আর সেই স্থানে তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে ভোজন করিবে; এবং তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু হইতে প্রাপ্ত আশীর্ব্বাদানুসারে যে কিছুতে হস্তার্পণ করিবে, তাহাতেই সপরিবারে আনন্দ করিবে।
Cross references
আর প্রথম দিবসে তোমরা শোভাদায়ক বৃক্ষের ফল, খর্জ্জুর-পত্র, জড়ান গাছের শাখা এবং নদীতীরস্থ বাইসী-বৃক্ষ লইয়া তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে সাত দিন আনন্দ করিবে।
আর তোমরা, তোমাদের পুত্রকন্যাগণ ও তোমাদের দাসদাসীগণ, আর তোমাদের নগরদ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয়, যাহার অংশ ও অধিকার তোমাদের মধ্যে নাই, তোমরা সকলে আপনাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে আনন্দ করিবে।
কিন্তু তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু যে স্থান মনোনীত করিবেন, সেই স্থানে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তুমি, তোমার পুত্রকন্যা, তোমার দাসদাসী ও তোমার নগর-দ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয়, সকলে তাহা ভোজন করিবে, এবং তুমি যে কিছুতে হস্তার্পণ করিবে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তাহাতেই আনন্দ করিবে।
আর তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু আপন নামের বাসার্থে যে স্থান মনোনীত করিবেন, সে স্থানে তুমি আপন শস্যের, দ্রাক্ষারসের, ও তৈলের দশমাংশ, এবং গোমেষাদি পালের প্রথমজাতদিগকে তাঁহার সম্মুখে ভোজন করিবে; এইরূপে আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুকে সর্ব্বদা ভয় করিতে শিক্ষা করিবে।
পরে সেই টাকা দিয়া তোমার প্রাণের অভিলষিত গোরু কি মেষ কি দ্রাক্ষারস কি মদ্য, বা যে কোন দ্রব্যে তোমার প্রাণের বাঞ্ছা হয়, তাহা ক্রয় করিয়া সেই স্থানে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে ভোজন করিয়া সপরিবারে আনন্দ করিবে।
সদাপ্রভু যে স্থান মনোনীত করিবেন, সেই স্থানে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তুমি সপরিবারে প্রতি বৎসর তাহা ভোজন করিবে।
আর তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু আপন নামের বাসার্থে যে স্থান মনোনীত করিবেন, সেই স্থানে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে তুমি, তোমার পুত্রকন্যা, তোমার দাসদাসী, তোমার নগর-দ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয় ও তোমার মধ্যনিবাসী বিদেশী, পিতৃহীন ও বিধবা সকলে আনন্দ করিবে।
আর তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে ও তোমার পরিবারকে যে যে মঙ্গল দান করিয়াছেন, সেই সকলেতে তুমি ও লেবীয় ও তোমার মধ্যবর্ত্তী বিদেশী, তোমরা সকলে আনন্দ করিবে।
এবং মঙ্গলার্থক বলি দান করিবে, আর সেই স্থানে ভোজন করিবে; এবং তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মুখে আনন্দ করিবে।
এবং সেই দিন মহানন্দে সদাপ্রভুর সাক্ষাতে ভোজন পান করিল। আর তাহারা দায়ূদের পুত্র শলোমনকে দ্বিতীয় বার রাজা করিল, এবং তাঁহাকে নায়ক ও সাদোককে যাজক করিয়া সদাপ্রভুর উদ্দেশে অভিষেক করিল।
ধন্য সেই জন, যে কেহ সদাপ্রভুকে ভয় করে, যে তাঁহার সকল পথে চলে।
কিন্তু তাহার লভ্য ও আয় সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র হইবে; তাহা কোষে রাখা কিম্বা সঞ্চয় করা যাইবে না; কেননা যাহারা সদাপ্রভুর সম্মুখে বাস করে, তাহাদের তৃপ্তিজনক ভক্ষ্যের ও সুন্দর পরিচ্ছদের নিমিত্ত তাহার লভ্য দত্ত হইবে।
কিন্তু যাহারা উহা সঞ্চয় করিবে, তাহারাই ভোজন করিবে, আর সদাপ্রভুর প্রশংসা করিবে; এবং যাহারা ইহা সংগ্রহ করিবে, তাহারাই আমার পবিত্র প্রাঙ্গণে পান করিবে।
অধ্যক্ষ বলিয়া কেবল অধ্যক্ষই সদাপ্রভুর সম্মুখে আহার করণার্থে ইহার মধ্যে বসিবেন; তিনি এই দ্বারের বারাণ্ডার পথ দিয়া ভিতরে আসিবেন, ও সেই পথ দিয়া বাহিরে যাইবেন।
আর তোমাদের দ্বিতীয় অপকর্ম্ম এই, তোমরা অশ্রুপাতে, রোদনে ও আর্ত্তস্বরে সদাপ্রভুর যজ্ঞবেদি আচ্ছন্ন করিয়া থাক, কারণ তিনি আর নৈবেদ্যের প্রতি দৃক্পাত করেন না, ও তোমাদের হস্ত হইতে তুষ্টিজনক বলিয়া কিছু গ্রাহ্য করেন না।
আর তাহারা প্রতিদিন একচিত্তে ধর্ম্মধামে নিবিষ্ট থাকিয়া এবং বাটীতে রুটী ভাঙ্গিয়া উল্লাসে ও হৃদয়ের সরলতায় খাদ্য গ্রহণ করিত;
তোমরা প্রভুতে সর্ব্বদা আনন্দ কর; পুনরায় বলিব, আনন্দ কর।