সে সমস্তই খাদ্য, পেয় ও বিবিধ বাপ্তিস্ম সহযুক্ত, সে সকল কেবল মাংসের ধর্ম্মবিধিমাত্র, সংশোধনের সময় পর্য্যন্ত পালনীয়।
Cross references
আর হারোণকে ও তাহার পুত্রগণকে সমাগম-তাম্বুর দ্বার-সমীপে আনিয়া জলে স্নান করাইবে।
হারোণ ও তাহার পুত্রগণ তাহাতে আপন আপন হস্ত ও পদ ধৌত করিবে।
পরে তুমি হারোণকে ও তাহার পুত্রগণকে সমাগম-তাম্বুর দ্বারসমীপে আনিয়া জলে স্নান করাইবে।
তোমরা ইস্রায়েল-সন্তানগণকে বল, ভূচর সমস্ত পশুর মধ্যে এই সকল জীব তোমাদের খাদ্য হইবে।
আর যে বস্ত্র কিম্বা বস্ত্রের তানা বা পড়িয়ান কিম্বা চর্ম্মের যে কোন দ্রব্য ধৌত করিবে, তাহা হইতে যদি সেই কলঙ্ক দূর হয়, তবে দ্বিতীয় বার তাহা ধৌত করিবে; তাহাতে তাহা শুচি হইবে।
তখন সেই শোধ্যমান ব্যক্তি আপন বস্ত্র ধৌত করিয়া ও সমস্ত কেশ মুণ্ডন করিয়া জলে স্নান করিবে, তাহাতে সে শুচি হইবে; তৎপরে সে শিবিরে প্রবেশ করিত পারিবে, কিন্তু সাত দিন আপন তাম্বুর বাহিরে থাকিবে।
সে মসীনার পবিত্র অঙ্গরক্ষিণী পরিধান করিবে, মসীনার জাঙ্ঘিয়া পরিধান করিবে, মসীনার কটিবন্ধন পরিবে, এবং মসীনার উষ্ণীষে বিভূষিত হইবে; এ সকল পবিত্র বস্ত্র; সে জলে আপন শরীর ধৌত করিয়া এই সকল পরিধান করিবে।
পরে সে কোন পবিত্র স্থানে আপন শরীর জলে ধৌত করিয়া নিজ বস্ত্র পরিধান করতঃ বাহিরে আসিবে, এবং আপনার হোমবলি ও লোকদের হোমবলি উৎসর্গ করিয়া আপনার নিমিত্তে ও লোকদের নিমিত্তে প্রায়শ্চিত্ত করিবে।
আর স্বদেশী কি বিদেশীর মধ্যে যে কেহ স্বয়ংমৃত কিম্বা বিদীর্ণ পশু ভোজন করে, সে আপন বস্ত্র ধৌত করিবে, জলে স্নান করিবে, এবং সন্ধ্যা পর্য্যন্ত অশুচি থাকিবে; পরে শুচি হইবে।
সেই স্পর্শকারী ব্যক্তি সন্ধ্যা পর্য্যন্ত অশুচি থাকিবে, এবং জলে আপন গাত্র ধৌত না করিলে পবিত্র বস্তু ভোজন করিবে না।
পরে যাজক আপন বস্ত্র ধৌত করিবে ও শরীর জলে ধুইবে; পরে শিবিরে প্রবেশ করিতে পারিবে; তথাপি যাজক সন্ধ্যা পর্য্যন্ত অশুচি থাকিবে।
তুমি কোন ঘৃণার্হ দ্রব্য ভোজন করিবে না।
পরে শবের নিকটস্থ ঐ নগরের সমস্ত প্রাচীন উপত্যকাতে ভগ্নগ্রীবা গোবৎসার উপরে আপন আপন হস্ত ধুইয়া দিবে।
পরে বেলা অবসান হইলে সে জলে স্নান করিবে, ও সূর্য্যের অস্তগমন সময়ে শিবিরের মধ্যে প্রবেশ করিবে।
তখন আমি কহিলাম, আহা, প্রভু সদাপ্রভু, দেখ, আমার প্রাণ অশুচি হয় নাই; আমি বাল্যকাল অবধি অদ্য পর্যন্ত স্বয়ং মৃত কিম্বা পশু দ্বারা বিদীর্ণ কিছুই খাই নাই, ঘৃণার্হ মাংস কখনও আমার মুখে প্রবিষ্ট হয় নাই।
আর বাজার হইতে আসিলে তাহারা স্নান না করিয়া আহার করে না; এবং তাহারা আরও অনেক বিষয় মানিবার আদেশ প্রাপ্ত হইয়াছে, যথা, ঘটী, ঘড়া ও পিত্তলের নানা পাত্র ধৌত করা।—
পরে তাঁহার প্রতি এই বাণী হইল, উঠ, পিতর, বধ করিয়া ভোজন কর।
তেমনি আমরাও যখন বালক ছিলাম, তখন জগতের অক্ষরমালার অধীন দাস ছিলাম।
তাহাদের দাস ছিলে; কিন্তু এখন ঈশ্বরের পরিচয় পাইয়াছ, বরং ঈশ্বরকর্ত্তৃক পরিচিত হইয়াছ; তবে কেমন করিয়া পুনর্ব্বার ঐ দুর্ব্বল অকিঞ্চন অক্ষরমালার প্রতি ফিরিতেছ, আবার ফিরিয়া সেগুলির দাস হইতে চাহিতেছ?
তাঁহার সেই হিতসঙ্কল্প অনুসারে যাহা তিনি কালের পূর্ণতার বিধান লক্ষ্য করিয়া তাঁহাতে পূর্ব্বে সঙ্কল্প করিয়াছিলেন। তাহা এই, স্বর্গস্থ ও পৃথিবীস্থ সমস্তই খ্রীষ্টেই সংগ্রহ করা যাইবে,
শত্রুতাকে, বিধিবদ্ধ আজ্ঞাকলাপরূপ ব্যবস্থাকে, নিজ মাংসে লুপ্ত করিয়াছেন; যেন উভয়কে আপনাতে একই নূতন মনুষ্যরূপে সৃষ্টি করেন, এইরূপে সন্ধি করেন;
অতএব ভোজন কি পান, কি উৎসব, কি অমাবস্যা, কি বিশ্রামবার, এই সকলের সম্বন্ধে কেহ তোমাদের বিচার না করুক;
তোমরা যখন জগতের অক্ষরমালা ছাড়িয়া খ্রীষ্টের সহিত মরিয়াছ, তখন কেন জগজ্জীবীদের ন্যায় এই সকল বিধির অধীন হইতেছ,
বাস্তবিক যে ভাবী জগতের কথা আমরা কহিতেছি, তাহা তিনি দূতগণের অধীন করেন নাই।
নানা বাপ্তিস্ম ও হস্তার্পণের শিক্ষা, মৃতগণের পুনরুত্থান ও অনন্তকালার্থক বিচার।
এবং ঈশ্বরের মঙ্গলবাক্যের ও ভাবী যুগের নানা পরাক্রমের রসাস্বাদন করিয়াছে,
যিনি মাংসিক বিধির নিয়ম অনুযায়ী হন নাই, কিন্তু অলোপ্য জীবনের শক্তি অনুযায়ী হইয়াছেন।
ভাল, ঐ প্রথম নিয়ম অনুসারেও আরাধনার নানা ধর্ম্মবিধি এবং পার্থিব একটী ধর্ম্মধাম ছিল।
এই জন্য আইস, আমরা সত্য হৃদয় সহকারে বিশ্বাসের কৃতনিশ্চয়তায় [ঈশ্বরের] নিকটে উপস্থিত হই; আমরা ত হৃদয়প্রোক্ষণ-পূর্ব্বক মন্দ হইতে মুক্ত, এবং শুচি জলে স্নাত দেহবিশিষ্ট হইয়াছি;
তোমরা বহুবিধ এবং বিজাতীয় শিক্ষা দ্বারা বিপথে চালিত হইও না; কেননা হৃদয় যে অনুগ্রহ দ্বারা স্থিরীকৃত হয়, তাহা ভাল; খাদ্য বিশেষ অবলম্বন করা ভাল নয়, তদাচারীদের কোন সুফল দর্শে নাই।