আর হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ কর; কটিদেশ ভাঙ্গিয়া মনস্তাপপূর্ব্বক তাহাদের সাক্ষাতে দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ কর।
Cross references
এই কারণ আমার নাড়ী মোয়াবের জন্য, আমার অন্তর কীর্-হেরসের জন্য বীণার ন্যায় বাজিতেছে।
ইহাতে আমার সমস্ত কটিদেশে অঙ্গগ্রহ হইল, প্রসবকারিণীর ব্যথার ন্যায় আমার ব্যথা ধরিল; আমি এমন নুইয়া পড়িয়াছি যে, শুনিতে পাই না, আমি এমন বিহ্বল হইয়াছি যে, দেখিতে পাই না।
এই নিমিত্ত আমি বলিলাম, আমাকে ছাড়িয়া অন্য দিকে দৃষ্টিপাত কর, আমি তীব্র রোদন করিব; আমার জাতিরূপ কন্যার সর্ব্বনাশ বিষয়ে আমাকে সান্ত্বনা করিতে চেষ্টা করিও না।
‘হায় আমার অন্ত্র! হায় আমার অন্ত্র! আমি হৃদয়ে ব্যথিত; আমার হৃদয় ধুক্ ধুক্ করিতেছে; আমি নীরব থাকিতে পারি না; কেননা হে আমার প্রাণ, তুমি তূরীর রব ও যুদ্ধের সিংহনাদ শুনিয়াছ।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমরা বিবেচনা কর, বিলাপকারিণীদিগকে ডাক, তাহারা আইসুক; জ্ঞানবতী স্ত্রীলোকদের কাছে লোক পাঠাও, তাহারা আইসুক।
পরে তুমি আপনার সঙ্গী পুরুষদের সাক্ষাতে সেই ঘট ভাঙ্গিয়া ফেলিবে,
তোমরা একবার জিজ্ঞাসা করিয়া দেখ, পুরুষের কি প্রসববেদনা হয়? প্রসবকালে যেমন স্ত্রীলোকের, তেমনি আমি প্রত্যেক পুরুষের কটিদেশে হস্ত ও সকলের মুখ বিষাদে ম্লান কেন দেখিতেছি?
আর ঐ খাদ্যদ্রব্য যবের পিষ্টকের ন্যায় করিয়া ভোজন করিবে, এবং তাহাদের দৃষ্টিতে মনুষ্যের বিষ্ঠা দিয়া তাহা পাক করিবে।
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি করে করাঘাত ও ভূমিতে পদাঘাত কর, এবং ইস্রায়েল-কুলের সমস্ত ঘৃণার্হ দুষ্ক্রিয়ার নিমিত্ত হাহাকার কর, কেননা তাহারা খড়্গে, দুর্ভিক্ষে ও মহামারীতে পতিত হইবে।
আর সদাপ্রভু তাহাকে কহিলেন, তুমি নগরের মধ্য দিয়া, যিরূশালেমের মধ্য দিয়া যাও, এবং তাহার মধ্যে কৃত সমস্ত ঘৃণার্হ কার্য্যের বিষয়ে যে সকল লোক দীর্ঘনিঃশ্বাস ত্যাগ করে ও কোঁকায়, তাহাদের প্রত্যেকের কপালে চিহ্ন দেও।
অতএব, হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি আপনার জন্য নির্ব্বাসার্থক জিনিষপত্র প্রস্তুত কর, দিনের বেলা তাহাদের সাক্ষাতে নির্ব্বাসার্থে প্রস্থান কর, ও নির্ব্বাসার্থে তাহাদের সাক্ষাতে স্বস্থান হইতে অন্য স্থানে যাও; হয় ত তাহারা বুঝিতে পারিবে যে, তাহারা বিদ্রোহী-কুল।
হে মনুষ্য-সন্তান, ক্রন্দন ও হাহাকার কর, কেননা উহা আমার প্রজাদের বিরুদ্ধে, উহা ইস্রায়েলের সমস্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উপস্থিত হইয়াছে; তাহারা আমার প্রজাদের সহিত খড়্গে সমর্পিত হইয়াছে; অতএব তুমি আপন ঊরুদেশে আঘাত কর।
আর তুমি সেই যে দুই কাষ্ঠে লিখিবে, তাহা তাহাদের সাক্ষাতে তোমার হস্তে থাকিবে।
তখন রাজার মুখ বিবর্ণ হইল, তিনি ভাবনাতে বিহ্বল হইলেন; তাঁহার কটিদেশের গ্রন্থি শিথিল হইয়া পড়িল, এবং তাঁহার জানুতে জানু ঠেকিতে লাগিল।
আর আমি দানিয়েল কিছু দিন ক্লান্ত ও পীড়িত ছিলাম, তাহার পর উঠিয়া রাজার কর্ম্ম করিলাম; আর সেই দর্শনে চমৎকৃত হইলাম, কিন্তু কেহ তাহা বুঝিল না।
সে শূন্য, শূন্যীকৃত ও উৎসন্ন; আর হৃদয় গলিত ও জানুতে জানুতে ঠেকাঠেকি হইল; এবং সকলের কটিদেশে অঙ্গগ্রহ ও মনুষ্যমাত্রের মুখ কালিমাযুক্ত।
আমি শুনিলাম, আমার অন্তর কাঁপিয়া উঠিল, সেই রবে আমার ওষ্ঠাধর বিকম্পিত হইল, আমার অস্থিতে পচন প্রবেশ করিল, আমি স্বস্থানে কম্পিত হইলাম, কারণ আমাকে বিশ্রাম করিতে হইবে, সঙ্কটের দিনের অপেক্ষায়, যখন আক্রমণকারী আসিবে লোকদের বিরুদ্ধে।
যীশু যখন দেখিলেন, তিনি রোদন করিতেছেন, ও তাঁহারা সঙ্গে সঙ্গে যে যিহূদীরা আসিয়াছিল, তাহারাও রোদন করিতেছে, তখন আত্মাতে উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন ও উদ্বিগ্ন হইলেন, আর কহিলেন, তাহাকে কোথায় রাখিয়াছ?