তখন তাহার স্ত্রী সেরশ ও সমস্ত বন্ধু তাহাকে কহিল, তুমি পঞ্চাশ হস্ত উচ্চ এক ফাঁশিকাষ্ঠ প্রস্তুত করাও; আর মর্দখয়কে তাহার উপরে ফাঁশি দিবার জন্য কল্য প্রাতঃকালে রাজার কাছে নিবেদন কর; পরে হৃষ্ট হইয়া রাজার সহিত ভোজে যাও। তখন হামন এই কথায় তুষ্ট হইয়া সেই ফাঁশিকাষ্ঠ প্রস্তুত করাইল।
Cross references
কিন্তু দায়ূদের ভ্রাতা শিমিয়ের পুত্র যোনাদব নামে অম্মোনের এক বন্ধু ছিল; সেই যোনাদব অতিশয় চতুর ছিল।
তখন অহীথোফল অবশালোমকে কহিল, তোমার পিতা বাটী রক্ষার্থে যাহাদিগকে রাখিয়া গিয়াছেন, তুমি আপন পিতার সেই উপপত্নীদের কাছে গমন কর; তাহাতে সমস্ত ইস্রায়েল শুনিবে যে, তুমি পিতার ঘৃণাস্পদ হইয়াছ, তখন তোমার সঙ্গী সমস্ত লোকের হস্ত সবল হইবে।
তখন তাঁহার স্ত্রী ঈষেবল তাঁহাকে কহিল, এখন তুমিই না ইস্রায়েলের উপরে রাজত্ব করিতেছ? উঠ, আহার কর; তোমার চিত্ত প্রফুল্ল হউক; আমি যিষ্রিয়েলীয় নাবোতের দ্রাক্ষাক্ষেত্র তোমাকে দিব।
(আহাব, যিনি আপন স্ত্রী ঈষেবল কর্ত্তৃক উত্তেজিত হইয়া সদাপ্রভুর সাক্ষাতে কদাচরণ করিতে আপনাকে বিক্রয় করিয়াছিলেন, তাঁহার তুল্য আর কেহ কখনও হয় নাই।
অহসিয়ের মাতা তাঁহাকে অসদাচরণ করিতে মন্ত্রণা দিতেন, তাই তিনিও আহাব-কুলের পথে চলিতেন।
পরে হানন অহশ্বেরশ রাজাকে কহিল, আপনার রাজ্যের সমস্ত প্রদেশস্থ জাতিগণের মধ্যে বিকীর্ণ অথচ পৃথক্কৃত এক জাতি আছে; অন্য সকল জাতির ব্যবস্থা হইতে তাহাদের ব্যবস্থা ভিন্ন, এবং তাহারা মহারাজের ব্যবস্থা পালন করে না; অতএব তাহাদিগকে থাকিতে দেওয়া মহারাজের অনুপযুক্ত।
পরে রাজা কহিলেন, প্রাঙ্গণে কে আছে? তখন হামন আপনার প্রস্তুত ফাঁশিকাষ্ঠে মর্দখয়কে ফাঁশি দিবার জন্য রাজার কাছে নিবেদন করিতে রাজবাটীর বহিঃপ্রাঙ্গণে আসিয়াছিল।
পরে রাজার সাক্ষাতে উপস্থিত হর্বোণা নামে এক নপুংসক কহিল, দেখুন, যে মর্দখয় মহারাজের পক্ষে হিত-জনক সংবাদ দিয়াছিলেন, তাঁহার জন্য হামন-পঞ্চাশ হস্ত উচ্চ ফাঁশিকাষ্ঠ প্রস্তুত করিয়াছে, তাহা হামনের বাটীতে স্থাপিত আছে। রাজা কহিলেন, তাহারই উপরে ইহাকে ফাঁশি দেও।
উহার জন্য তিনি মৃত্যুর অস্ত্রশস্ত্র প্রস্তুত করিয়াছেন; তিনি নিজ বাণ সকল অগ্নিবাণে পরিণত করেন।
জাতিগণ আপনাদের কৃত খাতে ডুবিয়াছে; তাহারা গোপনে যে জাল পাতিয়াছিল, তাহাতে তাহাদেরই চরণ বদ্ধ হইয়াছে।
যেন দুঃখী ও দরিদ্রকে নিপাত করিতে পারে, যেন সরলপথগামীদিগকে বধ করিতে পারে,
দুষ্ট লোক ধার্ম্মিকের প্রতি লক্ষ্য রাখে, তাহাকে বধ করিতে চেষ্টা করে।
আর উহারা আপনাদেরই রক্তপাত করিতে লুকাইয়া থাকে, আপনাদেরই প্রাণ ধরিতে গুপ্ত থাকে।
কেননা দুষ্কর্ম্ম না করিলে তাহাদের নিদ্রা হয় না, কাহারও উছোট না লাগাইলে তাহাদের নিদ্রা দূরে যায়।
তাহারা হস্তিদন্তের শয্যায় শয়ন করে, খট্টার উপরে আপন আপন গাত্র লম্বা করে, এবং পালের মধ্য হইতে মেষশাবকদিগকে, ও গোষ্ঠের মধ্য হইতে গোবৎসদিগকে আনিয়া ভোজন করে;
আর হেরোদিয়া তাঁহার প্রতি কুপিত হইয়া তাঁহাকে বধ করিতে চাহিতেছিল, কিন্তু পারিয়া উঠে নাই।
পরে ইষ্করিয়োতীয় যিহূদা, সেই বারো জনের মধ্যে এক জন, প্রধান যাজকদের নিকটে গেল, যেন তাহাদের হস্তে যীশুকে সমর্পণ করিতে পারে।
তাহারা প্রধান যাজকদের ও প্রাচীনবর্গের নিকটে গিয়া কহিল, আমরা এক মহা অভিশাপে আপনাদিগকে আবদ্ধ করিয়াছি, যে পর্য্যন্ত পৌলকে বধ না করিব, সে পর্য্যন্ত কিছুরই স্বাদ গ্রহণ করিব না।
তাহারা ঈশ্বরের এই বিচার জ্ঞাত ছিল যে, যাহারা এইরূপ আচরণ করে, তাহারা মৃত্যুর যোগ্য, তথাপি তাহারা তদ্রূপ আচরণ করে, কেবল তাহা নয়, কিন্তু তদাচারী সকলের অনুমোদন করে।
তাহাদের চরণ রক্তপাতের জন্য ত্বরান্বিত।
আর পৃথিবী-নিবাসীরা তাঁহাদের বিষয়ে আনন্দিত হইবে, আমোদপ্রমোদ করিবে, ও পরস্পর উপঢৌকন পাঠাইবে, কেননা এই দুই ভাববাদী পৃথিবী-নিবাসীদিগকে যন্ত্রণা দিতেন।