আর মিসরের আত্মা তাহার অন্তরে শূন্য হইয়া যাইবে, এবং আমি তাহার মন্ত্রণা গ্রাস করিব; আর তাহারা প্রতিমা, ভেল্কিকর, ভূতুড়িয়া ও গুণীদের নিকটে অন্বেষণ করিবে।
Cross references
কিন্তু প্রাতঃকালে নাবলের মত্ততা দূর হইলে তাহার স্ত্রী তাহাকে ঐ সমস্ত বৃত্তান্ত জ্ঞাত করিল; তখন তাহার অন্তর মধ্যে হৃদয় ম্রিয়মাণ হইল, এবং সে প্রস্তরবৎ হইয়া পড়িল।
পরে কেহ দায়ূদকে কহিল, অবশালোমের সঙ্গে চক্রান্তকারীদের মধ্যে অহীথোফলও আছে; তখন দায়ূদ কহিলেন, হে সদাপ্রভু, অনুগ্রহ করিয়া অহীথোফলের মন্ত্রণাকে মূর্খতায় পরিণত কর।
পরে অবশালোম ও ইস্রায়েলের সমস্ত লোক কহিল, অহীথোফলের মন্ত্রণা অপেক্ষা অর্কীয় হূশয়ের মন্ত্রণা ভাল। বস্তুতঃ সদাপ্রভু যেন অবশালোমের প্রতি অমঙ্গল ঘটান, তজ্জন্য অহীথোফলের ভাল মন্ত্রণা ব্যর্থ করণার্থে সদাপ্রভুই ইহা স্থির করিয়াছেন।
আর অহীথোফল যখন দেখিত যে, তাহার মন্ত্রণানুযায়ী কাজ করা হইল না, তখন সে গর্দ্দভ সাজাইল, এবং উঠিয়া নিজ বাটীতে, আপন নগরে গেল, এবং আপন বাটীর বিষয়ে ব্যবস্থা করিয়া আপনি গলায় দড়ি দিয়া মরিল; পরে তাহার পিতার কবরে সে কবর প্রাপ্ত হইল।
আর অহসিয় শমরিয়ায় স্থিত আপন গৃহের উপরিস্থ কুঠরীর সিঁড়ির দ্বার দিয়া পড়িয়া গিয়া পীড়িত হইলেন; তাহাতে তিনি কয়েক জন দূত পাঠাইলেন, তাহাদিগকে বলিলেন, যাও, ইক্রোণের দেবতা বাল্-সবূবকে জিজ্ঞাসা কর গিয়া যে, এই পীড়া হইতে আমি সুস্থ হইব কি না?
এইরূপে শৌল সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে কৃত সত্যলঙ্ঘন হেতু মরিলেন; কারণ তিনি সদাপ্রভুর বাক্য পালন করেন নাই; আবার তিনি অনুসন্ধান জন্য ভূতড়িয়ার কাছে মন্ত্রণা জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন,
তিনি এই কথা কহিলে রাজা তাঁহাকে কহিলেন, আমরা কি তোমাকে রাজমন্ত্রিপদে নিযুক্ত করিয়াছি? ক্ষান্ত হও, কেন মার খাইবে? তখন সেই ভাববাদী ক্ষান্ত হইলেন, তথাপি কহিলেন, আমি জানি, ঈশ্বর আপনাকে বিনষ্ট করিবার সঙ্কল্প করিয়াছেন, কেননা আপনি এই কার্য্য করিয়াছেন, আর আমার পরামর্শে কাণ দেন নাই।
তিনি ধূর্ত্তদের কল্পনা ব্যর্থ করেন, তাহাদের হস্ত সঙ্কল্প সাধন করিতে পারে না।
তিনি জ্ঞানীদিগকে তাহাদের ধূর্ত্ততায় ধরেন, কুটিলমনাদের মন্ত্রণা আশু বিফল হইয়া পড়ে।
তিনি প্রধানবর্গের সাহস খর্ব্ব করেন; পৃথিবীস্থ রাজগণের পক্ষে তিনি ভয়াবহ।
তাহারা মত্তের ন্যায় হেলিয়া দুলিয়া ঢুলিয়া পড়ে, তাহাদের সমস্ত বুদ্ধি বিলুপ্ত হয়।
নাহি জ্ঞান, নাহি বুদ্ধি, নাহি মন্ত্রণা—সদাপ্রভুর বিরুদ্ধে।
আর যখন তাহারা তোমাদিগকে বলে, তোমরা ভূতড়িয়া ও গুণীদিগের নিকটে, যাহারা বিড় বিড় ও ফুসফুস করিয়া বকে, তাহাদের নিকটে অন্বেষণ কর, [তখন তোমরা বলিবে,] প্রজাগণ কি আপনাদের ঈশ্বরের কাছে অন্বেষণ করিবে না? তাহারা জীবিতদের জন্য কি মৃতদের কাছে [অন্বেষণ করিবে]?
কারণ বাহিনীগণের সদাপ্রভুই মন্ত্রণা করিয়াছেন, কে তাহা ব্যর্থ করিবে? তাঁহারই হস্ত বিস্তারিত হইয়াছে, কে তাহা ফিরাইবে?
সে রোদন করিবার জন্য বায়িতে ও দীবনে, উচ্চস্থলীতে, গিয়াছে; নবোর উপরে ও মেদবার উপরে মোয়াব হাহাকার করিতেছে, তাহাদের সকলের মস্তক মুণ্ডন হইয়াছে, প্রতিজনের দাড়ি কাটা গিয়াছে।
দেখ, সদাপ্রভু দ্রুতগামী মেঘে আরোহণ করিয়া মিসরে গমন করিতেছেন; মিসরের প্রতিমাগণ তাঁহার সাক্ষাতে কাঁপিবে, ও মিসরের হৃদয় তাহার অন্তরে দ্রব হইবে। আর আমি মিস্রীয়দিগকে মিস্রীয়দের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করিব; তাহারা প্রত্যেকে আপন আপন ভ্রাতার ও প্রত্যেকে আপন আপন বন্ধুর সহিত,
সোয়নের প্রধানবর্গ নিতান্ত অজ্ঞান; ফরৌণের বিজ্ঞবর মন্ত্রিগণের মন্ত্রণা পশুবৎ হইল; তোমরা কেমন করিয়া ফরৌণকে বলিতে পার, আমি জ্ঞানীদের পুত্র, প্রাচীন রাজাদের সন্তান?
[সদাপ্রভু] বাচালদিগের চিহ্ন সকল ব্যর্থ করেন, ও মন্ত্রজ্ঞদিগকে উন্মত্ত করেন, তিনি জ্ঞানবানদিগকে হটাইয়া দেন, ও তাহাদের জ্ঞান মূর্খতাস্বরূপ করেন।
যে বিবিধ ইন্দ্রজালে ও মায়াবিত্বের বাহুল্যে তুমি বাল্যকালাবধি শ্রম করিয়া আসিতেছ, এখন সেই সকল লইয়া দাঁড়াও; দেখি, যদি উপকার পাও, দেখি, যদি ভয় দেখাইতে পার।
কারণ আমি নিত্য বিবাদ করিব না, সর্ব্বদা ক্রোধ করিব না; করিলে আত্মা, এবং আমার নির্ম্মিত প্রাণী সকল, আমার সম্মুখে মূর্চ্ছাপন্ন হইবে।
তোমার বলবানেরা কেন ভাসিয়া গেল? তাহারা স্থির থাকিতে পারিল না, যেহেতু সদাপ্রভু তাহাদিগকে অধঃপাতিত করিলেন।
আর, যখন তাহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করিবে, ‘কেন দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ করিতেছ?’ তখন বলিও, বার্ত্তার নিমিত্ত, কেননা তাহা আসিতেছে; তৎকালে প্রত্যেক হৃদয় গলিয়া যাইবে, প্রত্যেক হস্ত দুর্ব্বল হইবে, প্রত্যেক মন নিস্তেজ হইবে, ও প্রত্যেক জানু জলের মত হইয়া পড়িবে; দেখ, তাহা আসিতেছে, তাহা সফলও হইবে, ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
আমি যে সময় তোমার কাছে নিকাশ লইব, সেই সময়ে তোমার অন্তঃকরণ কি সুস্থির থাকিবে? তোমার হস্ত কি সবল থাকিবে? আমি সদাপ্রভু ইহা বলিলাম, আর ইহা সিদ্ধ করিব।
পরে রাজা আদেশ করিলেন, যেন তাঁহাকে ঐ স্বপ্ন বুঝাইয়া দিবার নিমিত্ত মন্ত্রবেত্তা, গণক, মায়াবী ও কল্দীয়দিগকে আহ্বান করা হয়। তাহারা আসিয়া রাজার সম্মুখে দাঁড়াইল।
অতএব সেই স্বপ্নের তাৎপর্য্য আমাকে জানাইবার জন্য আমি বাবিলের সমস্ত বিদ্বান্ লোককে আমার নিকটে আনিতে আজ্ঞা করিলাম।
রাজা উচ্চৈঃস্বরে গণক, কল্দীয় ও জ্যোতির্ব্বেত্তাদিগকে আনিতে আজ্ঞা করিলেন। রাজা বাবিলের বিদ্বান্দিগকে কহিলেন, যে কোন ব্যক্তি এই লেখা পড়িয়া ইহার তাৎপর্য্য আমাকে জানাইবে, সে বেগুনিয়া বস্ত্রে বস্ত্রান্বিত হইবে, তাহার কণ্ঠে সুবর্ণের হার দত্ত হইবে, এবং সে রাজ্যে তৃতীয় কর্ত্তা হইবে।
যেহেতুক এই জগতের যে জ্ঞান, তাহা ঈশ্বরের নিকটে মূর্খতা। কারণ লেখা আছে, “তিনি জ্ঞানবান্দিগকে তাহাদের ধূর্ত্ততায় ধরেন।”