তোমরা বহুবিধ এবং বিজাতীয় শিক্ষা দ্বারা বিপথে চালিত হইও না; কেননা হৃদয় যে অনুগ্রহ দ্বারা স্থিরীকৃত হয়, তাহা ভাল; খাদ্য বিশেষ অবলম্বন করা ভাল নয়, তদাচারীদের কোন সুফল দর্শে নাই।
Cross references
আর সদাপ্রভু মোশি ও হারোণকে কহিলেন,
তুমি কোন ঘৃণার্হ দ্রব্য ভোজন করিবে না।
যীশু উত্তর করিয়া তাঁহাদিগকে কহিলেন, দেখিও, কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়।
কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা ও ভাক্ত ভাববাদীরা উঠিবে, এবং এমন মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভুত অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইবে যে, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলাইবে।
কিন্তু টাট্কা দ্রাক্ষারস নূতন কুপাতেই রাখিতে হয়।
কিন্তু পিতর কহিলেন, প্রভু, এমন না হউক; আমি কখনও কোন অপবিত্র কিম্বা অশুচি দ্রব্য ভোজন করি নাই।
এবং তোমাদের মধ্য হইতেও কোন কোন লোক উঠিয়া শিষ্যদিগকে আপনাদের পশ্চাৎ টানিয়া লইবার জন্য বিপরীত কথা কহিবে।
আর এখন প্রভুর নিকটে, ও তাঁহার অনুগ্রহের বাক্যের নিকটে তোমাদিগকে সমর্পণ করিলাম, তিনি তোমাদিগকে গাঁথিয়া তুলিতে ও পবিত্রীকৃত সকলের মধ্যে দায়াধিকার দিতে সমর্থ।
এক ব্যক্তির বিশ্বাস আছে যে, সর্ব্বপ্রকার দ্রব্যই খাইতে পারে, কিন্তু যে দুর্ব্বল, সে শাক খায়।
দিন যে মানে, সে প্রভুর উদ্দেশেই মানে; আর যে ভোজন করে, সে প্রভুর উদ্দেশেই ভোজন করে, কেননা সে ঈশ্বরের ধন্যবাদ করে; এবং যে ভোজন করে না, সেও প্রভুর উদ্দেশেই ভোজন করে না, এবং ঈশ্বরের ধন্যবাদ করে।
কারণ ঈশ্বরের রাজ্য ভোজন পান নয়, কিন্তু ধার্ম্মিকতা, শান্তি এবং পবিত্র আত্মাতে আনন্দ।
ভ্রাতৃগণ, আমি তোমাদিগকে বিনতি করিতেছি, তোমরা যে শিক্ষা পাইয়াছ, তাহার বিপরীতে যাহারা দলাদলি ও বিঘ্ন জন্মায়, তাহাদিগকে চিনিয়া রাখ ও তাহাদের হইতে দূরে থাক।
খাদ্য উদরের নিমিত্ত, এবং উদর খাদ্যের নিমিত্ত, কিন্তু ঈশ্বর উভয়ের লোপ করিবেন। দেহ ব্যভিচারের নিমিত্ত নয়, কিন্তু প্রভুর নিমিত্ত, এবং প্রভু দেহের নিমিত্ত।
কিন্তু খাদ্য দ্রব্য আমাদিগকে ঈশ্বরের কাছে গ্রাহ্য করায় না; ভোজন না করিলে আমাদের ক্ষতি হয় না, ভোজন করিলেও আমাদের বৃদ্ধি হয় না।
আর যিনি তোমাদের সহিত আমাদিগকে খ্রীষ্টে স্থির করিতেছেন, এবং আমাদিগকে অভিষিক্ত করিয়াছেন, তিনি ঈশ্বর;
কেন? আমি তোমাদিগকে প্রেম করি না বলিয়া কি? ঈশ্বর জাননে।
আমার আশ্চর্য্য বোধ হইতেছে যে, খ্রীষ্টের অনুগ্রহে যিনি তোমাদিগকে আহ্বান করিয়াছেন, তোমরা এত শীঘ্র তাঁহা হইতে অন্যবিধ সুসমাচারের দিকে ফিরিয়া যাইতেছ।
ভ্রাতৃগণ, যদি কেহ কোন অপরাধে ধরাও পড়ে, তবে আত্মিক যে তোমরা, তোমরা সেই প্রকার ব্যক্তিকে মৃদুতার আত্মায় সুস্থ কর, আপনাকে দেখ, পাছে তুমিও পরীক্ষাতে পড়।
যেন আমরা আর বালক না থাকি, মনুষ্যদের ঠকামিতে, ধূর্ত্ততায়, ভ্রান্তির চাতুরীক্রমে তরঙ্গাহত এবং যে সে শিক্ষাবায়ুতে ইতস্ততঃ পরিচালিত না হই;
অনর্থক বাক্য দ্বারা কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়; কেননা এই সকল দোষ প্রযুক্ত অবাধ্যতার সন্তানগণের উপরে ঈশ্বরের ক্রোধ বর্ত্তে।
এ কথা বলিতেছি, যেন কেহ প্ররোচক বাক্যে তোমাদিগকে না ভুলায়।
তাঁহাতেই বদ্ধমূল ও সংগ্রথিত হইয়া প্রাপ্ত শিক্ষানুসারে বিশ্বাসে দৃঢ়ীভূত হও, এবং ধন্যবাদ সহকারে উপচিয়া পড়।
অতএব ভোজন কি পান, কি উৎসব, কি অমাবস্যা, কি বিশ্রামবার, এই সকলের সম্বন্ধে কেহ তোমাদের বিচার না করুক;
তোমরা কোন আত্মা দ্বারা, বা কোন বাক্য দ্বারা, অথবা, আমরা লিখিয়াছি মনে করিয়া কোন পত্র দ্বারা, মনের স্থিরতা হইতে বিচলিত বা উদ্বিগ্ন হইও না, ভাবিও না যে প্রভুর দিন উপস্থিত হইল;
তিনি তোমাদের হৃদয়কে সান্ত্বনা দিউন, এবং সমস্ত উত্তম কার্য্যে ও বাক্যে সুস্থির করুন।
কিন্তু আত্মা স্পষ্টই বলিতেছেন, উত্তরকালে কতক লোক ভ্রান্তিজনক আত্মাদিগেতে ও ভূতগণের শিক্ষামালায় মন দিয়া বিশ্বাস হইতে সরিয়া পড়িবে।
এই সকল শিক্ষা দেও ও অনুনয় কর। যদি কেহ অন্যবিধ শিক্ষা দেয়, এবং নিরাময় বাক্য, অর্থাৎ আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের বাক্য, ও ভক্তির অনুরূপ শিক্ষা স্বীকার না করে,
হে তীমথিয়, তোমার কাছে যাহা গচ্ছিত হইয়াছে, তাহা সাবধানে রাখ; যাহা অযথারূপে বিদ্যা নামে আখ্যাত, তাহার ধর্ম্মবিরূপক নিঃসার শব্দাড়ম্বর ও বিরোধবাণী হইতে বিমুখ হও;
অতএব, হে আমার বৎস, তুমি খ্রীষ্ট যীশুতে স্থিত অনুগ্রহে বলবান্ হও।
যিহূদীয় গল্পে, ও সত্য হইতে বিমুখ মনুষ্যদের আজ্ঞায়, মনোযোগ না করে।
সেই তাম্বু এই উপস্থিত সময়ের নিমিত্ত দৃষ্টান্ত; সেই দৃষ্টান্ত অনুসারে এমন উপহার ও যজ্ঞ উৎসর্গ করা হয়, যাহা আরাধনাকারীকে সংবেদগত সিদ্ধি দিতে পারে না;
প্রিয়তমেরা, তোমরা সকল আত্মাকে বিশ্বাস করিও না, বরং আত্মা সকলের পরীক্ষা করিয়া দেখ তাহারা ঈশ্বর হইতে কি না; কারণ অনেক ভাক্ত ভাববাদী জগতে বাহির হইয়াছে।
প্রিয়তমেরা, আমাদের সাধারণ পরিত্রাণের বিষয়ে তোমাদিগকে কিছু লিখিতে নিতান্ত যত্নবান্ হওয়াতে আমি বুঝিলাম, পবিত্রগণের কাছে একবারে সমর্পিত বিশ্বাসের পক্ষে প্রাণপণ করিতে তোমাদিগকে আশ্বাস দিয়া লেখা আবশ্যক।
তাহারা তোমাদের সহিত ভোজন পান করিবার সময়ে তোমাদের প্রেম-ভোজে ব্যাঘাতক, তাহারা এমন পালক যে নির্ভয়ে আপনাদিগকেই চরায়; তাহারা বায়ু চালিত নির্জল মেঘ; হেমন্তকালের ফলহীন, দুই বার মৃত ও উন্মূলিত বৃক্ষ;