তোমরা আপন আপন নিবাস হইতে দোলনীয় নৈবেদ্যার্থে [এক ঐফার] দুই দশমাংশের দুই খান রুটী আনিবে; সূক্ষ্ম সূজি দ্বারা তাহা প্রস্তুত করিও, ও তাড়ীতে পাক করিও; তাহা সদাপ্রভুর উদ্দেশে আশুপক্বাংশ হইবে।
Cross references
তোমার পক্ক শস্য ও দ্রাক্ষারস নিবেদন করিতে বিলম্ব করিও না। তোমার প্রথমজাত পুত্রগণ আমাকে দিও।
আর তুমি শস্যচ্ছেদনের উৎসব, অর্থাৎ ক্ষেত্রে যাহা যাহা বুনিয়াছ, তাহার আশুপক্ব ফলের উৎসব পালন করিও। আর বৎসরের শেষে ক্ষেত্র হইতে ফল সংগ্রহ করণ কালে ফলসঞ্চয়ের উৎসব পালন করিও।
তোমার ভূমির আশুপক্ব ফলের অগ্রিমাংশ তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর গৃহে আনিও। ছাগবৎসকে তাহার মাতার দুগ্ধে পাক করিও না।
তুমি সাত সপ্তাহের উৎসব, অর্থাৎ কাটা গোমের আশুপক্ব ফলের উৎসব, এবং বৎসরের শেষভাগে ফলসংগ্রহের উৎসব পালন করিবে।
তুমি নিজ ভূমির আশুপক্ব ফলের অগ্রিমাংশ আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর গৃহে আনিবে। তুমি ছাগবৎসকে তাহার মাতার দুগ্ধে সিদ্ধ করিবে না।
তোমরা অগ্রিমাংশের উপহার বলিয়া তাহা সদাপ্রভুর উদ্দেশে নিবেদন করিতে পার, কিন্তু সৌরভার্থে বেদির উপরে তাহা রাখা যাইবে না।
সে মঙ্গলার্থক স্তববলির সহিত তাড়ীযুক্ত রুটী লইয়া উপহার দিবে।
তুমি ইস্রায়েল-সন্তানগণকে কহ, তাহাদিগকে বল, আমি তোমাদিগকে যে দেশ দিব, সেই দেশে প্রবিষ্ট হইয়া তোমরা যখন তদুৎপন্ন শস্য ছেদন করিবে, তখন তোমাদের কাটা শস্যের অগ্রিমাংশ বলিয়া এক আটি যাজকের নিকটে আনিবে।
আর সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন,
সে দেশে প্রবেশ করিলে পর তোমরা সেই দেশের খাদ্য ভক্ষণ কালে সদাপ্রভুর উদ্দেশে উত্তোলনীয় উপহার নিবেদন করিবে।
তোমরা উত্তোলনীয় উপহারের জন্য তোমাদের ছানা ময়দার অগ্রিমাংশ বলিয়া এক এক পিষ্টক নিবেদন করিবে; যেমন খামারের উত্তোলনীয় উপহার উত্তোলন করিয়া থাক, ইহাও সেইরূপ করিবে।
তাহারা সদাপ্রভুর উদ্দেশে আপনাদের সকল উত্তম তৈল, দ্রাক্ষারস ও গোম প্রভৃতি যে যে অগ্রিমাংশ উৎসর্গ করে, তাহা আমি তোমাকে দিলাম।
তাহাদের দেশোৎপন্ন সর্ব্বপ্রকার ফলের যে আশুপক্বাংশ তাহারা সদাপ্রভুর উদ্দেশে উপস্থিত করে, সে সমস্ত তোমার হইবে।
আবার অগ্রিমাংশের দিবসে, যখন তোমরা আপনাদের সাত সপ্তাহের উৎসবে সদাপ্রভুর উদ্দেশে নূতন ভক্ষ্য-নৈবেদ্য আনিবে, তখন তোমাদের পবিত্র সভা হইবে; তোমরা কোন শ্রমসাধ্য কর্ম্ম করিবে না।
তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু অধিকারার্থে যে দেশ তোমাকে দিতেছেন, তুমি যখন সেই দেশে প্রবিষ্ট হইয়া তাহা অধিকার করিবে,
তুমি সদাপ্রভুর সম্মান কর আপনার ধনে, আর তোমার সমস্ত দ্রব্যের অগ্রিমাংশে;
তিনি তাহাদিগকে আর এক দৃষ্টান্ত কহিলেন, স্বর্গ-রাজ্য এমন তাড়ীর তুল্য, যাহা কোন স্ত্রীলোক লইয়া তিন মাণ ময়দার মধ্যে ঢাকিয়া রাখিল, শেষে সমস্তই তাড়ীময় হইয়া উঠিল।
কেবল তাহা নয়; কিন্তু আত্মারূপ অগ্রিমাংশ পাইয়াছি যে আমরা, আমরা আপনারাও দত্তকপুত্রতার—আপন আপন দেহের মুক্তির—অপেক্ষা করিতে করিতে অন্তরে আর্ত্তস্বর করিতেছি।
কিন্তু বাস্তবিক খ্রীষ্ট মৃতগণের মধ্য হইতে উত্থাপিত হইয়াছেন, তিনি নিদ্রাগতদের অগ্রিমাংশ।
তিনি নিজ বাসনায় সত্যের বাক্য দ্বারা আমাদিগকে জন্ম দিয়াছেন, যেন আমরা তাঁহার সৃষ্ট বস্তু সকলের এক প্রকার অগ্রিমাংশ হই।
ইহারা রমণীদের সংসর্গে কলুষিত হয় নাই, কারণ ইহারা অমৈথুন। যে কোন স্থানে মেষশাবক গমন করেন, সেই স্থানে ইহারা তাঁহার অনুগামী হয়। ইহারা ঈশ্বরের ও মেষশাবকের নিমিত্ত অগ্রিমাংশ বলিয়া মনুষ্যদের মধ্য হইতে ক্রীত হইয়াছে।