তোমার যাতায়াতের আধিক্য প্রযুক্ত পথশ্রান্তা হইয়াছিলে, তথাপি ‘আশা নাই’ ইহা বল নাই; তোমার হস্তের নাড়ী টের পাইয়াছ, এজন্য তুমি ক্লান্তা হও নাই।
Cross references
আর ক্লেশের সময়ে তিনি, সেই আহস রাজা, সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে আরও সত্যলঙ্ঘন করিলেন।
তুমি আপনার অনেক মন্ত্রণায় ক্লান্ত হইয়াছ; তবে জ্যোতিষীরা, নক্ষত্রদর্শীরা, মাসদৈবজ্ঞেরা উঠিয়া দাঁড়াউক, তোমার প্রতি যাহা যাহা ঘটিবে, তাহা হইতে তোমাকে নিস্তার করুক।
তুমি আপন চরণ পাদুকা-রহিত ও গলার নলী শুষ্ক হইতে দিও না। কিন্তু তুমি বলিয়াছ, আশা নাই, না, কেননা আমি বিদেশীদিগকে প্রেম করিয়া আসিতেছি, তাহাদেরই পশ্চাতে যাইব।
তুমি আপন পথ পরিবর্ত্তন করিতে কেন এত ঘুরিয়া বেড়াও? অশূরের বিষয়ে যেমন লজ্জিত হইয়াছিলে, মিসরের বিষয়েও তদ্রূপ লজ্জিত হইবে।
এই নিমিত্ত বৃষ্টিধারা নিবারিত হইয়াছে, এবং শেষ বর্ষাও হয় নাই; তথাপি তুমি বেশ্যার ললাট ধারণ করিয়াছ, লজ্জিতা হইতে অসম্মত হইয়াছ।
হে সদাপ্রভু, তোমার দৃষ্টি কি সত্যের প্রতি নয়? তুমি তাহাদিগকে প্রহার করিলেও তাহারা দুঃখার্ত্ত হইল না; তাহাদিগকে জীর্ণ করিলেও তাহারা শাসন গ্রহণ করিতে অস্বীকার করিল; তাহারা আপন আপন মুখ পাষাণ হইতেও কঠিন করিল; তাহারা ফিরিয়া আসিতে অস্বীকার করিল।
প্রত্যেক জন আপন আপন বন্ধুকে প্রবঞ্চনা করে, সত্য কহে না; তাহারা আপন আপন জিহ্বাকে মিথ্যা বলিতে শিক্ষা দিয়াছে, তাহারা অপরাধ করিবার জন্য ক্লেশ স্বীকার করে।
কিন্তু তাহারা বলে, আশা নাই, কেননা আমরা আপনাদেরই সঙ্কল্পানুসারে চলিব, প্রত্যেকে আপন আপন দুষ্ট হৃদয়ের কঠিনতা অনুসারে কর্ম্ম করিব।
কিন্তু আমাদেরই মুখনির্গত সমস্ত বাক্যানুরূপ কার্য্য করিবই করিব, আকাশরাণীর উদ্দেশে ধূপ জ্বালাইব ও পেয় নৈবেদ্য ঢালিব; আমরা ও আমাদের পিতৃপুরুষগণ, আমাদের রাজগণ, ও আমাদের অধ্যক্ষগণ যিহূদার নগরে নগরে ও যিরূশালেমের পথে পথে তাহাই করিতাম, আর তৎকালে আমরা ভক্ষ্যদ্রব্যে তৃপ্ত হইতাম, এবং সুখে ছিলাম, কোন অমঙ্গল দেখিতাম না।
সে পরিশ্রমে ক্লান্ত হইয়াছে, তথাপি তাহার বিষম কলঙ্ক তাহার মধ্য হইতে নির্গত হয় না, তাহার কলঙ্ক অগ্নিসাৎ হউক।
দেখ, ইহা কি বাহিনীগণের সদাপ্রভু হইতে হয় না যে, লোকবৃন্দ অগ্নির জন্য পরিশ্রম করে, এবং জাতিগণ অলীকতার জন্য ক্লান্ত হয়?
আর আমি এক সময়ে ব্যবস্থা ব্যতিরেকে জীবিত ছিলাম, কিন্তু আজ্ঞা আসিলে পাপ জীবিত হইয়া উঠিল, আর আমি মরিলাম;