আইস, আমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে আনন্দগান করি, আমাদের ত্রাণ-শৈলের উদ্দেশে জয়ধ্বনি করি।
Cross references
তখন মোশি ও ইস্রায়েল-সন্তানেরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে এই গীত গান করিলেন; তাঁহারা বলিলেন, আমি সদাপ্রভুর উদ্দেশে গান করিব; কেননা তিনি মহিমান্বিত হইলেন, তিনি অশ্ব ও তদারোহীকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলেন।
তখন মরিয়ম লোকদের কাছে এই ধুয়া গাইলেন,—তোমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে গান কর; কেননা তিনি মহামহিমান্বিত হইলেন, তিনি অশ্ব ও তদারোহীকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলেন।
কিন্তু যিশুরূণ হৃষ্টপুষ্ট হইয়া পদাঘাত করিল। তুমি হৃষ্টপুষ্ট, স্থূল ও তৃপ্ত হইলে; অমনি সে আপন নির্ম্মাতা ঈশ্বরকে ছাড়িল, আপন পরিত্রাণের শৈলকে লঘু জ্ঞান করিল।
সদাপ্রভু জীবিত, মম শৈল ধন্য হউন; মম ত্রাণ-শৈল ঈশ্বর উন্নত হউন।
তাঁহার উদ্দেশে গীত গাও, তাঁহার প্রশংসা গান কর। তাঁহার আশ্চর্য্য কর্ম্ম সকল ধ্যান কর।
আর তাঁহারা নেবল, বীণা ও তূরী বাজাইতে বাজাইতে যিরূশালেমে আসিয়া সদাপ্রভুর গৃহে গেলেন।
তাহারা সদাপ্রভুর প্রশংসা ও স্তব করিয়া পালানুসারে এই গান করিল; “তিনি মঙ্গলময়, ইস্রায়েলের প্রতি তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী”। আর সদাপ্রভুর গৃহের ভিত্তিমূল স্থাপন সময়ে সদাপ্রভুর প্রশংসা করিতে করিতে সমস্ত লোক উচ্চৈঃস্বরে জয়ধ্বনি করিল।
সেই ঈশ্বর আমার পক্ষে প্রতিশোধ দেন, জাতিগণকে আমার অধীনে দমন করেন।
আমার সহিত সদাপ্রভুর মহিমা কীর্ত্তন কর; আইস, আমরা একসঙ্গে তাঁহার নামের প্রতিষ্ঠা করি।
ঈশ্বরের উদ্দেশে স্তব কর, স্তব কর; আমাদের রাজার উদ্দেশে স্তব কর, স্তব কর।
সমস্ত পৃথিবী! ঈশ্বরের উদ্দেশে আনন্দধ্বনি কর।
হে জাতিগণ, আমাদের ঈশ্বরের ধন্যবাদ কর, তাঁহার প্রশংসাধ্বনি শ্রবণ করাও।
তোমরা আমাদের বলস্বরূপ ঈশ্বরের উদ্দেশে আনন্দধ্বনি কর, যাকোবের ঈশ্বরের উদ্দেশে জয়ধ্বনি কর।
সে আমাকে ডাকিয়া বলিবে, তুমি আমার পিতা, আমার ঈশ্বর, ও আমার পরিত্রাণের শৈল।
তোমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে নূতন গীত গাও; সমস্ত পৃথিবী! সদাপ্রভুর উদ্দেশে গীত গাও।
সমস্ত পৃথিবী! সদাপ্রভুর উদ্দেশে জয়ধ্বনি কর; উচ্চধ্বনি কর, আনন্দগান কর, প্রশংসা গাও।
সমস্ত পৃথিবী! সদাপ্রভুর উদ্দেশে জয়ধ্বনি কর;
আমি দয়া ও শাসনের বিষয় গাহিব; হে সদাপ্রভু, তোমারই প্রশংসা গান করিব।
লোকে সদাপ্রভুর স্তব করুক, তাঁহার দয়া প্রযুক্ত, মনুষ্য-সন্তানদের জন্য তাঁহার আশ্চর্য্য কর্ম্ম প্রযুক্ত।
লোকে সদাপ্রভুর স্তব করুক, তাঁহার দয়া প্রযুক্ত, মনুষ্য-সন্তানদের জন্য তাঁহার আশ্চর্য্য কর্ম্ম প্রযুক্ত!
লোকে সদাপ্রভুর স্তব করুক, তাঁহার দয়া প্রযুক্ত, মনুষ্য-সন্তানদের জন্য তাহার আশ্চর্য্য কর্ম্ম প্রযুক্ত!
সমস্ত জাতি, সদাপ্রভুর প্রশংসা কর; সমস্ত লোকবৃন্দ, তাঁহার সঙ্কীর্ত্তন কর।
সদাপ্রভুর স্তব কর, কেননা তিনি মঙ্গলময়, তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী।
তোমরা সদাপ্রভুর স্তব কর; কেননা তিনি মঙ্গলময়; —তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী—
পৃথিবীর রাজগণ ও সমস্ত জাতি; লোকপালগণ ও পৃথিবীর সকল বিচারকর্ত্তা;
শ্বাসবিশিষ্ট সকলেই সদাপ্রভুর প্রশংসা করুক। তোমরা সদাপ্রভুর প্রশংসা কর।
আর সেই দিন তোমরা বলিবে, সদাপ্রভুর স্তব কর, তাঁহার নামে ডাক, জাতিগণের মধ্যে তাঁহার ক্রিয়া সকল জ্ঞাত কর, তাঁহার নাম উন্নত, এই বলিয়া কীর্ত্তন কর।
এই স্থানে পুনর্ব্বার আমোদের রব ও আনন্দের রব, বরের রব ও কন্যার রব শুনা যাইবে; এবং তাহাদেরও রব শুনা যাইবে, যাহারা বলে, ‘বাহিনীগণের সদাপ্রভুর প্রশংসা কর, কেননা সদাপ্রভু মঙ্গলস্বরূপ, তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী,’ আর যাহারা সদাপ্রভুর গৃহে স্তবগানরূপ উপহার আনয়ন করে। কেননা পূর্ব্বকালের ন্যায় আমি এই দেশের বন্দি-দশা ফিরাইব, ইহা সদাপ্রভু বলেন।
আর যে সকল লোক তাঁহার অগ্রপশ্চাৎ যাইতেছিল, তাহারা চেঁচাইয়া বলিতে লাগিল, হোশান্না দায়ূদ-সন্তান, ধন্য, যিনি প্রভুর নামে আসিতেছেন; ঊর্দ্ধলোকে হোশান্না।
আর, সকলে একই আত্মিক পেয় পান করিয়াছিলেন; কারণ, তাঁহারা এমন এক আত্মিক শৈল হইতে পান করিতেন, যাহা তাহাদের সঙ্গে সঙ্গে যাইতেছিল; আর সেই শৈল খ্রীষ্ট।
গীত, স্তোত্র ও আত্মিক সঙ্কীর্ত্তনে পরস্পর আলাপ কর; আপন আপন অন্তঃকরণে প্রভুর উদ্দেশে গান ও বাদ্য কর;
খ্রীষ্টের বাক্য প্রচুররূপে তোমাদের অন্তরে বাস করুক; তোমরা সমস্ত বিজ্ঞতায় গীত, স্ত্রোত্র ও আত্মিক সঙ্কীর্ত্তন দ্বারা পরস্পর শিক্ষা ও চেতনা দান কর; অনুগ্রহে আপন আপন হৃদয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশে গান কর।
আর তাঁহারা এক নূতন গীত গান করেন, বলেন, ‘তুমি ঐ পুস্তক গ্রহণ করিবার ও তাহার মুদ্রা খুলিবার যোগ্য; কেননা তুমি হত হইয়াছ, এবং আপনার রক্ত দ্বারা সমুদয় বংশ ও ভাষা ও জাতি ও লোকবৃন্দ হইতে ঈশ্বরের নিমিত্ত লোকদিগকে ক্রয় করিয়াছ;
আর তাহারা সিংহাসনের সম্মুখে ও সেই চারি প্রাণীর ও প্রাচীনবর্গের সম্মুখে নূতন একটী গীত গান করে; পৃথিবী হইতে ক্রীত সেই এক লক্ষ চোয়াল্লিশ সহস্র লোক ব্যতিরেকে আর কেহ সেই গীত শিখিতে পারিল না।
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!
পরে আমি বৃহৎ লোকারণ্যের রব ও বহুজলের কল্লোল ও প্রবল মেঘগর্জ্জনের ন্যায় এই বাণী শুনিলাম, হাল্লিলূয়া, কেননা আমাদের ঈশ্বর প্রভু, যিনি সর্ব্বশক্তিমান্, তিনি রাজত্ব গ্রহণ করিলেন।