সে এমন এক ব্যক্তির তুল্য, যে গৃহ নির্ম্মাণ করিতে গিয়া খনন করিল, খুঁড়িয়া গভীর করিল, ও পাষাণের উপরে ভিত্তিমূল স্থাপন করিল; পরে বন্যা আসিলে সেই গৃহে জলস্রোত বেগে বহিল, কিন্তু তাহা হেলাইতে পারিল না, কারণ তাহা উত্তমরূপে নির্ম্মিত হইয়াছিল।
Cross references
কিন্তু যিশুরূণ হৃষ্টপুষ্ট হইয়া পদাঘাত করিল। তুমি হৃষ্টপুষ্ট, স্থূল ও তৃপ্ত হইলে; অমনি সে আপন নির্ম্মাতা ঈশ্বরকে ছাড়িল, আপন পরিত্রাণের শৈলকে লঘু জ্ঞান করিল।
তুমি আপন জন্মদাতা শৈলের প্রতি উদাসীন, আপন জনক ঈশ্বরকে বিস্মৃত হইলে।
কেননা উহাদের শৈল আমাদের শৈলের তুল্য নয়, আমাদের শত্রুরাও এইরূপ বিচার করে।
সদাপ্রভুর ন্যায় পবিত্র কেহ নাই, তুমি ব্যতীত আর কেহ নাই, আমাদের ঈশ্বরের তুল্য শৈল নাই।
তিনি কহিলেন, সদাপ্রভু মম শৈল, মম দুর্গ ও মম রক্ষাকর্ত্তা,
কেননা আমি মৃত্যুর তরঙ্গে বেষ্টিত, পাষণ্ডের বন্যাতে আশঙ্কিত ছিলাম;
কারণ সদাপ্রভু ব্যতীত আর ঈশ্বর কে আছে? আমাদের ঈশ্বর ব্যতীত আর শৈল কে আছে?
সদাপ্রভু জীবিত, মম শৈল ধন্য হউন; মম ত্রাণ-শৈল ঈশ্বর উন্নত হউন।
ইস্রায়েলের ঈশ্বর কহিয়াছেন, ইস্রায়েলের শৈল আমাকে বলিয়াছেন, যিনি মনুষ্যদের উপরে ধার্ম্মিকতায় কর্ত্তৃত্ব করেন, যিনি ঈশ্বর-ভয়ে কর্ত্তৃত্ব করেন,
এজন্য যখন তোমাকে পাওয়া যায়, প্রত্যেক সাধু তোমার কাছে প্রার্থনা করুক, অবশ্য জলরাশির প্লাবন হইলে তাহা তাহার নিকটে আসিবে না।
ঈশ্বর আমাদের পক্ষে আশ্রয় ও বল। তিনি সঙ্কটকালে অতি সুপ্রাপ্য সহায়।
কেবল তিনিই মম শৈল ও মম পরিত্রাণ; তিনি মম উচ্চদুর্গ, আমি অতিশয় বিচলিত হইব না।
নদী সকল উঠাইয়াছে, হে সদাপ্রভু, নদী সকল আপন আপন ধ্বনি উঠাইয়াছে, নদী সকল আপন আপন তরঙ্গ উঠাইতেছে।
আইস, আমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে আনন্দগান করি, আমাদের ত্রাণ-শৈলের উদ্দেশে জয়ধ্বনি করি।
যাহারা সদাপ্রভুতে নির্ভর করে, তাহারা সিয়োন পর্ব্বতের সদৃশ, যাহা অটল ও চিরস্থায়ী।
যখন ঘূর্ণবায়ু বহিয়া যায়, দুষ্ট আর নাই; কিন্তু ধার্ম্মিক নিত্যস্থায়ী ভিত্তিমূলস্বরূপ।
তোমরা চিরকাল সদাপ্রভুতে নির্ভর রাখ; কেননা সদাপ্রভু যিহোবাতেই যুগসমূহের শৈল।
এই কারণ প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি সিয়োনে ভিত্তিমূলের নিমিত্ত এক প্রস্তর স্থাপন করিলাম; তাহা পরীক্ষাসিদ্ধ প্রস্তর বহুমূল্য কোণের প্রস্তর, অতি দৃঢ়রূপে বসান; যে ব্যক্তি বিশ্বাস করিবে, সে চঞ্চল হইবে না।
তাহাতে সদাপ্রভুর নাম হইতে পশ্চিম দেশীয়েরা, তাঁহার প্রতাপ হইতে সূর্য্যোদয়স্থানের লোকেরা ভীত হইবে; কারণ তিনি এমন প্রবল বন্যার ন্যায় আসিবেন, যাহা সদাপ্রভুর বায়ু দ্বারা তাড়িত ।
কিন্তু তিনি প্লাবনকারী বন্যা দ্বারা সেই স্থান সংহার করিবেন, এবং আপন শত্রুগণকে অন্ধকারে তাড়াইয়া দিবেন।
পরে বৃষ্টি নামিল, বন্যা আসিল, বায়ু বহিল, এবং সেই গৃহে লাগিল, তথাপি তাহা পড়িল না, কারণ পাষাণের উপরে তাহার ভিত্তিমূল স্থাপিত হইয়াছিল।
এই সমস্ত তোমাদিগকে বলিলাম, যেন তোমরা আমাতে শান্তি প্রাপ্ত হও। জগতে তোমরা ক্লেশ পাইতেছ; কিন্তু সাহস কর, আমিই জগৎকে জয় করিয়াছি।
যাইতে যাইতে তাঁহারা শিষ্যদের মন সুস্থির করিলেন, এবং তাহাদিগকে আশ্বাস দিতে লাগিলেন, যেন তাহারা বিশ্বাসে স্থির থাকে, আর কহিলেন, অনেক ক্লেশের মধ্য দিয়া আমাদিগকে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করিতে হইবে।
খ্রীষ্টের প্রেম হইতে কে আমাদিগকে পৃথক করিবে? কি ক্লেশ? কি সঙ্কট? কি তাড়না? কি দুর্ভিক্ষ? কি উলঙ্গতা? কি প্রাণ-সংশয়? কি খড়্গ?
ঈশ্বরের যে অনুগ্রহ আমাকে দত্ত হইয়াছে, তদনুসারে আমি জ্ঞানবান্ গাঁথকের ন্যায় ভিত্তিমূল স্থাপন করিয়াছি; আর তাহার উপরে অন্যে গাঁথিতেছে; কিন্তু প্রত্যেক জন দেখুক, কিরূপে সে তাহার উপরে গাঁথে।
“মৃত্যু জয়ে কবলিত হইল”। “মৃত্যু, তোমার জয় কোথায়? মৃত্যু, তোমার হুল কোথায়?”
তোমাদিগকে প্রেরিত ও ভাববাদিগণের ভিত্তিমূলের উপরে গাঁথিয়া তোলা হইয়াছে; তাহার প্রধান কোণস্থ প্রস্তর স্বয়ং খ্রীষ্ট যীশু।
তথাপি ঈশ্বর-স্থাপিত দৃঢ় ভিত্তিমূল স্থির রহিয়াছে, তাহার উপরে এই কথা মুদ্রাঙ্কিত হইয়াছে, “প্রভু জানেন, কে কে তাঁহার”; এবং “যে কেহ প্রভুর নাম করে, সে অধার্ম্মিকতা হইতে দূরে থাকুক।”
তোমরা তাঁহারই নিকটে,—মনুষ্যকর্ত্তৃক অগ্রাহ্য, কিন্তু ঈশ্বরের দৃষ্টিতে মনোনীত ও মহামূল্য জীবন্ত প্রস্তরের নিকটে
অতএব, হে ভ্রাতৃগণ, তোমরা যে আহূত ও মনোনীত, তাহা নিশ্চয় করিতে অধিক যত্ন কর, কেননা এ সকল করিলে, তোমরা কখনও উছোট খাইবে না;
কিন্তু প্রভুর দিন চোরের ন্যায় আসিবে; তখন আকাশমণ্ডল হূহূ শব্দ করিয়া উড়িয়া যাইবে, এবং মূলবস্তু সকল পুড়িয়া গিয়া বিলীন হইবে, এবং পৃথিবী ও তাহার মধ্যবর্ত্তী কার্য্য সকল পুড়িয়া যাইবে।
আর এখন, হে বৎসেরা, তাঁহাতে থাক, যেন তিনি যখন প্রকাশিত হন, তখন আমরা সাহসযুক্ত হই, তাঁহার আগমনে তাঁহা হইতে লজ্জিত না হই।
আর যিনি তোমাদিগকে উছোট খাওয়া হইতে রক্ষা করিতে, এবং আপন প্রতাপের সাক্ষাতে নির্দ্দোষ অবস্থায় সানন্দে উপস্থিত করিতে পারেন,
আর আকাশমণ্ডল সঙ্কুচ্যমান পুস্তকের ন্যায় অপসারিত হইল, এবং সমস্ত পর্ব্বত ও দ্বীপ স্ব স্ব স্থান হইতে চালিত হইল।
পরে আমি “এক বৃহৎ শ্বেতবর্ণ সিংহাসন ও যিনি তাহার উপরে বসিয়া আছেন,” তাঁহাকে দেখিতে পাইলাম; তাঁহার সম্মুখ হইতে পৃথিবী ও আকাশ পলায়ন করিল; “তাহাদের নিমিত্ত আর স্থান পাওয়া গেল না”।