হে মহারাজ, আপনি রাজাধিরাজ, স্বর্গের ঈশ্বর আপনাকে রাজ্য, ক্ষমতা, পরাক্রম ও মহিমা দিয়াছেন।
Cross references
ফলে, তিনি তিপ্সহ অবধি ঘসা পর্য্যন্ত [ফরাৎ] নদীর এ পারস্থ সমস্ত দেশের, নদীর এ পারস্থ সকল রাজার উপরে কর্ত্তৃত্ব করিতেন; আর তাঁহার চারিদিকের সমস্ত অঞ্চলে শান্তি ছিল।
আর তিনি তাঁহাকে প্রীতিবাক্য কহিয়া, তাঁহার সহিত বাবিলে যত রাজা ছিলেন, সকলের আসন হইতে তাঁহার আসন উচ্চে স্থাপন করিলেন।
পারস্য-রাজ কোরস এই কথা কহেন, স্বর্গের ঈশ্বর সদাপ্রভু পৃথিবীর সমস্ত রাজ্য আমাকে দান করিয়াছেন, আর তিনি যিহূদা দেশস্থ যিরূশালেমে তাঁহার জন্য এক গৃহ নির্ম্মাণ করিবার ভার আমাকে দিয়াছেন। তোমাদের মধ্যে, তাঁহার সমস্ত প্রজার মধ্যে, যে কেহ হউক, তাহার ঈশ্বর সদাপ্রভু তাহার সহবর্ত্তী হউন, সে সেখানে যাউক।
স্বর্গের ঈশ্বর সদাপ্রভু পৃথিবীর সমস্ত রাজ্য আমাকে দান করিয়াছেন, আর তিনি যিহূদা দেশস্থ যিরূশালেমে তাঁহার জন্য এক গৃহ নির্ম্মাণ করিবার ভার আমাকে দিয়াছেন।
তাহার অনুলিপি এই, “রাজাধিরাজ অর্তক্ষস্ত, ইষ্রা যাজক সমীপে, যিনি স্বর্গের ঈশ্বরের ব্যবস্থার অধ্যাপক, সিদ্ধ, ইত্যাদি।
ঈশ্বর এক বার বলিয়াছেন, দুই বার আমি এই কথা শুনিয়াছি; পরাক্রম ঈশ্বরেরই।
আমা দ্বারা রাজগণ রাজত্ব করেন, মন্ত্রিগণ ধর্ম্মব্যবস্থা স্থাপন করেন।
কারণ সে বলে, ‘আমার অধ্যক্ষগণ কি সকলে রাজা নহেন?
হে কল্দীয়দের কন্যে, নীরবে বস, অন্ধকারে আশ্রয় লও; কেননা তুমি আর রাজ্য সকলের ঠাকুরাণী বলিয়া আখ্যাতা হইবে না।
সম্প্রতি আমি এই সকল দেশ আপন দাস বাবিল-রাজ নবূখদ্নিৎসরের হস্তে দিয়াছি, এবং তাহার দাসত্ব করণার্থে মাঠের পশুগণও তাহাকে দিয়াছি।
কেননা বাহিনীগণের সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের ঈশ্বর, এই কথা কহেন, এই সকল জাতি যেন বাবিল-রাজ নবূখদ্নিৎসরের দাস হয়, তজ্জন্য আমি তাহাদের স্কন্ধে লৌহের যোঁয়ালি দিলাম; তাহারা তাহার দাস হইবে; আর আমি তাহাকে মাঠের পশুগণও দিলাম।
কারণ প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি উত্তরদিক্ হইতে অশ্ব, রথ ও অশ্বারোহিগণের এবং জনসমাজের ও অনেক সৈন্যের সহিত রাজাধিরাজ বাবিল-রাজ নবূখদ্নিৎসরকে আনাইয়া সোরে উপস্থিত করিব।
হে মহারাজ, আপনি দৃষ্টিপাত করিয়াছিলেন, আর দেখুন, এক প্রকাণ্ড প্রতিমা; সেই প্রতিমা বৃহৎ এবং অতিশয় তেজোবিশিষ্ট; তাহা আপনার সম্মুখে দাঁড়াইয়াছিল; আর তাহার দৃশ্য ভয়ঙ্কর।
আহা! তাঁহার চিহ্ন সকল কেমন মহৎ! তাঁহার আশ্চর্য্য কার্য্য সকল কেমন পরাক্রমশালী! তাঁহার রাজ্য অনন্তকালীন রাজ্য, ও তাঁহার কর্ত্তৃত্ব পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
তখন দানিয়েল, যাঁহার নাম বেল্টশৎসর, কিয়ৎকাল স্তম্ভিত হইয়া রহিলেন, ভাবনাতে বিহ্বল হইলেন। রাজা কহিলেন, হে বেল্টশৎসর, সেই স্বপ্ন ও তাহার তাৎপর্য্য তোমাকে বিহ্বল না করুক। বেল্টশৎসর উত্তর করিলেন, হে আমার প্রভু, এই স্বপ্ন আপনার শত্রুগণের প্রতি ঘটুক, ও ইহার তাৎপর্য্য আপনার বিপক্ষ লোকদের প্রতি ঘটুক।
আপনি মানব-সমাজ হইতে দূরীকৃত হইবেন, মাঠের পশুদের সহিত আপনার বসতি হইবে, বলদের ন্যায় আপনাকে তৃণ ভোজন করিতে দেওয়া যাইবে, আপনি আকাশের শিশিরে ভিজিবেন, এবং আপনার উপরে সাত কাল ঘূরিবে; যে পর্য্যন্ত না আপনি জানিবেন যে, মনুষ্যদের রাজ্যে পরাৎপর কর্ত্তৃত্ব করেন, ও যাহাকে তাহা দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে তাহা দেন।
আর তুমি মানব-সমাজ হইতে দূরীকৃত হইবে, মাঠের পশুদের সহিত তোমার বসতি হইবে, বলদের ন্যায় তোমাকে তৃণ ভোজন করান যাইবে, ও তোমার উপরে সাত কাল ঘূরিবে; যে পর্য্যন্ত না তুমি জানিবে যে, মনুষ্যদের রাজ্যে পরাৎপর কর্ত্তৃত্ব করেন, ও যাহাকে তাহা দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে তাহা দেন।
আর সেই সময়ের শেষে আমি নবূখদ্নিৎসর স্বর্গের দিকে চক্ষু তুলিলাম, ও আমার বুদ্ধি আমাতে ফিরিয়া আসিল; তাহাতে আমি পরাৎপরের ধন্যবাদ করিলাম, এবং অনন্তজীবী ঈশ্বরের প্রশংসা ও সমাদর করিলাম; কারণ তাঁহার কর্ত্তৃত্ব অনন্তকালীন কর্ত্তৃত্ব ও তাঁহার রাজ্য পুরুষানুক্রমে স্থায়ী;
হে রাজন্, পরাৎপর ঈশ্বর আপনার পিতা নবূখদ্নিৎসরকে রাজ্য, মহিমা, গৌরব ও প্রতাপ দিয়াছিলেন।
যদ্যপি তাহারা জাতিগণের মধ্যে [লোকদিগকে] পণ দেয়, তথাপি আমি এখন ইহাদিগকে একত্র করিব; রাজাধিরাজের বোঝায় তাহারা ক্রমশঃ ন্যূন হইয়া পড়িতেছে।
আর আমাদিগকে পরীক্ষাতে আনিও না, কিন্তু মন্দ হইতে রক্ষা কর।
যীশু উত্তর করিলেন, যদি ঊর্দ্ধ হইতে তোমাকে দত্ত না হইত, তবে আমার বিরুদ্ধে তোমার কোন ক্ষমতা থাকিত না; এই জন্য যে ব্যক্তি তোমার হস্তে আমাকে সমর্পণ করিয়াছে, তাহারই পাপ অধিক।
এবং যিনি ‘‘বিশ্বস্ত সাক্ষী,” মৃতগণের মধ্যে ‘‘প্রথমজাত” ও ‘‘পৃথিবীর রাজাদের কর্ত্তা,” সেই যীশু খ্রীষ্ট হইতে, অনুগ্রহ ও শান্তি তোমাদের প্রতি বর্ত্তুক। যিনি অামাদিগকে প্রেম করেন, ও নিজ রক্তে অামাদের পাপ হইতে আমাদিগকে মুক্ত করিয়াছেন,
‘হে আমাদের প্রভু ও আমাদের ঈশ্বর, তুমিই প্রতাপ ও সমাদর ও পরাক্রম গ্রহণের যোগ্য; কেননা তুমিই সকলের সৃষ্টি করিয়াছ, এবং তোমার ইচ্ছাহেতু সকলই অস্তিত্বপ্রাপ্ত ও সৃষ্ট হইয়াছে।’
তাঁহারা উচ্চৈঃস্বরে কহিলেন, ‘মেষশাবক, যিনি হত হইয়াছিলেন, তিনিই পরাক্রম ও ধন ও জ্ঞান ও শক্তি ও সমাদর ও গৌরব ও ধন্যবাদ, এই সকল গ্রহণ করিবার যোগ্য।’
তাহারা মেষশাবকের সহিত যুদ্ধ করিবে, আর মেষশাবক তাহাদিগকে জয় করিবেন, কারণ “তিনি প্রভুদের প্রভু ও রাজাদের রাজা;” এবং যাঁহারা তাঁহার সহবর্ত্তী, আহূত ও মনোনীত ও বিশ্বস্ত, তাঁহারাও জয় করিবেন।
আর তাঁহার পরিচ্ছদে ও ঊরুদেশে এই নাম লেখা আছে,—