আর তাঁহার সন্তানগণ হবীলা অবধি অশূরিয়ার দিকে মিসরের সম্মুখস্থ শূর পর্য্যন্ত বসতি করিল; তিনি তাঁহার সকল ভ্রাতার সম্মুখে বসতিস্থান পাইলেন।
Cross references
প্রথম নদীর নাম পীশোন; ইহা সমস্ত হবীলা দেশ বেষ্টন করে,
রয়মার সন্তান—শিবা ও দদান।
মেষা অবধি পূর্ব্বদিকের সফার পর্ব্বত
তখন লোট চক্ষু তুলিয়া দেখিলেন, যর্দ্দনের সমস্ত অঞ্চল সোয়র পর্য্যন্ত সর্ব্বত্র সজল, সদাপ্রভুর উদ্যানের ন্যায়, মিসর দেশের ন্যায়, কেননা তৎকালে সদাপ্রভু সদোম ও ঘমোরা বিনষ্ট করেন নাই।
ঐ সিদ্দীম তলভূমিতে মেটিয়া তৈলের অনেক খাত ছিল; আর সদোম ও ঘমোরার রাজগণ পলায়ন করিলেন ও তাহার মধ্যে পতিত হইলেন, এবং অবশিষ্টেরা পর্ব্বতে পলায়ন করিলেন।
পরে সদাপ্রভুর দূত প্রান্তরের মধ্যে এক জলের উনুইয়ের নিকটে, শূরের পথে যে উনুই আছে, তাহার নিকটে তাহাকে পাইয়া কহিলেন,
আর সে বনগর্দ্দভস্বরূপ মনুষ্য হইবে; তাহার হস্ত সকলের বিরুদ্ধ ও সকলের হস্ত তাহার বিরুদ্ধ হইবে; সে তাহার সকল ভ্রাতার সম্মুখে বসতি করিবে।
আর অব্রাহাম তথা হইতে দক্ষিণ দেশে যাত্রা করিয়া কাদেশ ও শূরের মধ্যস্থানে থাকিলেন, ও গরারে প্রবাস করিলেন।
পরে অব্রাহাম প্রত্যূষে উঠিয়া রুটী ও জলপূর্ণ কুপা লইয়া হাগারের স্কন্ধে দিয়া বালকটীকে সমর্পণ করিয়া তাহাকে বিদায় করিলেন। তাহাতে সে প্রস্থান করিয়া বের্-শেবা প্রান্তরে ঘূরিয়া বেড়াইল।
সে পারণ প্রান্তরে বসতি করিল। আর তাহার মাতা তাহার বিবাহার্থে মিসর দেশ হইতে এক কন্যা আনিল।
আর মোশি ইস্রায়েলকে সূফসাগর হইতে অগ্রে চালাইলেন, তাহাতে তাহারা শূর প্রান্তরে গমন করিল; আর তিন দিন প্রান্তরে যাইতে যাইতে জল পাইল না।
পরে শৌল হবীলা অবধি মিসরের সম্মুখস্থ শূর পর্য্যন্ত অমালেককে আঘাত করিলেন।
তাহার সময়ে মিসর-রাজ ফরৌণ-নখো অশূর-রাজের বিরুদ্ধে ফরাৎ নদীর দিকে যাত্রা করিলেন, আর যোশিয় রাজা তাঁহার বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করিলেন; তাহাতে ফরৌণ-নখো তাঁহার দেখা পাইবামাত্র মগিদ্দোতে তাঁহাকে বধ করিলেন।
ওফীর, হবীলা, ও যোবরের জন্ম দিলেন। ইহারা সকলে যক্তনের সন্তান।
তাহাদের যাজকগণ খড়্গে পতিত হইল, তাহাদের বিধবারা রোদন করিল না।
সেই দিন মিসর হইতে অশূরে যাইবার এক রাজপথ হইবে; তাহাতে অশূরীয় মিসরে, ও মিস্রীয় অশূরে যাতায়াত করিবে, এবং মিস্রীয়েরা অশূরীয়দের সঙ্গে আরাধনা করিবে।