অনর্থক বাক্য দ্বারা কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়; কেননা এই সকল দোষ প্রযুক্ত অবাধ্যতার সন্তানগণের উপরে ঈশ্বরের ক্রোধ বর্ত্তে।
Cross references
তখন ইস্রায়েলের প্রতি সদাপ্রভুর ক্রোধ প্রজ্বলিত হইল, আর তিনি চল্লিশ বৎসর পর্য্যন্ত, সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে কুকর্ম্মকারী সমস্ত লোকের নিঃশেষ না হওয়া পর্য্যন্ত, তাহাদিগকে প্রান্তরে ভ্রমণ করাইলেন।
যে অপরাধ প্রযুক্ত সদাপ্রভুর মণ্ডলীর মধ্যে মহামারী হইয়াছিল, এবং যাহা হইতে আমরা অদ্যাপি শুচীকৃত হই নাই, পিয়োর-বিষয়ক সেই অপরাধ কি আমাদের পক্ষে ক্ষুদ্র?
তুমি কহিতেছ, সংগ্রামের বুদ্ধি ও পরাক্রম [আমার] আছে, কিন্তু সেটা কেবল ওষ্ঠের কথামাত্র; বল দেখি, তুমি কাহার উপরে নির্ভর করিয়া আমার বিদ্রোহী হইলে?
তখন তাহাদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরের কোপ উঠিল, তাহা তাহাদের হৃষ্টপুষ্টগণকে সংহার করিল, ইস্রায়েলের যুবকগণকে পাড়িয়া ফেলিল।
আর যিরূশালেমের ভাববাদিগণের মধ্যে রোমাঞ্চজনক ব্যাপার দেখিয়াছি; তাহারা ব্যভিচার করে, ও মিথ্যারূপ পথে চলে, এবং কদাচারীদের হস্ত এমন বলবান্ করে যে, কেহ আপন কুপথ হইতে ফিরে না; তাহারা সকলে আমার কাছে সদোমের তুল্য, এবং সেখানকার নিবাসীরা ঘমোরার সমান হইয়াছে।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের ঈশ্বর, এই কথা কহেন, তোমাদের মধ্যে উপস্থিত তোমাদের ভাববাদিগণ ও মন্ত্রজ্ঞ লোকেরা তোমাদিগকে না ভুলাউক; এবং তোমরা যে সকল স্বপ্ন ঘটাইয়া থাক, সেই স্বপ্ন সকলে মনোযোগ করিও না।
তুমি সমস্ত নির্ব্বাসিত লোকের কাছে এই কথা বলিয়া পাঠাও, সদাপ্রভু নিহিলামীয় শময়িয়ের বিষয়ে এই কথা কহেন, আমি শময়িয়কে প্রেরণ না করিলেও সে তোমাদের কাছে ভাববাণী বলিয়া মিথ্যা কথায় তোমাদের বিশ্বাস জন্মাইয়াছে।
শান্তি না হইলেও তাহারা ‘শান্তি’ বলিয়া আমার প্রজাদিগকে ভ্রান্ত করিয়াছে; এবং কেহ ভিত্তি নির্ম্মাণ করিলে, দেখ, তাহারা কলি দিয়া তাহা লেপন করে।
যে ভাববাদিগণ আমার প্রজাদিগকে ভ্রান্ত করে, যাহারা দন্ত দিয়া দংশন করে, আর বলিয়া উঠে, ‘শান্তি,’ কিন্তু তাহাদের মুখে যে ব্যক্তি কিছু না দেয়, তাহার সহিত যুদ্ধ নিরূপণ করে, তাহাদের বিরুদ্ধে সদাপ্রভু এই কথা কহেন,
যীশু উত্তর করিয়া তাঁহাদিগকে কহিলেন, দেখিও, কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়।
কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা ও ভাক্ত ভাববাদীরা উঠিবে, এবং এমন মহৎ মহৎ চিহ্ন ও অদ্ভুত অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইবে যে, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলাইবে।
যীশু তাঁহাদিগকে বলিতে লাগিলেন, দেখিও, কেহ যেন তোমাদিগকে না ভুলায়।
কেননা ভাক্ত খ্রীষ্টেরা ও ভাক্ত ভাববাদীরা উঠিবে, এবং নানা চিহ্ন ও অদ্ভুদ লক্ষণ দেখাইবে, যেন, যদি হইতে পারে, তবে মনোনীতদিগকেও ভুলায়।
কারণ ঈশ্বরের ক্রোধ স্বর্গ হইতে সেই মনুষ্যদের সমস্ত ভক্তিহীনতা ও অধার্ম্মিকতার উপরে প্রকাশিত হইতেছে, যাহারা অধার্ম্মিকতায় সত্যের প্রতিরোধ করে।
তোমরা ভ্রান্ত হইও না, ঈশ্বরকে পরিহাস করা যায় না; কেননা মনুষ্য যাহা কিছু বুনে তাহাই কাটিবে।
সেই সকলেতে তোমরা পূর্ব্বে চলিতে, এই জগতের যুগ অনুসারে, আকাশের কর্ত্তৃত্বাধিপতির অনুসারে, যে আত্মা এখন অবাধ্যতার সন্তানগণের মধ্যে কার্য্য করিতেছে, সেই আত্মার অধিপতির অনুসারে চলিতে।
এ কথা বলিতেছি, যেন কেহ প্ররোচক বাক্যে তোমাদিগকে না ভুলায়।
দেখিও, দর্শনবিদ্যা ও অনর্থক প্রতারণা দ্বারা কেহ যেন তোমাদিগকে বন্দি করিয়া লইয়া না যায়; তাহা মনুষ্যদের পরম্পরাগত শিক্ষার অনুরূপ, জগতের অক্ষরমালার অনুরূপ, খ্রীষ্টের অনুরূপ নয়;
নম্রতায় ও দূতগণের পূজায় স্বেচ্ছাচারী কোন ব্যক্তি তোমাদিগকে বিজয়মুকুটে বঞ্চিত না করুক; সে যাহা যাহা দেখিয়াছে, সেই গুলিতেই বিচরণ করে, আপন মাংসময় মনের গর্ব্বে বৃথা গর্ব্বিত হয়,
এই সকলের কারণ অবাধ্যতার সন্তানগণের প্রতি ঈশ্বরের ক্রোধ উপস্থিত হয়।
কেহ কোন মতে যেন তোমাদিগকে না ভুলায়; কেননা প্রথমে সেই ধর্ম্ম-ভ্রষ্টতা উপস্থিত হইবে, এবং সেই পাপপুরুষ, সেই বিনাশ-সন্তান, প্রকাশ পাইবে,
এবং যাহারা বিনাশ পাইতেছে, তাহাদের সম্বন্ধে অধার্ম্মিকতার সমস্ত প্রতারণা সহকারে হইবে; কারণ তাহারা পরিত্রাণ পাইবার নিমিত্ত সত্যের প্রেম গ্রহণ করে নাই।
ইহাতে আমরা দেখিতে পাইতেছি যে, অবিশ্বাস প্রযুক্তই তাহারা প্রবেশ করিতে পারিল না।
আবারা তাহা হইয়া উঠিল, “ব্যঘাতজনক প্রস্তর ও বিঘ্নজনক পাষাণ।” বাক্যের অবাধ্য হওয়াতে তাহারা ব্যাঘাত পায়, এবং তাহার জন্যই নিযুক্ত হইয়াছিল।
প্রিয়তমেরা, তোমরা সকল আত্মাকে বিশ্বাস করিও না, বরং আত্মা সকলের পরীক্ষা করিয়া দেখ তাহারা ঈশ্বর হইতে কি না; কারণ অনেক ভাক্ত ভাববাদী জগতে বাহির হইয়াছে।