আর প্রভুর এক দূত তখনই তাঁহাকে আঘাত করিলেন, কেননা তিনি ঈশ্বরকে গৌরব প্রদান করিলেন না; আর তিনি কীটভক্ষিত হইয়া প্রাণত্যাগ করিলেন।
Cross references
এখনও তুমি আমার প্রজাগণের উপর দর্প করিয়া তাহাদিগকে ছাড়িয়া দিতে চাহিতেছ না।
তখন মোশি ও হারোণ ফরৌণের নিকটে গিয়া কহিলেন, সদাপ্রভু, ইব্রীয়দের ঈশ্বর, এই কথা কহেন, তুমি আমার সম্মুখে নম্র হইতে কত কাল অসম্মত থাকিবে? আমার সেবা করণার্থে আমার প্রজাদিগকে ছাড়িয়া দেও।
কেননা সেই রাত্রিতে আমি মিসর দেশের মধ্য দিয়া যাইব, এবং মিসর দেশস্থ মনুষ্যের ও পশুর যাবতীয় প্রথমজাতকে আঘাত করিব, এবং মিসরের যাবতীয় দেবের বিচার করিয়া দণ্ড দিব; আমিই সদাপ্রভু।
কেননা সদাপ্রভু মিস্রীয়দিগকে আঘাত করিবার জন্য তোমাদের নিকট দিয়া গমন করিবেন, তাহাতে দ্বারের কপালীতে ও দুই বাজুতে সেই রক্ত দেখিলে সদাপ্রভু সেই দ্বার ছাড়িয়া অগ্রে যাইবেন, তোমাদের গৃহে সংহারকর্ত্তাকে প্রবেশ করিয়া আঘাত করিতে দিবেন না।
পরে অর্দ্ধরাত্রে এই ঘটনা হইল, সদাপ্রভু সিংহাসনে উপবিষ্ট ফরৌণের প্রথমজাত সন্তান অবধি কারাকূপস্থ বন্দির প্রথমজাত সন্তান পর্য্যন্ত মিসর দেশস্থ সমস্ত প্রথমজাত সন্তানকে ও পশুদের প্রথমজাত শাবকগণকে নিহনন করিলেন।
আর দিন দশেক পরে সদাপ্রভু নাবলকে আঘাত করাতে সে মরিয়া গেল।
আর যখন দূত যিরূশালেম বিনষ্ট করিতে তৎপ্রতি হস্ত বিস্তার করিলেন, তখন সদাপ্রভু সেই বিপদের জন্য অনুশোচনা করিয়া সেই লোকবিনাশক দূতকে কহিলেন, যথেষ্ট হইয়াছে, এখন তোমার হস্ত সঙ্কুচিত কর। তখন সদাপ্রভুর দূত যিবূষীয় অরৌণার খামারের নিকটে ছিলেন।
পরে সেই রাত্রিতে সদাপ্রভুর দূত যাত্রা করিয়া অশূরীয়দের শিবিরে এক লক্ষ পঁচাশী সহস্র লোককে বধ করিলেন; লোকেরা প্রত্যূষে উঠিল, আর দেখ, সমস্তই মৃত দেহ।
পরে সদাপ্রভু ইস্রায়েলের উপরে মহামারী পাঠাইলেন, তাহাতে ইস্রায়েলের সত্তর সহস্র লোক মারা পড়িল।
এই সকল ঘটনার পরে সদাপ্রভু তাঁহাকে অন্ত্রের অপ্রতিকার্য্য পীড়া দ্বারা আঘাত করিলেন।
তখন সদাপ্রভু এক দূত প্রেরণ করিলেন; তিনি অশূর-রাজের শিবিরের মধ্যে সমস্ত বলবান বীরকে, প্রধান লোককে ও সেনাপতিকে উচ্ছেদ করিলেন; তাহাতে সন্হেরীব লজ্জিত হইয়া আপন দেশে ফিরিয়া গেলেন। পরে তিনি আপন দেবালয়ে প্রবেশ করিলে তাঁহার নিজ ঔরসজাতেরা সেই স্থানে খড়্গ দ্বারা তাঁহাকে নিপাত করিল।
কীট ও মাটীর ঢেলা আমার মাংসের আচ্ছাদন; আমার চর্ম্ম ফাটিয়াছে ও গলিত হইয়াছে।
আর আমার চর্ম্ম এইরূপে বিনষ্ট হইলে পর, তবু আমি মাংসবিহীন হইয়া ঈশ্বরকে দেখিব।
হে সদাপ্রভু, আমাদিগকে নয়, আমাদিগকে নয়, কিন্তু তোমারই নাম গৌরবান্বিত কর, তোমার দয়ার অনুরোধে, তোমার সত্যের অনুরোধে।
মনুষ্য আপন বিজ্ঞতানুরূপ প্রশংসা পায়; কিন্তু যে কুটিলচিত্ত, সে তুচ্ছীকৃত হয়।
পাতালে নামান হইল তোমার ঘটা, ও তোমার নেবল যন্ত্রের মধুর বাদ্য; কীট তোমার নীচে পাতা রহিয়াছে, কৃমি তোমাকে ঢাকিয়াছে।
তুমি কাহাকে টিটকারি দিয়াছ? কাহার নিন্দা করিয়াছ? কাহার বিরুদ্ধে উচ্চশব্দ করিয়াছ ও ঊর্দ্ধদিকে চক্ষু তুলিয়াছ? ইস্রায়েলের পবিত্রতমেরই বিরুদ্ধে!
কেননা কীটে তাহাদিগকে বস্ত্রের ন্যায় খাইয়া ফেলিবে, ও কৃমিরা তাহাদিগকে মেষলোমের ন্যায় খাইয়া ফেলিবে; কিন্তু আমার ধর্ম্মশীলতা অনন্তকাল ও আমার পরিত্রাণ পুরুষানুক্রমে থাকিবে।
আর তাহারা বাহিরে গিয়া, যে লোকেরা আমার বিরুদ্ধে অধর্ম্ম করিয়াছে, তাহাদের শব দেখিবে; কারণ তাহাদের কীট মরিবে না, ও তাহাদের অগ্নি নির্ব্বাণ হইবে না, এবং তাহারা সমস্ত মর্ত্ত্যের ঘৃণাস্পদ হইবে।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সোরের অধ্যক্ষকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তোমার চিত্ত গর্ব্বিত হইয়াছে, তুমি বলিয়াছ, আমি দেবতা, আমি সমুদ্রগণের মধ্যস্থলে ঈশ্বরের আসনে বসিয়া আছি; কিন্তু তুমি ত মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ, তথাপি আপন চিত্তকে ঈশ্বরের চিত্তের তুল্য বলিয়া মানিয়াছি।
তোমার বধকারীর সাক্ষাতে তুমি কি বলিবে, ‘আমি ঈশ্বর’? কিন্তু যে তোমাকে বিদ্ধ করিবে, তাহার হস্তে ত তুমি মনুষ্যমাত্র, দেবতা নহ।
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
হে রাজন্, পরাৎপর ঈশ্বর আপনার পিতা নবূখদ্নিৎসরকে রাজ্য, মহিমা, গৌরব ও প্রতাপ দিয়াছিলেন।
আর তোমার হস্ত যদি তোমার বিঘ্ন জন্মায়, তবে তাহা কাটিয়া ফেল;
আর সেই দাস, যে নিজ প্রভুর ইচ্ছা জানিয়াও প্রস্তুত হয় নাই, ও তাঁহার ইচ্ছানুযায়ী কর্ম্ম করে নাই, সে অনেক প্রহারে প্রহারিত হইবে।
পরে পিতর যখন প্রবেশ করিলেন, তখন কর্ণীলিয় তাঁহার সহিত দেখা করিয়া তাঁহার চরণে পড়িয়া প্রণাম করিলেন।
কিন্তু প্রেরিতেরা, বার্ণবা ও পৌল, তাহা শুনিয়া আপন আপন বস্ত্র ছিঁড়িয়া, দৌড়িয়া বাহির হইয়া লোকদের মধ্যে গিয়া উচ্চৈঃস্বরে বলিতে লাগিলেন, মহাশয়েরা,
যে প্রতিরোধী হইবে ও ‘ঈশ্বর’ নামে আখ্যাত বা পূজ্য সকলের হইতে আপনাকে বড় করিবে, এমন কি, ঈশ্বরের মন্দিরে বসিয়া আপনাকে ঈশ্বর বলিয়া দেখাইবে।