তোমরা প্রভু খ্রীষ্টেরই দাসত্ব করিতেছ; বস্তুতঃ যে অন্যায় করে, সে আপনার কৃত অন্যায়ের প্রতিফল পাইবে;
Cross references
তোমরা বিচারে অন্যায় করিও না। তুমি দরিদ্রের মুখাপেক্ষা করিও না, ও ধনবানের সমাদর করিও না; তুমি ধার্ম্মিকতায় স্বজাতীয়ের বিচার নিষ্পন্ন করিও।
তোমরা বিচারে কাহারও মুখাপেক্ষা করিবে না; সমভাবে ক্ষুদ্র ও মহান্ উভয়ের কথা শুনিবে; মনুষ্যের মুখ দেখিয়া ভয় করিবে না, কেননা বিচার ঈশ্বরের; এবং যে কথা তোমাদের পক্ষে কঠিন, তাহা আমার কাছে আনিবে, আমি তাহা শুনিব।
কেননা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুই ঈশ্বরগণের ঈশ্বর ও প্রভুদের প্রভু, তিনিই মহান্ বীর্য্যবান্ ও ভয়ঙ্কর ঈশ্বর; তিনি কাহারও মুখাপেক্ষা করেন না, ও উৎকোচ গ্রহণ করেন না।
আমরা ত নিশ্চয়ই মরিব, এবং যাহা একবার ভূমিতে ঢালিয়া ফেলিলে পরে তুলিয়া লওয়া যায় না, এমন জলের ন্যায় হইব; পরন্তু ঈশ্বরও প্রাণ হরণ করেন না, কিন্তু নির্ব্বাসিত লোক যাহাতে তাঁহা হইতে নির্ব্বাসিত না থাকে, তাহার উপায় চিন্তা করেন।
অতএব সদাপ্রভুর ভয় তোমাদিগেতে অধিষ্ঠিত হউক; তোমরা সাবধান হইয়া কার্য্য কর, কেননা অন্যায়, কি মুখাপেক্ষা, কি উৎকোচ গ্রহণে আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর সম্মতি নাই।
কিন্তু তিনি জনাধ্যক্ষদেরও মুখাপেক্ষা করেন না, দরিদ্রের কাছে ধনবানকেও বিশিষ্ট জ্ঞান করেন না, কেননা তাহারা সকলেই তাঁহার হস্তকৃত বস্তু।
এ কারণ মনুষ্যগণ তাঁহাকে ভয় করে, তিনি বিজ্ঞচিত্তদের মুখাপেক্ষা করেন না।
তাহারা তাঁহাকে জিজ্ঞাসা করিল, হে গুরু, আমরা জানি, আপনি যথার্থ কথা কহেন ও যথার্থ শিক্ষা দেন, কাহারও মুখাপেক্ষা করেন না, কিন্তু সত্যরূপে ঈশ্বরের পথের বিষয়ে শিক্ষা দিতেছেন।
তখন পিতর মুখ খুলিয়া কহিলেন, আমি সত্যই বুঝিলাম, ঈশ্বর মুখাপেক্ষা করেন না;
কেননা ঈশ্বরের কাছে মুখাপেক্ষা নাই।
তোমরা যে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিচার চাও, ইহাতে তোমাদের বিশেষ ক্ষতি হইতেছে। বরং অন্যায় সহ্য কর না কেন? বরং বঞ্চিত হও না কেন?
কারণ আমাদের সকলকেই খ্রীষ্টের বিচারাসনের সম্মুখে প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, যেন সৎকার্য্য হউক, কি অসৎকার্য্য হউক, প্রত্যেক জন আপনার কৃত কার্য্য অনুসারে দেহ দ্বারা উপার্জ্জিত ফল পায়।
আর প্রভুগণ, তোমরা তাহাদের প্রতি তদ্রূপ ব্যবহার কর, ভর্ৎসনা ত্যাগ কর, জানিও, তাহাদের এবং তোমাদেরও প্রভু স্বর্গে আছেন, আর তিনি কাহারও মুখাপেক্ষা করেন না।
আর [প্রভুর কাছে] মুখাপেক্ষা নাই। প্রভুরা, তোমরা দাসদের প্রতি ন্যায় ও সাম্য ব্যবহার কর, জানিও যে, তোমাদেরও এক প্রভু স্বর্গে আছেন।
কেহ যেন সীমা অতিক্রম করিয়া এই ব্যাপারে আপন ভ্রাতাকে না ঠকায়; কেননা আমরা পূর্ব্বে তোমাদিগকে যেমন বলিয়াছি ও সাক্ষ্য দিয়াছি তদনুসারে, প্রভু এই সকলের প্রতিফলদাতা।
আর যদি সে তোমার প্রতি কোন অন্যায় করিয়া থাকে, কিম্বা তোমার কিছু ধারে, তবে তাহা আমার বলিয়া গণ্য কর;
কেননা দূতগণ দ্বারা কথিত বাক্য যদি দৃঢ় হইল, এবং লোকে কোন প্রকারে তাহা লঙ্ঘন করিলে কিম্বা তাহার অবাধ্য হইলে যদি ন্যায়সিদ্ধ প্রতিফল দত্ত হইল,
আর যিনি বিনা মুখাপেক্ষায় প্রত্যেক ব্যক্তির ক্রিয়ানুযায়ী বিচার করেন, তাঁহাকে যদি পিতা বলিয়া ডাক, তবে সভয়ে আপন আপন প্রবাসকাল যাপন কর।
ইহারা বচসাকারী, স্বভাগ্যনিন্দক আপন আপন অভিলাষের অনুগামী; আর তাহাদের মুখ মহাগর্ব্বের কথা বলে, এবং তাহারা লাভার্থে মনুষ্যদের তোষামোদ করে।