বস্তুতঃ আকাশের তারাগণ ও নক্ষত্ররাশি দীপ্তি দিবে না; সূর্য্য উদয়-সময়ে নিস্তেজ হইবে, ও চন্দ্র আপন জ্যোৎস্না প্রকাশ করিবে না।
Cross references
তাহারা সেই দিন ইহাদের উপরে সমুদ্রগর্জ্জনের ন্যায় গর্জ্জিয়া উঠিবে; আর, কেহ যদি দেশের প্রতি দৃষ্টি করে, দেখ, অন্ধকার ও সঙ্কট, আর আলোক আপন মেঘমণ্ডলে অন্ধকারময় হইয়াছে।
সেই দিন সদাপ্রভু ঊর্দ্ধলোকে ঊর্দ্ধলোকীয় সৈন্যসামন্তকে ও পৃথিবীতে পার্থিব রাজগণকে প্রতিফল দিবেন।
আর চন্দ্র মলিন ও সূর্য্য লজ্জিত হইবে, কেননা বাহিনীগণের সদাপ্রভু সিয়োন পর্ব্বতে ও যিরূশালেমে রাজত্ব করিবেন; এবং তাঁহার প্রাচীনবর্গের সম্মুখে প্রতাপ থাকিবে।
আমি আকাশমণ্ডলকে কালিমা পরাই, ও চট তাহার আচ্ছাদন করি।
তোমাকে নির্ব্বাণ করিবার সময়ে আমি আকাশ আচ্ছাদন করিব, তাহার নক্ষত্র সকল কৃষ্ণবর্ণ করিব; আমি সূর্য্যকে মেঘাচ্ছন্ন করিব, ও চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না।
আকাশে যত উজ্জ্বল জ্যোতিঃ আছে, সেই সকলকে আমি তোমার উপরে কৃষ্ণবর্ণ করিব, তোমার দেশের উপরে অন্ধকার ব্যাপ্ত করিব; ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
তাহাদের সম্মুখে পৃথিবী কাঁপে, আকাশমণ্ডল কম্পমান হয়, চন্দ্র ও সূর্য্য অন্ধকারময় হয়, নক্ষত্রগণ আপন আপন তেজ গুটাইয়া লয়।
সদাপ্রভুর ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের পূর্ব্বে সূর্য্য অন্ধকার ও চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে।
সূর্য্য ও চন্দ্র অন্ধকার হইতেছে, নক্ষত্রগণ আপন আপন তেজ গুটাইয়া লইতেছে।
প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, সেই দিন আমি মধ্যাহ্নকালে সূর্য্যকে অস্তগত করিব, এবং দীপ্তির দিনে দেশকে অন্ধকারময় করিব।
সেই দিন ক্রোধের দিন, সঙ্কটের ও সঙ্কোচের দিন, নাশের ও সব্বনাশের দিন, অন্ধকারের ও তিমিরের দিন, মেঘের ও গাঢ় তিমিরের দিন,
আর সেই সময়ের ক্লেশের পরেই “সূর্য্য অন্ধকার হইবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না, আকাশ হইতে তারাগণের পতন হইবে ও আকাশমণ্ডলের পরাক্রম সকল বিচলিত হইবে”।
আর সেই সময়ে, সেই ক্লেশের পরে, সূর্য্য অন্ধকার হইবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না,
আর সূর্য্যে, চন্দ্রে ও নক্ষত্রগণে নানা চিহ্ন প্রকাশ পাইবে, এবং পৃথিবীতে জাতিগণের ক্লেশ হইবে, তাহারা সমুদ্রের ও তরঙ্গের গর্জ্জনে উদ্বিগ্ন হইবে।
পরে আমি দেখিলাম, তিনি যখন ষষ্ঠ মুদ্রা খুলিলেন, তখন মহাভূমিকম্প হইল; এবং সূর্য্য লোমজাত কম্বলের ন্যায় কৃষ্ণবর্ণ ও পূর্ণচন্দ্র রক্তের ন্যায় হইল;
পরে চতুর্থ দূত তূরী বাজাইলেন, আর সূর্য্যের তৃতীয় অংশ ও চন্দ্রের তৃতীয় অংশ ও তারাগণের তৃতীয় অংশ আহত হইল, যেন প্রত্যেকের তৃতীয় অংশ অন্ধকারময় হয়, এবং দিবসের তৃতীয় ভাগ আলোকরহিত হয়, আর রাত্রিও তদ্রূপ হয়।