পরে মর্দখয় এই সকল ব্যপার জ্ঞাত হইয়া আপন বস্ত্র ছিঁড়িলেন, এবং চট পরিধান ও ভস্ম লেপন করিয়া নগরের মধ্যে গিয়া উচ্চৈঃস্বরে তীব্র ক্রন্দন করিলেন।
Cross references
পিতার এই কথা শুনিবামাত্র এষৌ সাতিশয় ব্যাকুলচিত্তে মহাচিৎকার শব্দ করিতে লাগিলেন, এবং আপন পিতাকে কহিলেন, হে পিতঃ, আমাকে, আমাকেও আশীর্ব্বাদ করুন।
তখন যাকোব আপন বস্ত্র চিরিয়া কটিদেশে চট পরিধান করিয়া পুত্রের জন্য অনেক দিন পর্য্যন্ত শোক করিলেন।
তখন যিহোশূয় ও ইস্রায়েলের প্রাচীনবর্গ আপন আপন বস্ত্র চিরিয়া সদাপ্রভুর সিন্দুকের সম্মুখে অধোমুখ হইয়া সন্ধ্যা পর্য্যন্ত ভূমিতে পড়িয়া থাকিলেন, এবং আপন আপন মস্তকে ধূলা ছড়াইলেন।
তখন দায়ূদ আপন বস্ত্র ধরিয়া ছিঁড়িলেন, এবং তাঁহার সঙ্গীরাও সকলে তদ্রূপ করিল, আর শৌল, তাঁহার পুত্র যোনাথন,
তখন তামর আপন মস্তকে ভস্ম দিল, এবং আপনার গায়ের ঐ লম্বা কাপড় ছিঁড়িয়া মাথায় হাত দিয়া ক্রন্দন করিতে করিতে চলিয়া গেল।
পরে হানন অহশ্বেরশ রাজাকে কহিল, আপনার রাজ্যের সমস্ত প্রদেশস্থ জাতিগণের মধ্যে বিকীর্ণ অথচ পৃথক্কৃত এক জাতি আছে; অন্য সকল জাতির ব্যবস্থা হইতে তাহাদের ব্যবস্থা ভিন্ন, এবং তাহারা মহারাজের ব্যবস্থা পালন করে না; অতএব তাহাদিগকে থাকিতে দেওয়া মহারাজের অনুপযুক্ত।
আর প্রত্যেক প্রদেশের যে কোন স্থানে রাজার বাক্য ও আজ্ঞা উপস্থিত হইল, সেই স্থানে যিহূদিগণের মধ্যে মহাশোক, উপবাস, রোদন ও বিলাপ হইল, এবং অনেকে চটে ও ভস্মে শয্যা পাতিল।
তখন ইয়োব উঠিয়া আপন বস্ত্র ছিঁড়িলেন, মস্তক মুণ্ডন করিলেন ও ভূমিতে পড়িয়া প্রণিপাত করিলেন, আর কহিলেন,
তাহাতে তিনি একখানা খাপরা লইয়া সর্ব্বাঙ্গ ঘর্ষণ করিতে লাগিলেন, আর ভস্মের মধ্যে বসিয়া রহিলেন।
এই নিমিত্ত আমি আপনাকে ঘৃণা করিতেছি, ধূলায় ও ভস্মে বসিয়া অনুতাপ করিতেছি।
হিশ্বোন ও ইলিয়ালী ক্রন্দন করিতেছে; তাহাদের রব যহস পর্য্যন্ত শুনা যাইতেছে; তজ্জন্য মোয়াবের যোদ্ধৃগণ আর্ত্তনাদ করিতেছে; তাহার প্রাণ তাহার মধ্যে কম্পিত হইতেছে।
এই নিমিত্ত আমি বলিলাম, আমাকে ছাড়িয়া অন্য দিকে দৃষ্টিপাত কর, আমি তীব্র রোদন করিব; আমার জাতিরূপ কন্যার সর্ব্বনাশ বিষয়ে আমাকে সান্ত্বনা করিতে চেষ্টা করিও না।
তাহা শুনিয়া হিষ্কিয় রাজা আপন বস্ত্র ছিঁড়িয়া চট পরিধান করিয়া সদাপ্রভুর গৃহে গমন করিলেন।
আর রাজবাটীর অধ্যক্ষ ইলীয়াকীমকে ও শিব্ন লেখককে এবং যাজকদের প্রাচীনবর্গকে চট পরিধান করাইয়া আমোসের পুত্র যিশাইয় ভাববাদীর নিকটে পাঠাইয়া দিলেন।
আমার মনোনীত উপবাস কি এই প্রকার? মনুষ্যের আপন প্রাণকে দুঃখ দিবার দিন কি এই প্রকার? নলের ন্যায় মস্তক হেঁট করা এবং চট ও ভস্ম পাতিয়া বসা, তুমি কি ইহাকেই উপবাস এবং সদাপ্রভুর প্রসন্নতার দিন বল? আমার মনোনীত উপবাস কি এই নয়?
আর হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ কর; কটিদেশ ভাঙ্গিয়া মনস্তাপপূর্ব্বক তাহাদের সাক্ষাতে দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ কর।
তাহা মার্জ্জিত হইবার জন্য দেওয়া হইয়াছে, যেন হাত দিয়া ধরা যায়; খড়্গ শাণিত ও মার্জ্জিত করা হইয়াছে, যেন হন্তার হস্তে দেওয়া হয়।
তোমার জন্য উচ্চৈঃস্বর করিবে, তীব্র ক্রন্দন করিবে, আপন আপন মস্তকে ধূলা দিবে ও ভস্মে লুণ্ঠন করিবে।
পরে আমি উপবাস, চট পরিধান ও ভস্ম লেপন করিয়া প্রার্থনার ও বিনতির চেষ্টায় প্রভু ঈশ্বরের প্রতি দৃষ্টি করিলাম।
পরে যোনা নগরে প্রবেশ করিতে আরম্ভ করিয়া এক দিনের পথ গেলেন, এবং ঘোষণা করিলেন, বলিলেন, ‘আর চল্লিশ দিন গত হইলে নীনবী উৎপাটিত হইবে।’
আর সেই বার্ত্তা নীনবী-রাজের নিকটে পৌঁছিলে তিনি আপন সিংহাসন হইতে উঠিলেন, গাত্রের শাল রাখিয়া দিলেন, এবং চট পরিধান করিয়া ভস্মে বসিলেন।
এই জন্য আমি বিলাপ ও হাহাকার করিব, আমি হৃতবস্ত্র ও উলঙ্গ হইয়া বেড়াইব, আমি শৃগালের ন্যায় বিলাপ করিব, উষ্ট্রপক্ষিণীর ন্যায় শোকধ্বনি করিব।
সদাপ্রভুর মহাদিন নিকটবর্ত্তী, তাহা নিকটবর্ত্তী, অতি শীঘ্র আসিতেছে; ঐ সদাপ্রভুর দিনের শব্দ; সেখানে বীর তীব্র আর্ত্তরব করিতেছে।
‘কোরাসীন, ধিক্ তোমাকে! বৈৎসৈদা, ধিক্ তোমাকে! কেননা তোমাদের মধ্যে যে সকল পরাক্রম-কার্য্য করা গিয়াছে, সে সকল যদি সোর ও সীদোনে করা যাইত, তবে অনেক দিন পূর্ব্বে তাহারা চট পরিয়া ভস্মে বসিয়া মন ফিরাইত।
কিন্তু প্রেরিতেরা, বার্ণবা ও পৌল, তাহা শুনিয়া আপন আপন বস্ত্র ছিঁড়িয়া, দৌড়িয়া বাহির হইয়া লোকদের মধ্যে গিয়া উচ্চৈঃস্বরে বলিতে লাগিলেন, মহাশয়েরা,
কারণ এক ঘন্টার মধ্যেই সেই মহাসম্পত্তি ধ্বংস হইল। আর প্রত্যেক কর্ণধার, ও জলপথে যে কেহ গমন করে, এবং মাল্লারা ও সমুদ্রব্যবসায়ীরা সকলে দূরে দাঁড়াইল,