হে সদাপ্রভু, তুমি আমার ঈশ্বর; আমি তোমার প্রতিষ্ঠা করিব, তোমার নামের প্রশংসা করিব; কেননা তুমি আশ্চর্য্য কার্য্য করিয়াছ; পুরাকালীন মন্ত্রণা সকল সাধন করিয়াছ, বিশ্বস্ততায় ও সত্যে।
Cross references
সদাপ্রভু আমার বল ও গান, তিনি আমার পরিত্রাণ হইলেন; এই আমার ঈশ্বর, আমি তাঁহার প্রশংসা করিব; আমার পৈতৃক ঈশ্বর, আমি তাঁহার প্রতিষ্ঠা করিব।
ঈশ্বর মনুষ্য নহেন যে মিথ্যা বলিবেন; তিনি মনুষ্য-সন্তান নহেন যে অনুশোচনা করিবেন; তিনি কহিয়া কি কার্য্য করিবেন না? তিনি বলিয়া কি সিদ্ধ করিবেন না?
আর দায়ূদ সমস্ত সমাজের সাক্ষাতে সদাপ্রভুর ধন্যবাদ করিলেন। দায়ূদ কহিলেন, হে সদাপ্রভু, আমাদের পিতৃপুরুষ ইস্রায়েলের ঈশ্বর, তুমি অনাদিকাল অবধি অনন্তকাল পর্য্যন্ত ধন্য।
আমার সময় সকল তোমার হস্তে রহিয়াছে; আমার শত্রুগণের হস্ত হইতে, আমার তাড়নাকারিগণ হইতে, আমাকে উদ্ধার কর।
সদাপ্রভু জাতিগণের মন্ত্রণা ব্যর্থ করেন, তিনি লোকবৃন্দের সঙ্কল্প সকল বিফল করেন।
সদাপ্রভু, আমার ঈশ্বর, তুমিই বাহুল্যরূপে সাধন করিয়াছ, আমাদের পক্ষে তোমার আশ্চর্য্য কার্য্য সকল ও তোমার সঙ্কল্প সকল; তোমার তুল্য কেহ নাই; আমি সে সকল বলিতাম ও বর্ণনা করিতাম, কিন্তু সে সকল গণনা করা যায় না।
বলিদানে ও নৈবেদ্যে তুমি প্রীত নহ, তুমি আমার কর্ণযুগল ছিদ্রিত করিয়াছ; তুমি হোম ও পাপের নিমিত্ত বলিদান চাহ নাই;
তোমরা ক্ষান্ত হও; জানিও, আমিই ঈশ্বর; আমি জাতিগণের মধ্যে উন্নত হইব, আমি পৃথিবীতে উন্নত হইব।
‘‘আমি যখন নিরূপিত সময় উপস্থিত করিব, তখন আমিই ন্যায্য বিচার করিব।
আমরা সে সকল তাঁহাদের সন্তানগণের কাছে গুপ্ত রাখিব না, উত্তরকালীন বংশের কাছে সদাপ্রভুর প্রশংসা বর্ণনা করিব, তাঁহার পরাক্রম ও তাঁহার কৃত আশ্চর্য্য ক্রিয়া সকল বর্ণনা করিব।
তোমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে নূতন গীত গাও, কেননা তিনি আশ্চর্য্য আশ্চর্য্য কর্ম্ম করিয়াছেন; তাঁহার দক্ষিণ হস্ত ও তাঁহার পবিত্র বাহু তাঁহার পক্ষে পরিত্রাণ সাধন করিয়াছে।
তোমরা আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর প্রতিষ্ঠা কর, তাঁহার পাদপীঠের অভিমুখে প্রণিপাত কর; তিনি পবিত্র।
লোকে সদাপ্রভুর স্তব করুক, তাঁহার দয়া প্রযুক্ত, মনুষ্য-সন্তানদের জন্য তাঁহার আশ্চর্য্য কর্ম্ম প্রযুক্ত।
তিনি নিজ আশ্চর্য্য ক্রিয়া সকল স্মরণীয় করিয়াছেন; সদাপ্রভু কৃপাময় ও স্নেহশীল।
তুমি আমার ঈশ্বর, আমি তোমার স্তব করিব; তুমি আমার ঈশ্বর, আমি তোমার প্রতিষ্ঠা করিব।
আমি তোমার প্রতিষ্ঠা করিব, হে আমার ঈশ্বর, হে রাজন্, আমি অনন্তকাল তোমার নামের ধন্যবাদ করিব।
আমি যাবজ্জীবন সদাপ্রভুর প্রশংসা করিব; আমি যত কাল বাঁচিয়া থাকি, আমার ঈশ্বরের প্রশংসা গান করিব।
হে আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু, তুমি ব্যতীত অন্য প্রভুরা আমাদের উপরে কর্ত্তৃত্ব করিয়াছিল; কিন্তু কেবল তোমারই সাহায্যে আমরা তোমার নামের কীর্ত্তন করিব।
ইহাও বাহিনীগণের সদাপ্রভু হইতে হয়; তিনি মন্ত্রণাতে আশ্চর্য্য ও বুদ্ধিকৌশলে মহান্।
আমি শেষের বিষয় আদি অবধি জ্ঞাত করি, যাহা সাধিত হয় নাই, তাহা পূর্ব্বে জানাই, আর বলি, আমার মন্ত্রণা স্থির থাকিবে, আমি আপনার সমস্ত মনোরথ সিদ্ধ করিব।
আমি পূর্ব্ব দিক্ হইতে হিংস্র পক্ষীকে, দূরদেশ হইতে আমার মন্ত্রণার মনুষ্যকে, আহ্বান করি; আমি বলিয়াছি, আর আমি সফল করিব; আমি কল্পনা করিয়াছি, আর আমি সিদ্ধ করিব।
‘আমি সদাপ্রভুতে অতিশয় আনন্দ করিব, আমার প্রাণ আমার ঈশ্বরে উল্লাস করিবে; কেননা বর যেমন যাজকীয় সজ্জার ন্যায় শিরোভূষণ পরে, কন্যা যেমন আপন রত্নরাজি দ্বারা আপনাকে অলঙ্কৃতা করে, তেমনি তিনি আমাকে পরিত্রাণ-বস্ত্র পরাইয়াছেন, ধার্ম্মিকতা-পরিচ্ছদে পরিচ্ছন্ন করিয়াছেন।’
হা, প্রভু সদাপ্রভু! দেখ, তুমিই আপন মহাপরাক্রম ও বিস্তারিত বাহু দ্বারা আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী নির্ম্মাণ করিয়াছ; তোমার অসাধ্য কিছুই নাই।
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি কি সেই ব্যক্তি, যাহার বিষয়ে আমি পূর্ব্বকালে আমার দাসগণ দ্বারা, অর্থাৎ যাহারা সেই সময়ে অনেক বৎসর ব্যাপিয়া ভাববাণী বলিত, সেই ইস্রায়েলীয় ভাববাদিগণ দ্বারা এই কথা কহিতাম যে, আমি তাহাদের বিরুদ্ধে তোমাকে আনাইব?
তোমাদের মহতী শান্তি হউক। পরাৎপর ঈশ্বর আমার পক্ষে যে সকল চিহ্ন-কার্য্য ও আশ্চর্য্য কার্য্য সাধন করিয়াছেন, তাহা আমি প্রচার করা বিহিত বুঝিলাম।
তোমরা প্রচুর খাদ্য ভোজন করিয়া তৃপ্ত হইবে, এবং তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর নামের প্রশংসা করিবে, যিনি তোমাদের প্রতি আশ্চর্য্য ব্যবহার করিয়াছেন; আর আমার প্রজাগণ কদাচ লজ্জিত হইবে না।
কারণ, ভ্রাতৃগণ, তোমরা যেন আপনাদের জ্ঞানে বুদ্ধিমান্ না হও, এজন্য আমি ইচ্ছা করি না যে, তোমরা এই নিগূঢ়তত্ত্ব অজ্ঞাত থাক যে, কতক পরিমাণে ইস্রায়েলের কঠিনতা ঘটিয়াছে, যে পর্য্যন্ত পরজাতীয়দের পূর্ণ সংখ্যা প্রবেশ না করে;
তাঁহাতেই করা যাইবে, যাঁহাতে আমরা ঈশ্বরের অধিকারস্বরূপও হইয়াছি। বাস্তবিক যিনি সকলই আপন ইচ্ছার মন্ত্রণানুসারে সাধন করেন, তাঁহার সঙ্কল্প অনুসারে আমরা পূর্ব্বে নিরূপিত হইয়াছিলাম;
এই ব্যাপারে ঈশ্বর প্রতিজ্ঞার দায়াধিকারীদিগকে আপন মন্ত্রণার অপরিবর্ত্তনীয়তা আরও অতিরিক্তরূপে দেখাইবার বাসনায় শপথের প্রয়োগ দ্বারা মধ্যস্থতা করিলেন;
আর তাঁহারা এক নূতন গীত গান করেন, বলেন, ‘তুমি ঐ পুস্তক গ্রহণ করিবার ও তাহার মুদ্রা খুলিবার যোগ্য; কেননা তুমি হত হইয়াছ, এবং আপনার রক্ত দ্বারা সমুদয় বংশ ও ভাষা ও জাতি ও লোকবৃন্দ হইতে ঈশ্বরের নিমিত্ত লোকদিগকে ক্রয় করিয়াছ;
‘আমেন; ধন্যবাদ ও গৌরব ও জ্ঞান ও প্রশংসা ও সমাদর ও পরাক্রম ও শক্তি যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে আমাদের ঈশ্বরের প্রতি বর্ত্তুক। আমেন।’
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!
পরে আমি দেখিলাম, স্বর্গ খুলিয়া গেল, আর দেখ, শ্বেতবর্ণ একটী অশ্ব; যিনি তাহার উপরে বসিয়া আছেন, তিনি বিশ্বাস্য ও সত্যময় নামে আখ্যাত, এবং তিনি ধর্ম্মশীলতায় বিচার ও যুদ্ধ করেন।