্ধিদের হৃদয় অজ্ঞানতা প্রচার করে।
জ্ঞানবানের হৃদয়ে প্রজ্ঞা বিশ্রাম করে, কিন্তু হীনবুদ্ধিদের অন্তরে যাহা থাকে, তাহা প্রকাশ হইয়া পড়ে।
জ্ঞানীদের জিহ্বা উত্তমরূপে জ্ঞান ব্যক্ত করে; কিন্তু হীনবুদ্ধিদের মুখ অজ্ঞানতা উদগার করে।
যে অভিমানী ও উদ্ধত, তাহার নাম নিন্দক; সে দর্পের প্রাবল্যে কর্ম্ম করে।
আবার পথে চলিবার সময়েও অজ্ঞানের হৃদয় শূন্য, আর সে প্রত্যেক জনকে বলে যে, সে অজ্ঞান।
তাহার মুখনির্গত কথার আরম্ভই অজ্ঞানতা, ও তাহার মুখের শেষফল দুঃখদায়ক প্রলাপ।
দেখ, আমার দাস কৃতকার্য্য হইবেন; তিনি উচ্চ ও উন্নত ও মহামহিম হইবেন।
দেখ, কেন্দুয়াদের মধ্যে যেমন মেষ, তেমনি আমি তোমাদিগকে প্রেরণ করিতেছি; অতএব তোমরা সর্পের ন্যায় সতর্ক ও কপোতের ন্যায় অমায়িক হও।
কেননা তোমাদের আজ্ঞাবহতার কথা সকল লোকের নিকটে ব্যাপিয়াছে। অতএব তোমাদের জন্য আমি আনন্দ করিতেছি; কিন্তু আমার ইচ্ছা এই যে, তোমরা উত্তম বিষয়ে বিজ্ঞ ও মন্দ বিষয়ে অমায়িক হও।
ভ্রাতৃগণ, তোমরা বুদ্ধিতে বালক হইও না, বরঞ্চ হিংসাতে শিশুগণের ন্যায় হও, কিন্তু বুদ্ধিতে পরিপক্ব হও।
এই কারণ নির্ব্বোধ হইও না, কিন্তু প্রভুর ইচ্ছা কি তাহা বুঝ।