সেই যে পশুকে আমি দেখিলাম, সে “চিতাবাঘের তুল্য, আর তাহার চরণ ভল্লুকের ন্যায়, এবং মুখ সিংহমুখের ন্যায়”; আর সেই নাগ আপনার পরাক্রম ও আপনার সিংহাসন ও মহৎ কর্ত্তৃত্ব তাহাকে দান করিল।
Cross references
দায়ূদ শৌলকে কহিলেন, আপনার এই দাস পিতার মেষ রক্ষা করিতেছিল, ইতিমধ্যে এক সিংহ ও এক ভল্লুক আসিয়া পালের মধ্য হইতে মেষ ধরিয়া লইল;
তখন তিনি পশ্চাৎ দিকে মুখ ফিরাইয়া তাহাদিগকে দেখিলেন, এবং সদাপ্রভুর নামে তাহাদিগকে শাপ দিলেন; আর বন হইতে দুইটা ভল্লূকী আসিয়া তাহাদের মধ্যে বেয়াল্লিশ জন বালককে ছিঁড়িয়া ফেলিল।
নিস্তার কর আমাকে সিংহের মুখ হইতে, আর গবয়ের শৃঙ্গ হইতে—তুমি আমাকে উত্তর দিয়াছ।
বরং হৃতবৎসা ভল্লুকী মনুষ্যের সহিত সাক্ষাৎ করুক, তবু অজ্ঞানতা-মগ্ন হীনবুদ্ধি না করুক।
যেমন গর্জ্জনকারী সিংহ ও পর্য্যটনকারী ভল্লুক, তেমনি দীনহীন প্রজার উপরে দুষ্ট শাসনকর্ত্তা।
তাহাদের হুঙ্কার সিংহীর তুল্য হইবে; তাহারা সিংহশাবকের ন্যায় হুঙ্কার করিবে, হাঁ, তাহারা গর্জ্জিয়া শিকার ধরিবে, অবাধে লইয়া যাইবে, কেহ উদ্ধার করিবে না।
এই নিমিত্ত বন হইতে সিংহ আসিয়া তাহাদিগকে বধ করিবে, জঙ্গলের কেঁদুয়া তাহাদিগকে বিনষ্ট করিবে, চিতা ব্যাঘ্র তাহাদের নগরের নিকটে প্রহরী হইবে; যে কেহ নগর হইতে বাহির হইবে, সে বিদীর্ণ হইবে; কারণ তাহাদের অধর্ম্ম অধিক, তাহাদের বিপথগমন গুরুতর।
কূশীয় কি আপন ত্বক্, কিম্বা চিতাবাঘ কি আপন চিত্রবিচিত্র পরিবর্ত্তন করিতে পারে? তাহা হইলে দুষ্কর্ম্ম অভ্যাস করিয়াছ যে তোমরা, তোমরাও সৎকর্ম্ম করিতে পারিবে।
প্রথমটা সিংহের সদৃশ; এবং ঈগল পক্ষীর ন্যায় তাহার পক্ষ ছিল; আমি দেখিতে দেখিতে তাহার সেই দুই পক্ষ উৎপাটিত হইল, পরে তাহাকে ভূমি হইতে উঠাইয়া মানুষের মত দুই চরণে দাঁড় করান হইল, এবং মানুষের হৃদয় তাহাকে দত্ত হইল।
তাহারা সদাপ্রভুর অনুগমন করিবে; তিনি সিংহের ন্যায় ডাকিবেন; হাঁ, তিনি ডাকিবেন, আর পশ্চিমদিক হইতে সন্তানগণ কাঁপিতে কাঁপিতে আসিবে।
এই জন্য আমি তাহাদের পক্ষে সিংহের ন্যায় হইলাম; চিতাব্যাঘ্রের ন্যায় আমি পথের পার্শ্বে অপেক্ষায় থাকিব।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সিংহের মুখ হইতে যেমন মেষপালক দুই খানা পা কিম্বা একটী কর্ণমূল উদ্ধার করে, তেমনি সেই ইস্রায়েল-সন্তানদিগকে উদ্ধার করা যাইবে, যাহারা শমরিয়ায় শয্যায় কোণে কিম্বা খট্টার শিল্পিত চাদরে বসিয়া থাকে।
কোন ব্যক্তি যেন সিংহ হইতে পলায়ন করিল, আর ভল্লুকীর সম্মুখে পড়িল; অথবা গৃহে গিয়া ভিত্তিতে হস্ত রাখিলে সর্প তাহাকে দংশন করিল।
তাহাদের অশ্বগণ চিতাব্যাঘ্র হইতেও দ্রুতগামী ও সায়ংকালীন কেন্দুয়া হইতেও উগ্র; তাহাদের অশ্বারোহিগণ বেগবান্; তাহাদের অশ্বারোহিগণ দূর হইতে আগত; ঈগল পক্ষী যেমন ভক্ষণার্থে দ্রুতবেগে চলে, তেমনি তাহারা উড়ে।
কিন্তু প্রভু আমার নিকটে দাঁড়াইলেন, এবং আমাকে বলবান্ করিলেন, যেন আমা দ্বারা প্রচার-কার্য্য সম্পন্ন হয় এবং পরজাতীয় সকল লোক তাহা শুনিতে পায়; আর আমি সিংহের মুখ হইতে রক্ষা পাইলাম।
তোমরা প্রবুদ্ধ হও, জাগিয়া থাক; তোমাদের বিপক্ষ দিয়াবল, গর্জ্জনকারী সিংহের ন্যায়, কাহাকে গ্রাস করিবে, তাহার অন্বেষণ করিয়া বেড়াইতেছে।
আর স্বর্গমধ্যে আর এক চিহ্ন দেখা গেল, দেখ, এক প্রকাণ্ড লোহিতবর্ণ নাগ, তাহার সপ্ত মস্তক ও দশ শৃঙ্গ এবং সপ্ত মস্তকে সপ্ত কিরীট,
আর সেই মহানাগ নিক্ষিপ্ত হইল; এ সেই পুরাতন সর্প, যাহাকে দিয়াবল [অপবাদক] এবং শয়তান [বিপক্ষ] বলা যায়, সে সমস্ত নরলোকের ভ্রান্তি জন্মায়; সে পৃথিবীতে নিক্ষিপ্ত হইল, এবং তাহার দূতগণও তাহার সঙ্গে নিক্ষিপ্ত হইল।
পরে যখন ঐ নাগ দেখিল সে পৃথিবীতে নিক্ষিপ্ত হইয়াছে, তখন, যে স্ত্রীলোকটী পুত্রসন্তানটী প্রসব করিয়াছিল, সে সেই স্ত্রীলোকটীর প্রতি তাড়না করিতে লাগিল।
পরে সেই সর্প আপন মুখ হইতে স্ত্রীলোকটীর পশ্চাৎ নদীবৎ জলধারা উদগীরণ করিল, যেন তাহাকে জলস্রোতে ভাসাইয়া দিতে পারে।
আর তাহারা নাগের ভজনা করিল, কেননা সে সেই পশুকে আপন কর্ত্তৃত্ব দিয়াছিল; আর তাহারা সেই পশুর ভজনা করিল, কহিল, এই পশুর তুল্য কে? এবং ইহার সহিত কে যুদ্ধ করিতে পারে?
পরে পঞ্চম দূত সেই পশুর সিংহাসনের উপরে আপন বাটি ঢালিলেন; তাহাতে তাহার রাজ্য অন্ধকারময় হইল, এবং লোকেরা বেদনা প্রযুক্ত আপন আপন জিহ্বা চর্ব্বণ করিতে লাগিল;
আর তুমি যে দশ শৃঙ্গ দেখিলে, সে দশ রাজা; তাহারা এ পর্য্যন্ত রাজ্য প্রাপ্ত হয় নাই, কিন্তু এক ঘন্টার নিমিত্তে সেই পশুর সহিত রাজাদের ন্যায় কর্ত্তৃত্ব পাইবে।
তাহাতে সেই পশু ধরা পড়িল, এবং যে ভাক্ত ভাববাদী তাহার সাক্ষাতে চিহ্ন-কার্য্য করিয়া পশুর ছাবধারী ও তাহার প্রতিমার ভজনাকারীদের ভ্রান্তি জন্মাইত, সেও তাহার সঙ্গে ধরা পড়িল; তাহারা উভয়ে জীবন্তই প্রজ্বলিত গন্ধকময় অগ্নিহ্রদে নিক্ষিপ্ত হইল।
তিনি সেই নাগকে ধরিলেন; এ সেই পুরাতন সর্প, এ দিয়াবল [অপবাদক] এবং শয়তান [বিপক্ষ]; তিনি তাহাকে সহস্র বৎসর বদ্ধ রাখিলেন,