তাহাতে আমি বুঝিলাম, তাহাদের ব্যবস্থা সম্বন্ধীয় কোন কোন বিবাদ প্রযুক্ত ইহার উপরে দোষারোপ হইয়াছে, কিন্তু প্রাণদণ্ডের বা শৃঙ্খলের যোগ্য কোন দোষ প্রযুক্ত ইহার নামে অভিযোগ হয় নাই।
Cross references
কিন্তু বাক্য বা নাম বা তোমাদের ব্যবস্থা সম্বন্ধীয় প্রশ্ন যদি হয়, তবে তোমরা আপনারাই তাহা বুঝিবে, আমি সেই প্রকার বিষয়ের বিচারকর্ত্তা হইতে চাহি না।
কিন্তু পৌল যখন বুঝিতে পারিলেন যে, তাহাদের একাংশ সদ্দূকী ও একাংশ ফরীশী, তখন মহাসভার মধ্যে উচ্চৈঃস্বরে কহিলেন, হে ভ্রাতৃগণ, আমি ফরীশী এবং ফরীশীদের সন্তান; মৃতদের প্রত্যাশা ও পুনরুত্থান সম্বন্ধে আমার বিচার হইতেছে।
কারণ আমরা দেখিতে পাইলাম, এই ব্যক্তি মহামারীস্বরূপ, জগতের সমস্ত যিহূদীর মধ্যে কলহ জনক, এবং নাসরতীয় দলের অগ্রণী,
পরে দেশাধ্যক্ষ পৌলকে কথা বলিবার জন্য ইঙ্গিত করিলে তিনি এই উত্তর করিলেন, আপনি অনেক বৎসর অবধি এই জাতির বিচার করিয়া আসিতেছেন, ইহা জানাতে আমি স্বচ্ছন্দে আত্মপক্ষ সমর্থন করিতেছি।
তিনি উপস্থিত হইলে যিরূশালেম হইতে আগত যিহূদীরা তাঁহার চারিদিকে দাঁড়াইয়া তাঁহার বিপক্ষে অনেক ভারী ভারী দোষের কথা উত্থাপন করিতে লাগিল, কিন্তু তাহার প্রমাণ দর্শাইতে পারিল না।
তবে যদি আমি অপরাধী হই, এবং মৃত্যুর যোগ্য কিছু করিয়া থাকি, তাহা হইলে মরিতে অস্বীকার করি না; কিন্তু ইহারা আমার উপরে যে সকল দোষারোপ করিতেছে, এ সকল যদি কিছুই না হয় তবে ইহাদের হস্তে আমাকে সমর্পণ করিতে কাহারও অধিকার নাই; আমি কৈসরের নিকটে আপীল করি।
কিন্তু তাহার বিরুদ্ধে আপনাদের নিজ ধর্ম্ম বিষয়ে, এবং যীশু নামে কোন মৃত ব্যক্তি, যাহাকে পৌল জীবিত বলিত, তাহার বিষয়ে কয়েকটী তর্ক উপস্থিত করিল।
কিন্তু আমি দেখিতে পাইলাম, এ প্রাণদণ্ডের যোগ্য কোন কর্ম্ম করে নাই, তথাপি এ ব্যক্তি আপনি সম্রাটের নিকট আপীল করাতে ইহাকে পাঠাইতে স্থির করিয়াছি।
আর অন্য স্থানে গিয়া পরস্পর আলাপ করিয়া বলিলেন, এই ব্যক্তি প্রাণদণ্ডের কিম্বা বন্ধনের যোগ্য কিছুই করে না।
আর তাহারা, আমার বিচার করিয়া প্রাণদণ্ডের যোগ্য কোন দোষ না পাওয়াতে, আমাকে মুক্তি দিতে চাহিয়াছিল;