দুষ্ট লোক ধার্ম্মিকের প্রতি লক্ষ্য রাখে, তাহাকে বধ করিতে চেষ্টা করে।
Cross references
আর যে পর্য্যন্ত তাঁহার কর্ত্তা ঘরে না আসিলেন, সে পর্য্যন্ত সেই স্ত্রীলোক তাঁহার বস্ত্র আপনার কাছে রাখিয়া দিল।
এমন সময় শৌল বড়শা দিয়া দায়ূদকে ভিত্তির সঙ্গে গাঁথিতে চেষ্টা করিলেন; কিন্তু তিনি শৌলের সম্মুখ হইতে সরিয়া যাওয়াতে তাঁহার বড়শা ভিত্তিতে ঢুকিয়া গেল, এবং দায়ূদ সে রাত্রিতে পলাইয়া রক্ষা পাইলেন।
পরে দায়ূদ প্রান্তরে নানা দুরাক্রম স্থানে বাস করিলেন, সীফ প্রান্তরে পাহাড় অঞ্চলে রহিলেন। আর শৌল প্রতিদিন তাঁহার অন্বেষণ করিলেন, কিন্তু ঈশ্বর তাঁহার হস্তে তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন না।
তখন তিনি কহিলেন, তোমরা গিয়া দেখ, সে কোথায়; আমি লোক পাঠাইয়া তাহাকে আনাইব। পরে কেহ তাঁহাকে এই সংবাদ দিল, দেখুন, তিনি দোথনে আছেন।
সে গ্রামের গুপ্ত স্থানে বসিয়া থাকে, নিভৃত স্থানে নির্দ্দোষকে বধ করে; তাহার চক্ষু অনাথকে ধরিবার জন্য লুক্কায়িত।
দুষ্ট লোক ধার্ম্মিকের প্রতিকূলে কুসঙ্কল্প করে, তাহার বিরুদ্ধে দন্তঘর্ষণ করে।
অধর্ম্মের দ্বারা তাহারা কি বাঁচিবে? হে ঈশ্বর, ক্রোধে জাতিগণকে নিপাত কর।
রে দুষ্ট, তুমি ধার্ম্মিকের নিবাসের বিরুদ্ধে ঘাঁটি বসাইও না, তাহার শয়ন-স্থান নষ্ট করিও না।
কিন্তু আমি বধার্থে নীয়মান গৃহপালিত মেষশাবকের ন্যায় ছিলাম; জানিতাম না যে, তাহারা আমার বিরুদ্ধে কুমন্ত্রণা করিয়াছে, বলিয়াছে, আইস, আমরা ফলশুদ্ধ বৃক্ষটী নষ্ট করি, জীবিত লোকদের দেশ হইতে উহাকে ছেদন করিয়া ফেলি, যেন উহার নাম আর স্মরণে না থাকে।
আর হে সদাপ্রভু, প্রাণনাশার্থে আমার বিরুদ্ধে তাহাদের কৃত সমস্ত মন্ত্রণা তুমিই জ্ঞাত আছ; তুমি তাহাদের অপরাধ ক্ষমা করিও না, তাহাদের পাপ তোমার সম্মুখ হইতে মুছিয়া ফেলিও না; তাহারা তোমার সম্মুখে নিপাতিত হউক; তুমি আপন ক্রোধের সময়ে তাহাদের প্রতি কার্য্য কর।
কারণ আমি অনেকের পরীবাদ শুনিতেছি, চারিদিকে ভয় রহিয়াছে। ‘তোমরা অভিযোগ কর, এবং আমরাও উহার নামে অভিযোগ করিব,’ আমার সমস্ত মিত্র আমার স্খলনের অপেক্ষা করিয়া এই কথা বলে, ‘কি জানি, সে প্ররোচিত হইবে, আর আমরা প্রবল হইয়া তাহাকে পরাভব করিয়া প্রতিরোধ দিব।’
তখন সেই ব্যক্তিরা কহিলেন, আমরা ঐ দানিয়েলের অন্য কোন দোষ পাইব না; কেবল তাহার ঈশ্বরের ব্যবস্থা লইয়া যদি তাহার কোন দোষ পাই।
আর অধ্যাপকেরা ও ফরীশীরা, তিনি বিশ্রামবারে সুস্থ করেন কি না, দেখিবার জন্য তাঁহার প্রতি দৃষ্টি রাখিল, যেন তাঁহার নামে দোষারোপ করিবার সূত্র পায়।
তাঁহার মুখের কথা ধরিবার জন্য ফাঁদ পাতিয়া রহিল।
তিনি এক বিশ্রামবারে প্রধান ফরীশীদের এক জন অধ্যক্ষের বাটীতে আহার করিতে গেলেন, আর তাহারা তাঁহার উপরে দৃষ্টি রাখিল।
আর তিনি প্রতিদিন ধর্ম্মধামে উপদেশ দিতেন। আর প্রধান যাজকেরা ও অধ্যাপকগণ এবং লোকদের প্রধানেরাও তাঁহাকে বিনষ্ট করিতে চেষ্টা করিতে লাগিল;
তখন তাহারা তাঁহার উপরে দৃষ্টি রাখিয়া, এমন কএক জন চর পাঠাইয়া দিল, যাহারা ছদ্মবেশী ধার্ম্মিক সাজিবে, যেন তাঁহার কথা ধরিয়া তাঁহাকে রাজদ্বারে ও দেশাধ্যক্ষের কর্ত্তৃত্বে সমর্পণ করিতে পারে।
কিন্তু শৌল তাহাদের চক্রান্ত জানিতে পাইলেন। আর তাহারা যেন তাঁহাকে বধ করিতে পারে, এই জন্য নগর-দ্বার সকলও দিবারাত্র চৌকি দিতে লাগিল।