যেমন শুষ্ক দেশে রৌদ্র, তেমনি তুমি বিদেশীয়দের কোলাহল থামাইবে; যেমন মেঘের ছায়াতে রৌদ্র, তেমনি দুর্দ্দান্তদের হর্ষগান ক্ষান্ত হইবে।
Cross references
সে সূর্য্যের সাক্ষাতে সতেজ থাকে, উদ্যানে তাহার কোমল শাখা ব্যাপিয়া যায়।
এই চিরকালীন স্তূপে পদার্পণ কর; শত্রু ধর্ম্মধামে সকলই ছারখার করিয়াছে।
জাতিগণ কেন বলিবে, উহাদের ঈশ্বর কোথায়? তোমার দাসগণের যে রক্ত পাতিত হইয়াছে, তাহার প্রতিফল আমাদের দৃষ্টিগোচরে জাতিগণ জানিতে পারুক।
তিনি চন্দ্রাতপের জন্য মেঘ বিস্তার করিলেন, তিনি রাত্রি আলোকময় করণার্থে অগ্নি দিলেন।
কারণ সে বলে, ‘আমার অধ্যক্ষগণ কি সকলে রাজা নহেন?
সে অদ্যই নোবে বিলম্ব করিতেছে, সে সিয়োন-কন্যার পর্ব্বতের, যিরূশালেম-গিরির, প্রতিকূলে হস্ত নাড়িতেছে।
আর আমি জগতের উপরে দুর্বৃত্তির ফল ও দুষ্টগণের উপরে তাহাদের অপরাধের ফল বর্ত্তাইব; আমি অহঙ্কারীদের দর্প শেষ করিব, দুর্দ্দান্তদের গর্ব্ব খর্ব্ব করিব।
তাহারা সকলে উত্তর করিয়া তোমাকে বলে, তুমিও কি আমাদের ন্যায় ক্ষীণবল হইলে? তুমিও কি আমাদের সমান হইলে?
কিন্তু তুমি আপন কবর-স্থান হইতে দূরে নিক্ষিপ্ত, কুৎসিত পল্লবের সদৃশ, তুমি সেই নিহতদের দ্বারা আচ্ছাদিত, যাহারা খড়্গবিদ্ধ, যাহারা গর্ত্তের প্রস্তররাশিতে নামিয়া যায়; তুমি পদদলিত শবের তুল্য হইয়াছ।
হায় হায়, অনেক জাতির কোলাহল! তাহারা সমুদ্র-কল্লোলের ন্যায় কল্লোলধ্বনি করিতেছে; লোকবৃন্দের গর্জ্জন। তাহারা প্রবল বন্যার ন্যায় গর্জ্জন করিতেছে।
কেননা সদাপ্রভু আমাকে এই কথা বলিয়াছেন, নির্ম্মল আকাশে সতেজ রৌদ্রের ন্যায়, শস্যচ্ছেদনের গ্রীষ্মসময়ে কুয়াসাযুক্ত মেঘের ন্যায়, আমি ক্ষান্ত হইব, আপন বাসস্থানে থাকিয়া নিরীক্ষণ করিব।
সদাপ্রভু প্রচণ্ড ক্রোধ, সর্ব্বগ্রাসক অগ্নিশিখা, বাত্যা, ঝটিকা ও করকা দ্বারা আপনার প্রতাপান্বিত রব শুনাইবেন, ও আপনার হস্তাবতারণ দেখাইবেন।
তাহারা ক্ষুধিত কি পিপাসিত হইবে না; এবং তপ্ত বালুকা কি রৌদ্র দ্বারা আহত হইবে না; কেননা যিনি তাহাদের প্রতি দয়াকারী, তিনি তাহাদিগকে চরাইবেন, জলের উনুইয়ের নিকটে লইয়া যাইবেন।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, অবশ্য বীরের বন্দিগণকে হরণ করা যাইবে, ও ভীমবিক্রান্তের ধৃত প্রাণীকে মুক্ত করা যাইবে; কারণ তোমার প্রতিবাদীর সহিত আমিই বিবাদ করিব, আর তোমার সন্তানদিগকে আমিই ত্রাণ করিব।
দেখ, লোকে যদি দল বাঁধে, তাহা আমা হইতে হয় না; যে কেহ তোমার বিপক্ষে দল বাঁধে, সে তোমা হেতু পতিত হইবে।
আহা, তুমি আকাশমণ্ডল বিদীর্ণ করিয়া নামিয়া আইস, পর্ব্বতগণ তোমার সাক্ষাতে কম্পিত হউক;
ওহে তোমরা, যাহারা আমার অধিকার লুট করিতেছ, তোমরা ত আনন্দ ও উল্লাস করিতেছ, শস্যমর্দ্দনকারিণী গাভীর ন্যায় নাচিতেছ, তেজস্বী অশ্বের ন্যায় হেষ্রা রব করিতেছ;
তাহারা একত্র সিংহবৎ গর্জ্জন করিবে, সিংহশাবকদের ন্যায় ঘোর নাদ করিবে।
বাবিল যদ্যপি আকাশ পর্য্যন্ত উঠে, যদ্যপি আপনার বলের দুর্গ দৃঢ় করে, তথাপি আমার আজ্ঞায় লুটকারীরা তাহার কাছে যাইবে, ইহ সদাপ্রভু কহেন।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি মিসরের লোকারণ্যের বিষয়ে হাহাকার কর, এবং তাহাদিগকে অর্থাৎ সেই জাতিকে ও বিখ্যাত জাতিদের কন্যাগণকে অধোভুবনে পাতালবাসীদের কাছে নামাইয়া দেও।
কিন্তু তুমি উঠিবে, ঝঞ্ঝার ন্যায় আসিবে, মেঘের ন্যায় তুমি ও তোমার সহিত তোমার সকল সৈন্যদল ও অনেক জাতি সেই দেশ আচ্ছাদন করিবে।
তিনি এইরূপ কথা কহিলেন, ঐ চতুর্থ জন্তু পৃথিবীর চতুর্থ রাজ্য; সে রাজ্য সকল রাজ্য হইতে ভিন্ন হইবে, এবং সমস্ত পৃথিবীকে গ্রাস করিবে, মর্দ্দন করিবে ও চূর্ণ করিবে।
আর সেই রাজা স্বেচ্ছানুযায়ী কর্ম্ম করিবে, ও সমস্ত দেবতা অপেক্ষা আপনাকে বড় করিয়া দেখাইবে, ও দর্প করিবে, এবং ঈশ্বরদের ঈশ্বরের বিপরীতে অদ্ভুত কথা কহিবে, আর ক্রোধ সম্পন্ন না হওয়া পর্য্যন্ত কুশলপ্রাপ্ত থাকিবে; কেননা যাহা নিরূপিত, তাহাই করা যাইবে।
তখন যোনা নগরের বাহিরে গিয়া নগরের পূর্ব্বদিকে বসিয়া রহিলেন; সেখানে তিনি আপনার নিমিত্ত এক কুটীর নির্ম্মাণ করিয়া তাহার নীচে ছায়াতে বসিলেন, নগরের কি দশা হয় দেখিবার অপেক্ষা করিতে লাগিলেন।
পরে আমি মন্দির হইতে এক উচ্চ বাণী শুনিলাম, তাহা ঐ সপ্ত দূতকে কহিল, তোমরা যাও, ঈশ্বরের রোষের ঐ সপ্ত বাটি পৃথিবীতে ঢালিয়া দেও।
তাহাতে সে “পৃথিবীর চারি কোণে স্থিত জাতিগণকে, গোগ ও মাগোগকে”, ভ্রান্ত করিয়া যুদ্ধে একত্র করিবার জন্য বাহির হইবে; তাহাদের সংখ্যা সমুদ্রের বালুকার তুল্য।