আর প্রজালোক যেমন আইসে, তেমনি তাহারা তোমার কাছে আইসে, আমার প্রজা বলিয়া তোমার সম্মুখে বসে, ও তোমার বাক্য সকল শুনে, কিন্তু তাহা পালন করে না; কেননা মুখে তাহারা বিলক্ষণ প্রেম দেখায়,
Cross references
তোমরা যখন আমাকে এই কথা কহিলে, তখন সদাপ্রভু তোমাদের সেই বাক্যের রব শুনিলেন; আর সদাপ্রভু আমাকে কহিলেন, এই লোকেরা তোমাকে যাহা যাহা বলিয়াছে, সেই বাক্যের রব আমি শুনিলাম; উহারা যাহা যাহা বলিয়াছে, সে সমস্ত ভালই বলিয়াছে।
আমরা রাজবাটীর লবণ খাইয়া থাকি, অতএব মহারাজের অপমান দেখা আমাদের উচিত নয়, এই জন্য লোক পাঠাইয়া মহারাজকে জ্ঞাত করিলাম।
কিন্তু তাহারা মুখে তাঁহার চাটুবাদ করিল, জিহ্বাতে তাঁহার নিকটে মিথ্যা কহিল;
সেই জন্য তাহাদের প্রতি সদাপ্রভুর বাক্য ‘বিধির উপরে বিধি, বিধির উপরে বিধি; পাঁতির উপরে পাঁতি, পাঁতির উপরে পাঁতি; এখানে একটুকু, সেখানে একটুকু’ হইবে; যেন তাহারা গিয়া পশ্চাতে পড়িয়া ভগ্ন হয়, ও ফাঁদে বদ্ধ হইয়া ধরা পড়ে।
প্রভু আরও কহিলেন, এই লোকেরা আমার নিকটবর্ত্তী হয়, এবং আপন আপন মুখে ও ওষ্ঠাধরে আমার সম্মান করে, কিন্তু আপন আপন অন্তঃকরণ আমা হইতে দূরে রাখিয়াছে, এবং আমা হইতে তাহাদের যে ভয়, তাহাও মানুষের আদেশ, মুখস্থ করা মাত্র।
তুমি অনেক বিষয় দেখিতেছ, কিন্তু মন দিতেছ না; তাহার কর্ণ খোলা রহিয়াছে, কিন্তু সে শুনে না।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমরা পথে পথে দাঁড়াইয়া দেখ, এবং কোন্ কোন্টা চিরন্তন মার্গ, তাহা জিজ্ঞাসা করিয়া বল, উত্তম পথ কোথায়? আর সেই পথে চল, তাহাতে তোমরা আপন আপন প্রাণের জন্য বিশ্রাম পাইবে। কিন্তু তাহারা কহিল, আমরা চলিব না।
আর যে সময়ে এই লোকেরা কিম্বা কোন ভাববাদী বা যাজক তোমাকে জিজ্ঞাসা করিবে, সদাপ্রভুর ভারবাণী কি? তখন তুমি তাহাদিগকে বলিবে, ভারবাণী কি! সদাপ্রভু বলেন, আমি তোমাদিগকে দূর করিয়া দিব।
আর অদ্য আমি তোমাদিগকে তাহা জানাইলাম; কিন্তু তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু যে সকল বিষয়ের জন্য আমাকে তোমাদের কাছে পাঠাইয়াছেন, তাহার কোন বিষয়ে তোমরা তাঁহার রবে অবধান করিলে না।
যিরমিয় যখন সকল লোকের কাছে তাহাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সমস্ত বাক্য—যে সকল বাক্য বলিবার জন্য তাহাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু তাঁহাকে তাহাদের কাছে প্রেরণ করিয়াছিলেন, সেই সকল বাক্য—সাঙ্গ করিলেন,
তুমি সদাপ্রভুর নামে আমাদিগকে যে কথা বলিয়াছ, তোমার সে কথা আমরা শুনিব না;
যষ্ঠ বৎসরের ষষ্ঠ মাসে, মাসের পঞ্চম দিনে আমি আপন গৃহে উপবিষ্ট ছিলাম, এবং যিহূদার প্রাচীনবর্গ আমার সম্মুখে উপবিষ্ট ছিল, এমন সময়ে প্রভু সদাপ্রভু সেই স্থানে আমার উপরে হস্তার্পণ করিলেন।
পরে ইস্রায়েলের জন কতক প্রাচীন আমার নিকটে আসিয়া আমার সম্মুখে বসিল।
সপ্তম বৎসরের পঞ্চম মাসে, মাসের দশম দিনে ইস্রায়েলের প্রাচীনবর্গের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ সদাপ্রভুর কাছে অন্বেষণ করিবার জন্য আসিয়া আমার সম্মুখে বসিল।
তথাকার অধ্যক্ষগণ তথায় এমন কেন্দুয়ার ন্যায়, যাহারা মৃগবিদারণ করে; তাহারা রক্তপাত করে, প্রাণ বিনাশ করে, যেন অন্যায় লাভ পাইতে পারে।
কেহই দুই কর্ত্তার দাসত্ব করিতে পারে না; কেননা সে হয় ত এক জনকে দ্বেষ করিবে, আর এক জনকে প্রেম করিবে, নয় ত এক জনের প্রতি অনুরক্ত হইবে, আর এক জনকে তুচ্ছ করিবে; তোমরা ঈশ্বর এবং ধন উভয়ের দাসত্ব করিতে পার না।
অতএব যে কেহ আমার এই সকল বাক্য শুনিয়া পালন করে, তাহাকে এমন এক জন বুদ্ধিমান লোকের তুল্য বলিতে হইবে, যে পাষাণের উপরে আপন গৃহ নির্ম্মাণ করিল।
আর যে কাঁটাবনের মধ্যে উপ্ত, এ সেই, যে সেই বাক্য শুনে, আর সংসারের চিন্তা ও ধনের মায়া সেই বাক্য চাপিয়া রাখে, তাহাতে সে ফলহীন হয়।
কিন্তু এই কথা শুনিয়া সেই যুবক দুঃখিত হইয়া চলিয়া গেল, কারণ তাহার বিস্তর সম্পত্তি ছিল।
সে এমন এক ব্যক্তির তুল্য, যে গৃহ নির্ম্মাণ করিতে গিয়া খনন করিল, খুঁড়িয়া গভীর করিল, ও পাষাণের উপরে ভিত্তিমূল স্থাপন করিল; পরে বন্যা আসিলে সেই গৃহে জলস্রোত বেগে বহিল, কিন্তু তাহা হেলাইতে পারিল না, কারণ তাহা উত্তমরূপে নির্ম্মিত হইয়াছিল।
তিনি উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, এই যে ব্যক্তিরা ঈশ্বরের বাক্য শুনে ও পালন করে, ইহারাই আমার মাতা ও ভ্রাতৃগণ।
মরিয়ম নামে তাঁহার একটী ভগিনী ছিলেন, তিনি প্রভুর চরণের নিকটে বসিয়া তাঁহার বাক্য শুনিতে লাগিলেন।
তিনি কহিলেন, সত্য, কিন্তু বরং ধন্য তাহারাই, যাহারা ঈশ্বরের বাক্য শুনিয়া পালন করে।
পরে তিনি তাহাদিগকে বলিলেন, সাবধান, সর্ব্বপ্রকার লোভ হইতে আপনাদিগকে রক্ষা করিও, কেননা উপচিয়া পড়িলেও মনুষ্যের সম্পত্তিতে তাহার জীবন হয় না।
তখন ফরীশীরা, যাহারা টাকা ভাল বাসিত, এ সকল কথা শুনিতেছিল, আর তাহারা তাঁহাকে উপহাস করিতে লাগিল।
এই নিমিত্ত আমি অবিলম্বে আপনার নিকটে লোক পাঠাইয়া দিলাম; আপনি আসিয়াছেন, ভালই করিয়াছেন। অতএব এখন আমরা সকলে ঈশ্বরের সাক্ষাতে উপস্থিত আছি; প্রভু আপনাকে যে সকল আদেশ করিয়াছেন, তাহা শুনিব।
কেননা তোমরা নিশ্চয় জানিতেছ, বেশ্যাগামী কি অশুদ্ধাচারী কি লোভী—সে ত প্রতিমাপূজক—কেহই খ্রীষ্টের ও ঈশ্বরের রাজ্যে অধিকার পায় না।
কিন্তু যাহারা ধনী হইতে বাসনা করে, তাহারা পরীক্ষাতে ও ফাঁদে এবং নানাবিধ মূঢ় ও হানিকর অভিলাষে পতিত হয়, সে সকল মনুষ্যদিগকে সংহারে ও বিনাশে মগ্ন করে।
আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না।
হে আমার ভ্রাতৃগণ, যদি কেহ বলে, আমার বিশ্বাস আছে, আর তাহার কর্ম্ম না থাকে, তবে তাহার কি ফল দর্শিবে? সেই বিশ্বাস কি তাহার পরিত্রাণ করিতে পারে?
কিন্তু যাহার সাংসারিক জীবনোপায় আছে, সে আপন ভ্রাতাকে দীনহীন দেখিলে যদি তাহার প্রতি আপন করুণা রোধ করে, তবে ঈশ্বরের প্রেম কেমন করিয়া তাহার অন্তরে থাকে?