পরে তিনি কহিলেন, অদ্য যদি শাফটের পুত্র ইলীশায়ের মস্তক তাহার স্কন্ধে থাকে, তবে ঈশ্বর আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
Cross references
তুমি যেখানে মরিবে, আমিও তথায় মরিব, সেই স্থানেই কবরপ্রাপ্ত হইব; কেবল মৃত্যু ব্যতীত আর কিছুই যদি আমাকে ও তোমাকে পৃথক্ করিতে পারে, তবে সদাপ্রভু আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
এলি জিজ্ঞাসা করিলেন, তিনি তোমাকে কি কথা কহিলেন? বিনয় করি, আমা হইতে তাহা গোপন করিও না; ঈশ্বর যে যে কথা তোমাকে বলিয়াছেন, তাহার কোন কথা যদি আমা হইতে গোপন কর, তবে তিনি তোমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
শৌল কহিলেন, ঈশ্বর অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন; যোনাথন, তুমি অবশ্য মরিবে।
যদি আমি উহার সম্পর্কীয় পুরুষদের মধ্যে এক জনকেও রাত্রি প্রভাত পর্য্যন্ত অবশিষ্ট রাখি, তবে ঈশ্বর দায়ূদের শত্রুদের প্রতি অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
ঈশ্বর অব্নেরকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন, যদি দায়ূদের বিষয়ে সদাপ্রভু যে দিব্য করিয়াছেন, আমি তদনুসারে কর্ম্ম না করি,
পরে কিছু বেলা থাকিতে সমস্ত লোক দায়ূদকে আহার করাইতে আসিল, কিন্তু দায়ূদ এই শপথ করিলেন, ঈশ্বর আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন, যদি সূর্য্য অস্তগত না হইলে আমি রুটী কিম্বা অন্য কোন দ্রব্যের আস্বাদ গ্রহণ করি।
তোমরা অমাসাকেও বল, তুমি কি আমার অস্থি ও আমার মাংস নও? যদি তুমি নিয়ত আমার সাক্ষাতে যোয়াবের পদে সৈন্যদলের সেনাপতি না হও, তবে ঈশ্বর আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
পরে শলোমন রাজা সদাপ্রভুর দিব্য করিয়া কহিলেন, আদোনিয় যদি নিজ প্রাণের বিরুদ্ধে এই কথা বলিয়া না থাকে, তবে ঈশ্বর আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
এলিয়ের দেখা পাইবামাত্র আহাব তাঁহাকে কহিলেন, হে ইস্রায়েলের কন্টক, এ কি তুমি?
তাহাতে ঈষেবল এলিয়ের নিকটে দূত পাঠাইয়া কহিল, কল্য এমন সময়ে যদি আমি তোমার প্রাণকে তাঁহাদের এক জনের প্রাণের সমান না করি, তবে দেবগণ আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
ইস্রায়েলের রাজা যিহোশাফটকে কহিলেন, আমরা যাহার দ্বারা সদাপ্রভুর কাছে অন্বেষণ করিতে পারি, এমন আর এক জন আছে, সে যিম্লের পুত্র মীখায়, কিন্তু আমি তাহাকে ঘৃণা করি, কেননা আমার উদ্দেশে সে মঙ্গলের নয়, কেবল অমঙ্গলের ভাবোক্তি প্রচার করে। যিহোশাফট কহিলেন, মহারাজ এমন কথা কহিবেন না।
রাজার ক্রোধ মৃত্যুর দূতগণের ন্যায়; কিন্তু জ্ঞানবান লোক তাহা শান্ত করে।
সেই অধ্যক্ষগণ যিরমিয়ের প্রতি ক্রুদ্ধ হইয়া তাঁহাকে প্রহার করিল, এবং যোনাথন লেখকের বাটীতে স্থিত কারাগারে রাখিল, কেননা তাহারা তাহাই কারাগার করিয়াছিল।
তখন অধ্যক্ষগণ রাজাকে কহিলেন, এ ব্যক্তির প্রাণদণ্ড করিতে আজ্ঞা হউক, কেননা এ লোকদের কাছে এই প্রকার কথা বলিয়া এই নগরে অবশিষ্ট যোদ্ধাদের হস্ত ও প্রজা সকলের হস্ত দুর্ব্বল করিতেছে; কারণ এ ব্যক্তি এই জাতির মঙ্গল চেষ্টা করে না, কেবল অমঙ্গল চেষ্টা করে।
তোমরা কিছুই বুঝ না, আর বিবেচনাও কর না যে, তোমাদের পক্ষে এটী ভাল, যেন প্রজাগণের জন্য এক ব্যক্তি মরে, আর সমস্ত জাতি বিনষ্ট না হয়।
দিন হইলে যিহূদীরা ষড়যন্ত্র করিয়া আপনাদিগকে এক অভিশাপে আবদ্ধ করিল, বলিল, আমরা যে পর্য্যন্ত পৌলকে বধ না করিব, সে পর্য্যন্ত ভোজন কি পান করিব না।