পীলাত উত্তর করিলেন, আমি কি যিহূদী? তোমারই স্বজাতীয়েরা ও প্রধান যাজকেরা আমার নিকটে তোমাকে সমর্পণ করিয়াছে; তুমি কি করিয়াছ?
Cross references
মহারাজের নিকটে এই নিবেদন; যিহূদীরা আপনার নিকট হইতে আমাদের এখানে যিরূশালেমে আসিয়াছে; তাহারা সেই বিদ্রোহী মন্দ নগর নির্ম্মাণ করিতেছে; প্রাচীর সমাপ্ত করিয়াছে, ভিত্তিমূল মেরামৎ করিয়াছে।
আর সে আপন ভ্রাতৃগণের ও শমরীয় সৈন্যদলের সাক্ষাতে কহিল, এই নিস্তেজ যিহূদীরা কি করিতেছে? ইহারা কি আপনাদিগকে দৃঢ় করিবে? ইহারা কি যজ্ঞ করিবে? এক দিনে কি সমাপ্ত করিবে? কাঁথড়ার ঢিবি হইতে এই প্রস্তর সকল তুলিয়া কি সজীব করিবে?
পরে লোকেরা যীশুকে কায়াফার নিকট হইতে রাজবাটীতে লইয়া গেল; তখন প্রত্যূষকাল; আর তাহারা যেন অশুচি না হয়, কিন্তু নিস্তারপর্ব্বের ভোজ ভোজন করিতে পারে, এই জন্য আপনারা রাজবাটীতে প্রবেশ করিল না।
তখন যীশুকে দেখিয়াই প্রধান যাজকেরা ও পদাতিকেরা চেঁচাইয়া বলিল, উহাকে ক্রুশে দেও, উহাকে ক্রুশে দেও। পীলাত তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরা আপনারা ইহাকে লইয়া ক্রুশে দেও; কেননা আমি ইহার কোন দোষ পাইতেছি না।
যীশু উত্তর করিলেন, যদি ঊর্দ্ধ হইতে তোমাকে দত্ত না হইত, তবে আমার বিরুদ্ধে তোমার কোন ক্ষমতা থাকিত না; এই জন্য যে ব্যক্তি তোমার হস্তে আমাকে সমর্পণ করিয়াছে, তাহারই পাপ অধিক।
অব্রাহামের, ইস্হাকের ও যাকোবের ঈশ্বর, আমাদের পিতৃপুরুষদের ঈশ্বর, আপনার দাস সেই যীশুকে গৌরবান্বিত করিয়াছেন, যাঁহাকে তোমরা শত্রুহস্তে সমর্পণ করিয়াছিলে, এবং পীলাত যখন তাঁহাকে ছাড়িয়া দিতে স্থির করিয়াছিলেন, তখন তাঁহার সাক্ষাতে তোমরা অস্বীকার করিয়াছিলে।
কিন্তু যখন পৌল মুখ খুলিতে উদ্যত হইলেন, তখন গাল্লিয়ো যিহূদীদিগকে কহিলেন, কোন প্রকার অপরাধ কিম্বা দুষ্কার্য্য যদি হইত, তবে, হে যিহূদীরা, তোমাদের প্রতি সহিষ্ণুতা করা আমার পক্ষে যুক্তিসঙ্গত হইত;
তবে তুমি কি সেই মিস্রীয় নহ, যে ইহার পূর্ব্বে উপপ্লব করিয়াছিল, ও গুপ্তহন্তাদের মধ্যে চারি সহস্র জনকে সঙ্গে করিয়া প্রান্তরে গিয়াছিল?
লোকেরা এই পর্য্যন্ত তাঁহার কথা শুনিল, পরে উচ্চৈঃস্বরে কহিল, উহাকে পৃথিবী হইতে দূর করিয়া দেও, উহার বাঁচিয়া থাকা ত উচিত হয় নাই।
তাহাতে আমি বুঝিলাম, তাহাদের ব্যবস্থা সম্বন্ধীয় কোন কোন বিবাদ প্রযুক্ত ইহার উপরে দোষারোপ হইয়াছে, কিন্তু প্রাণদণ্ডের বা শৃঙ্খলের যোগ্য কোন দোষ প্রযুক্ত ইহার নামে অভিযোগ হয় নাই।
কিন্তু তাহার বিরুদ্ধে আপনাদের নিজ ধর্ম্ম বিষয়ে, এবং যীশু নামে কোন মৃত ব্যক্তি, যাহাকে পৌল জীবিত বলিত, তাহার বিষয়ে কয়েকটী তর্ক উপস্থিত করিল।
তবে যিহূদীর বেশি কি আছে? ত্বক্ছেদেরই বা লাভ কি? তাহা সর্ব্বপ্রকারে প্রচুর।