তোমরা প্রচুর খাদ্য ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে, এবং তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর নামের প্রশংসা করিবে, যিনি তোমাদের প্রতি আশ্চর্য্য ব্যবহার করিয়াছেন; আর আমার প্রজাগণ কদাচ লজ্জিত হইবে না।
Cross references
বিনয় করি, আপনার কাছে যে উপঢৌকন আনা হইয়াছে, তাহা গ্রহণ করুন; কেননা ঈশ্বর আমার প্রতি অনুগ্রহ করিয়াছেন, এবং আমার সকলই আছে। এইরূপ সাধ্যসাধনা করিলে এষৌ তাহা গ্রহণ করিলেন।
আর ভূমি নিজ ফল উৎপন্ন করিবে, তাহাতে তোমরা তৃপ্তি পর্য্যন্ত ভোজন করিবে, ও দেশে নির্ভয়ে বাস করিবে।
তোমাদের শস্যমর্দ্দনকাল দ্রাক্ষাচয়নকাল পর্য্যন্ত থাকিবে, ও দ্রাক্ষাচয়নকাল বীজবপনকাল পর্য্যন্ত থাকিবে; এবং তোমরা তৃপ্তি পর্য্যন্ত অন্ন ভোজন করিবে, ও নিরাপদে নিজ দেশে বাস করিবে।
আমি তোমাদের অন্নরূপ যষ্টি ভাঙ্গিলে দশ জন স্ত্রীলোক এক তুন্দুরে তোমাদের রুটী পাক করিবে, ও তোমাদের রুটী তৌল করিয়া তোমাদিগকে দিবে, কিন্তু তোমরা তাহা খাইয়া তৃপ্ত হইবে না।
এবং যাহাতে কিছুই সঞ্চয় কর নাই, উত্তম উত্তম দ্রব্যে পরিপূর্ণ এমন সকল গৃহ, ও যাহা খুদ নাই, এমন সকল খনিত কূপ, এবং যাহা প্রস্তুত কর নাই, এমন সকল দ্রাক্ষাক্ষেত্র ও জিতক্ষেত্র পাইয়া যখন তুমি ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে,
আর তুমি ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে, এবং তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর দত্ত সেই উত্তম দেশের নিমিত্ত তাঁহার ধন্যবাদ করিবে।
আর সেই স্থানে তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে ভোজন করিবে; এবং তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু হইতে প্রাপ্ত আশীর্ব্বাদানুসারে যে কিছুতে হস্তার্পণ করিবে, তাহাতেই সপরিবারে আনন্দ করিবে।
আর তোমরা, তোমাদের পুত্রকন্যাগণ ও তোমাদের দাসদাসীগণ, আর তোমাদের নগরদ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয়, যাহার অংশ ও অধিকার তোমাদের মধ্যে নাই, তোমরা সকলে আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে আনন্দ করিবে।
কিন্তু তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু যে স্থান মনোনীত করিবেন, সেই স্থানে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তুমি, তোমার পুত্রকন্যা, তোমার দাসদাসী ও তোমার নগর-দ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয়, সকলে তাহা ভোজন করিবে, এবং তুমি যে কিছুতে হস্তার্পণ করিবে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তাহাতেই আনন্দ করিবে।
এখন, হে সদাপ্রভু, দেখ, তুমি আমাকে যে ভূমি দিয়াছ, তাহার ফলের অগ্রিমাংশ আমি আনিয়াছি। এই বলিয়া তুমি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তাহা রাখিয়া আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে প্রণিপাত করিবে।
তাহাতে তাহারা প্রাচীরবেষ্টিত অনেক নগর ও উর্ব্বরা ভূমি লইল, এবং সমুদয় উত্তম দ্রব্যে পরিপূর্ণ গৃহ, খনিত কূপ, দ্রাক্ষাক্ষেত্র, জিতক্ষেত্র ও প্রচুর ফলবৃক্ষ অধিকার করিল, এবং ভোজন করিয়া তৃপ্ত ও পুষ্ট হইল, এবং তোমার কৃত মহা মঙ্গলে আপ্যায়িত হইল।
আমি সদাপ্রভুর উদ্দেশে গীত গাহিব, কেননা তিনি আমার মঙ্গল করিয়াছেন।
নম্রগণ ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে, সদাপ্রভুর অন্বেষীরা তাঁহার প্রশংসা করিবে; তোমাদের অন্তঃকরণ নিত্যজীবী হউক।
হে আমার ঈশ্বর, আমি তোমারই শরণ লইয়াছি, আমাকে লজ্জিত হইতে দিও না; আমার শত্রুগণ আমার উপরে উল্লাস না করুক।
তাহারা বিপৎকালে লজ্জিত হইবে না, দুর্ভিক্ষের সময়ে তৃপ্ত হইবে।
ধন্য সদাপ্রভু ঈশ্বর, ইস্রায়েলর ঈশ্বর; কেবল তিনিই আশ্চর্য্য ক্রিয়া করেন।
তিনি উত্তম দ্রব্যে তোমার মুখ তৃপ্ত করেন, ঈগল পক্ষীর ন্যায় তোমার নূতন যৌবন হয়।
হে আমার প্রাণ, তোমার বিশ্রাম-স্থানে ফিরিয়া যাও, কেননা সদাপ্রভু তোমার মঙ্গল করিয়াছেন।
তৎকালে আমাদের মুখ হাস্যে পূর্ণ হইল, আমাদের জিহ্বা আনন্দগানে পূর্ণ হইল; তৎকালে জাতিগণের মধ্যে লোকে বলিল, সদাপ্রভু উহাদের নিমিত্ত মহৎ মহৎ কর্ম্ম করিয়াছেন।
ধার্ম্মিক প্রাণের তৃপ্তি পর্য্যন্ত আহার করে, কিন্তু দুষ্টদের উদর শূন্য থাকে।
আমি নিদ্রিতা ছিলাম, কিন্তু আমার হৃদয় জাগিয়াছিল; আমার প্রিয়ের স্বর, তিনি দ্বারে আঘাত করিয়া কহিলেন,
হে সদাপ্রভু, তুমি আমার ঈশ্বর; আমি তোমার প্রতিষ্ঠা করিব, তোমার নামের প্রশংসা করিব; কেননা তুমি আশ্চর্য্য কার্য্য করিয়াছ; পুরাকালীন মন্ত্রণা সকল সাধন করিয়াছ, বিশ্বস্ততায় ও সত্যে।
অতএব অব্রাহামের মুক্তিদাতা সদাপ্রভু যাকোবকুলের বিষয়ে এই কথা কহেন, যাকোব এখন লজ্জিত হইবে না, তাহার মুখ এখন মলিন থাকিবে না।
কিন্তু ইস্রায়েল সদাপ্রভু কর্ত্তৃক অনন্তকালস্থায়ী পরিত্রাণ প্রাপ্ত হইয়াছে; তোমরা অনন্তকালেও কখনও লজ্জিত কি বিষণ্ণ হইবে না।
আর রাজগণ তোমার রক্ষণাবেক্ষণকারী পালক ও তাহাদের রাণীরা তোমার ধাত্রী হইবে; তাহারা ভূমিতে মুখ দিয়া তোমার কাছে প্রণিপাত করিবে, ও তোমার চরণের ধূলি চাটিবে; আর তুমি জানিতে পারিবে, আমিই সদাপ্রভু; যাহারা আমার অপেক্ষা করে, তাহারা লজ্জিত হইবে না।
ভয় করিও না, কেননা তুমি লজ্জা পাইবে না; বিষণ্ণ হইও না, কেননা তুমি অপ্রতিভ হইবে না; কারণ তুমি আপন যৌবনের অপমান ভুলিয়া যাইবে, আর তোমার বৈধব্যের দুর্নাম স্মরণে থাকিবে না।
কেন অখাদ্যের নিমিত্ত রৌপ্য তৌল করিতেছ, যাহাতে তৃপ্তি নাই, তাহার জন্য স্বস্ব শ্রমফল দিতেছ? শুন, আমার কথা শুন, উত্তম ভক্ষ্য ভোজন কর, পুষ্টিকর দ্রব্যে তোমাদের প্রাণ আপ্যায়িত হউক।
সদাপ্রভু আপন দক্ষিণ হস্ত ও আপন বলবান্ বাহু তুলিয়া শপথ করিয়াছেন, নিশ্চয় আমি অন্নের নিমিত্ত তোমার শত্রুদিগকে তোমার গোম আর দিব না, এবং বিজাতি-সন্তানেরা তোমার পরিশ্রম দ্বারা প্রস্তুত তোমার দ্রাক্ষারস আর পান করিতে পাইবে না;
বরং আমি তোমাদের নিকট হইতে উত্তর দেশীয় [সৈন্য] দূর করিব, এবং তাহাকে শুষ্ক ও ধ্বংসিত দেশে তাড়াইয়া দিব, পূর্ব্ব সমুদ্রের দিকে তাহার অগ্রভাগ, ও পশ্চিম সমুদ্রের দিকে তাহার পশ্চাদ্ভাগ ফেলিয়া দিব; আর তাহার দুর্গন্ধ উঠিবে ও পূতিগন্ধ উঠিবে, কারণ সে মহৎ মহৎ কর্ম্ম করিয়াছে।
তুমি আহার করিবে, তথাপি তৃপ্ত হইবে না, কিন্তু তোমার মধ্যে ক্ষীণতা থাকিবে; তুমি স্থানান্তর করিবে, কিন্তু কিছু বাঁচাইতে পারিবে না; যাহা বাঁচাইবে, তাহা আমি খড়্গকে দিব।
তুমি আপনার যে সকল ক্রিয়াতে আমার কাছে অপরাধিনী হইয়াছ, তৎপ্রযুক্ত সে দিন লজ্জিতা হইবে না; কেননা সেই সময়ে আমি তোমার দর্পযুক্ত উল্লাসকারী লোকদিগকে তোমার মধ্য হইতে হরণ করিব; তাহাতে তুমি আমার পবিত্র পর্ব্বতে আর অহঙ্কার করিবে না।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু তাহাদিগকে রক্ষা করিবেন, তাহাতে তাহারা গ্রাস করিবে, ও ফিঙ্গার প্রস্তর সকল পদতলে দলিত করিবে; আর তাহারা পান করিবে, এবং দ্রাক্ষারসে মত্ত লোকের ন্যায় শব্দ করিবে; আর তাহারা বৃহৎ পানপাত্রের ন্যায় পূর্ণ হইবে, যজ্ঞবেদির কোণের ন্যায় হইবে।
আঃ! তাহাদের কেমন মঙ্গল ও কেমন শোভা! শস্য যুবকদিগকে ও নূতন দ্রাক্ষারস যুবতীদিগকে সতেজ করিবে।
আর প্রত্যাশা লজ্জাজনক হয় না, যেহেতুক আমাদিগকে দত্ত পবিত্র আত্মা দ্বারা ঈশ্বরের প্রেম আমাদের হৃদয়ে সেচিত হইয়াছে।
তাহারা সেই ব্যাঘাতজনক প্রস্তরে ব্যাঘাত পাইল; যেমন লেখা আছে, “দেখ, আমি সিয়োনে ব্যাঘাতজনক প্রস্তর ও বিঘ্নজনক পাষাণ স্থাপন করিতেছি; আর যে তাঁহার উপরে বিশ্বাস করে, সে লজ্জিত হইবে না।”
কেননা শাস্ত্র বলে, “যে কেহ তাঁহার উপরে বিশ্বাস করে, সে লজ্জিত হইবে না।”
তাহারা বিবাহ নিষেধ করে, এবং বিবিধ খাদ্যের ব্যবহার নিষেধ করে, যাহা যাহা ঈশ্বর এই অভিপ্রায়ে সৃষ্টি করিয়াছেন, যেন, যাহারা বিশ্বাসী ও সত্যের তত্ত্ব জানে, তাহারা ধন্যবাদ-পূর্ব্বক ভোজন করে।
যাহারা এই যুগে ধনবান্, তাহাদিগকে এই আজ্ঞা দেও, যেন তাহারা গর্ব্বিতমনা না হয়, এবং ধনের অস্থিরতার উপরে নয়, কিন্তু যিনি ধনবানের ন্যায় সকলই আমাদের ভোগার্থে যোগাইয়া দেন, সেই ঈশ্বরেরই উপরে প্রত্যাশা রাখে;
আর এখন, হে বৎসেরা, তাঁহাতে থাক, যেন তিনি যখন প্রকাশিত হন, তখন আমরা সাহসযুক্ত হই, তাঁহার আগমনে তাঁহা হইতে লজ্জিত না হই।