অতএব সদাপ্রভুর মন্ত্রণা শুন, যাহা তিনি ইদোমের বিরুদ্ধে করিয়াছেন; তাঁহার সঙ্কল্প সকল শুন, যাহা তিনি তৈমন-নিবাসীদের বিপক্ষে করিয়াছেন। নিশ্চয়ই লোকেরা তাহাদিগকে টানিয়া লইয়া যাইবে, পালের শাবকদিগকেও লইয়া যাইবে; নিশ্চয়ই তিনি তাহাদের চরাণি-স্থান তাহাদের সহিত উৎসন্ন করিবেন।
Cross references
টেমার বণিক্দল দৃষ্টিপাত করিল, শিবার পথিকদল সেই সকলের অপেক্ষা করিল।
সদাপ্রভুর মন্ত্রণা চিরকাল স্থির থাকে, তাঁহার চিত্তের সঙ্কল্প পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
মানুষের মনে অনেক সঙ্কল্প হয়, কিন্তু সদাপ্রভুরই মন্ত্রণা স্থির থাকিবে।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু শপথ করিয়া বলিয়াছেন, অবশ্যই, আমি যেরূপ সঙ্কল্প করিয়াছি, তদ্রূপ ঘটিবে; আমি যে মন্ত্রণা করিয়াছি, তাহা স্থির থাকিবে।
আমি শেষের বিষয় আদি অবধি জ্ঞাত করি, যাহা সাধিত হয় নাই, তাহা পূর্ব্বে জানাই, আর বলি, আমার মন্ত্রণা স্থির থাকিবে, আমি আপনার সমস্ত মনোরথ সিদ্ধ করিব।
বাস্তবিক যে কল্দীয়েরা তোমাদের সহিত যুদ্ধ করিতেছে, তোমার তাহাদের সমস্ত সৈন্যকে আঘাত করিলেও যদ্যপি তাহাদের মধ্যে কতকগুলি খড়্গবিদ্ধ লোকমাত্র অবশিষ্ট থাকে, তথাপি তাহারাই আপন আপন তাম্বুতে উঠিয়া এই নগর আগুনে পোড়াইয়া দিবে।
ইদোমের বিষয়। বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তৈমনে কি আর প্রজ্ঞা নাই? বুদ্ধিমানদের মধ্যে কি মন্ত্রণার লোপ হইয়াছে? তাহাদের জ্ঞান কি অন্তর্হিত হইয়াছে?
কেননা, সদাপ্রভু কহেন, আমি আপন নামে এই দিব্য করিয়াছি, বস্রা বিস্ময়, টিটকারি, উৎসন্নতা ও অভিশাপের পাত্র হইবে; আর তাহার সমস্ত নগর চিরকাল উৎসন্ন-স্থান থাকিবে।
আর ইদোম বিস্ময়ের পাত্র হইবে, যাহারা তাহার নিকট দিয়া গমন করে, সকলে বিস্মিত হইবে, ও তাহার প্রতি উপস্থিত সকল আঘাত প্রযুক্ত শিশ দিবে।
অতএব সদাপ্রভুর মন্ত্রণা শুন, যাহা তিনি বাবিলের বিরুদ্ধে করিয়াছেন; তাঁহার সঙ্কল্প সকল শুন, যাহা তিনি কল্দীয়দের দেশের বিরুদ্ধে করিয়াছেন। নিশ্চয়ই লোকেরা তাহাদিগকে টানিয়া লইয়া যাইবে, পালের শাবকদিগকেও লইয়া যাইবে; নিশ্চয়ই তিনি তাহাদের চরাণি-স্থান তাহাদের সহিত উৎসন্ন করিবেন।
তখন তিনি উত্তর করিয়া আমাকে কহিলেন, এ সরুব্বাবিলের প্রতি সদাপ্রভুর বাক্য, ‘পরাক্রম দ্বারা নয়, বল দ্বারাও নয়, কিন্তু আমার আত্মা দ্বারা,’ ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন।
কিন্তু এষৌকে অপ্রেম করিয়াছি, তাহার পর্ব্বতগণকে ধ্বংসস্থান করিয়াছি, ও তাহার অধিকার প্রান্তরস্থ শৃগালদের বাসস্থান করিয়াছি।
যেন তোমার হস্ত ও তোমার মন্ত্রণা দ্বারা পূর্ব্বাবধি যে সকল বিষয় নিরূপিত হইয়াছিল, তাহা সম্পন্ন করে।
কিন্তু ঈশ্বর জগতীস্থ মূর্খ বিষয় সকল মনোনীত করিলেন, যেন জ্ঞানবান্দিগকে লজ্জা দেন; এবং ঈশ্বর জগতের দুর্ব্বল বিষয় সকল মনোনীত করিলেন, যেন শক্তিমন্ত বিষয় সকলকে লজ্জা দেন;
তাঁহাতেই করা যাইবে, যাঁহাতে আমরা ঈশ্বরের অধিকারস্বরূপও হইয়াছি। বাস্তবিক যিনি সকলই আপন ইচ্ছার মন্ত্রণানুসারে সাধন করেন, তাঁহার সঙ্কল্প অনুসারে আমরা পূর্ব্বে নিরূপিত হইয়াছিলাম;