তাহার মুখনির্গত কথার আরম্ভই অজ্ঞানতা, ও তাহার মুখের শেষফল দুঃখদায়ক প্রলাপ।
Cross references
পরে সপ্তম দিবস হইলে তাহারা শিম্শোনের স্ত্রীকে কহিল, তুমি আপনার স্বামীকে ফুস্লাও, যাহাতে তিনি প্রহেলিকার অর্থ আমাদিগকে বলেন; নতুবা আমরা তোমাকে ও তোমার পিতৃকুলকে আগুনে পোড়াইয়া মারিব। তোমরা কি আমাদিগকে দরিদ্র করণার্থেই এ স্থানে নিমন্ত্রণ করিয়াছ? ইহাই কি নয়?
তথাপি সে দিন শৌল কিছুই বলিলেন না, কেননা মনে মনে ভাবিলেন, তাহার কিছু হইয়াছে, সে শুচি নয়, সে অবশ্য অশুচি হইয়া থাকিবে।
তখন শৌল আপনার চতুর্দ্দিকে দণ্ডায়মান আপন দাসগণকে কহিলেন, হে বিন্যামীনীয়েরা, শ্রবণ কর। যিশয়ের পুত্র কি তোমাদের প্রত্যেক জনকেই ক্ষেত্র ও দ্রাক্ষার উদ্যান দিবে? সে কি তোমাদের সকলকেই সহস্রপতি ও শতপতি করিবে?
কিন্তু রাজা কহিলেন, হে অহীমেলক, তোমাকে ও তোমার সমস্ত পিতৃকুলকে মরিতে হইবে।
নাবল উত্তর করিয়া দায়ূদের দাসদিগকে কহিল, দায়ূদ কে? যিশয়ের পুত্র কে? এই সময়ে অনেক দাস আপন আপন প্রভু হইতে পৃথক্ হইয়া বেড়াইতেছে।
আর দেখ, ইস্রায়েলের সমস্ত লোক রাজার নিকটে আসিয়া রাজাকে কহিল, আমাদের ভ্রাতা যিহূদার লোকেরা কেন আপনাকে চুরি করিয়া আনিল? মহারাজকে আপনার পরিজনদিগকে ও দায়ূদের সঙ্গে তাঁহার সমস্ত লোককে, যর্দ্দন পার করিয়া কেন আনিল?
রাজা কহিলেন, যদি সদাপ্রভু তোমাকে রক্ষা না করেন, আমি কোথা হইতে তোমাকে রক্ষা করিব? কি খামার হইতে? না দ্রাক্ষাপেষণকুণ্ড হইতে?
পরে তিনি কহিলেন, অদ্য যদি শাফটের পুত্র ইলীশায়ের মস্তক তাহার স্কন্ধে থাকে, তবে ঈশ্বর আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
যে কেহ সতর্ক, সে জ্ঞানপূর্ব্বক কর্ম্ম করে; কিন্তু হীনবুদ্ধি মূর্খতা বিস্তার করে।
অজ্ঞানের সহিত জ্ঞানবানের বিবাদ হইলে, সে রাগ করুক কি হাস্য করুক, কিছুতেই শান্তি হয় না।
তুমি আপন মুখকে বেগে কথা কহিতে দিও না, এবং ঈশ্বরের সাক্ষাতে কথা উচ্চারণ করিতে তোমার হৃদয় ত্বরান্বিত না হউক; কেননা ঈশ্বর স্বর্গে ও তুমি পৃথিবীতে, অতএব তোমার কথা অল্প হউক।
তখন হেরোদ সেই পণ্ডিতগণকে গোপনে ডাকিয়া, ঐ তারা কোন্ সময়ে দেখা গিয়াছিল, তাহা তাঁহাদের নিকটে বিশেষ করিয়া জানিয়া লইলেন।
পরে হেরোদ যখন দেখিলেন যে, তিনি পণ্ডিতগণ কর্ত্তৃক তুচ্ছীকৃত হইয়াছেন, তখন মহাক্রুদ্ধ হইলেন, এবং সেই পণ্ডিতদের নিকটে বিশেষ করিয়া যে সময় জানিয়া লইয়াছিলেন, তদনুসারে দুই বৎসর ও তাহার অল্প বয়সের যত বালক বৈৎলেহম ও তাহার সমস্ত পরিসীমার মধ্যে ছিল, লোক পাঠাইয়া সে সকলকে বধ করাইলেন।
তাহাতে কএক জন ফরীশী কহিল, বিশ্রামবারে যাহা করা বিধেয় নয়, তোমরা কেন তাহা করিতেছ?
কিন্তু তাহারা উন্মত্ততায় পূর্ণ হইল, আর যীশুর প্রতি কি করিবে, তাহাই পরস্পর বলাবলি করিতে লাগিল।
ফরীশী দেখিয়া আশ্চর্য্য জ্ঞান করিল যে, ভোজনের অগ্রে তিনি স্নান করেন নাই।
তিনি সেখান হইতে বাহির হইয়া আসিলে অধ্যাপক ও ফরীশীগণ তাঁহাকে অত্যন্ত পীড়াপীড়ি করিতে, ও নানা বিষয়ে কথা বলাইবার জন্য উত্তেজনা করিতে লাগিল,
কিন্তু প্রধান যাজকেরা মন্ত্রণা করিল, যেন লাসারকেও বধ করিতে পারে;
আমরা তোমাদিগকে এই নামে উপদেশ দিতে দৃঢ়রূপে নিষেধ করিয়াছিলাম; তথাপি দেখ, তোমরা আপনাদের উপদেশে যিরূশালেম পরিপূর্ণ করিয়াছ, এবং সেই ব্যক্তির রক্ত আমাদের উপরে বর্ত্তাইতে মনস্থ করিতেছ।
কিন্তু যাহাকে লিবর্ত্তীনদের সমাজ-গৃহ বলে, তাহার কয়েক জন, এবং কোন কোন কুরীণীয় ও আলেক্সান্দ্রীয় লোক, এবং কিলিকিয়া ও এশিয়ার কতকগুলি লোক উঠিয়া স্তিফানের সহিত বাদানুবাদ করিতে লাগিল।
এই কথা শুনিয়া তাহারা মর্ম্মাহত হইল, তাঁহার প্রতি দন্তঘর্ষণ করিতে লাগিল।
কারণ দীমীত্রিয় নামে এক জন স্বর্ণকার দীয়ানার রৌপ্যময় মন্দির নির্ম্মাণ করিত, এবং শিল্পকরদিগকে যথেষ্ট কাজ যোগাইয়া দিত।