তখন অধ্যক্ষগণ রাজাকে কহিলেন, এ ব্যক্তির প্রাণদণ্ড করিতে আজ্ঞা হউক, কেননা এ লোকদের কাছে এই প্রকার কথা বলিয়া এই নগরে অবশিষ্ট যোদ্ধাদের হস্ত ও প্রজা সকলের হস্ত দুর্ব্বল করিতেছে; কারণ এ ব্যক্তি এই জাতির মঙ্গল চেষ্টা করে না, কেবল অমঙ্গল চেষ্টা করে।
Cross references
মিসররাজ তাঁহাদিগকে কহিলেন, ওহে মোশি ও হারোণ, তোমরা লোকদিগকে কেন তাহাদের কার্য্য হইতে নিবৃত্ত কর? যাও, তোমাদের ভার বহন কর গিয়া।
এলিয়ের দেখা পাইবামাত্র আহাব তাঁহাকে কহিলেন, হে ইস্রায়েলের কন্টক, এ কি তুমি?
তখন আহাব এলিয়কে কহিলেন, হে আমার শত্রু, তুমি কি আমাকে পাইয়াছ? তিনি কহিলেন, তোমাকে পাইয়াছি; কারণ সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে যাহা মন্দ, তুমি তাহাই করিবার জন্য আপনাকে বিক্রয় করিয়াছ।
তাহাতে লোকেরা তাঁহার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করিয়া রাজার আজ্ঞায় সদাপ্রভুর গৃহের প্রাঙ্গণে তাঁহাকে প্রস্তরাঘাতে বধ করিল।
মহারাজের নিকটে এই নিবেদন; যিহূদীরা আপনার নিকট হইতে আমাদের এখানে যিরূশালেমে আসিয়াছে; তাহারা সেই বিদ্রোহী মন্দ নগর নির্ম্মাণ করিতেছে; প্রাচীর সমাপ্ত করিয়াছে, ভিত্তিমূল মেরামৎ করিয়াছে।
কারণ তাহারা সকলে আমাদিগকে ভয় দেখাইতে চাহিত, বলিত, এই কর্ম্মে উহাদের হস্ত দুর্ব্বল হউক, তাহাতে তাহা সমাপ্ত হইবে না। কিন্তু এখন, [হে ঈশ্বর,] তুমি আমার হস্ত সবল কর।
পরে যাজকগণ ও ভাববাদিগণ অধ্যক্ষদিগকে ও সমস্ত প্রজালোককে কহিল, এই ব্যক্তি প্রাণদণ্ডের যোগ্য, কেননা এ এই নগরের বিপরীতে ভাববাণী বলিয়াছে, তোমরা ত স্বকর্ণে তাহা শুনিয়াছ।
আর যখন যিহোয়াকীম রাজা, তাঁহার সমস্ত যুদ্ধবীর ও সমস্ত অধ্যক্ষ সেই ব্যক্তির কথা শুনিতে পাইলেন, তখন রাজা তাঁহাকে বধ করিতে চেষ্টা করিলেন, কিন্তু ঊরিয় তাহা শুনিতে পাইয়া ভীত হইয়া মিসরে পলাইয়া গেলেন।
আর আমি তোমাদিগকে যে নগরে বন্দি করিয়া আনিয়াছি, তথাকার শান্তি চেষ্টা কর, ও সেখানকার নিমিত্ত সদাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা কর; কেননা সেখানকার শান্তিতে তোমাদের শান্তি হইবে।
তখন তিনি রাজবাটীতে নামিয়া লেখকের কুঠরীতে গেলেন; আর দেখ, সেই স্থানে অধ্যক্ষগণ সকলে, অর্থাৎ ইলীশামা লেখক, শময়িয়ের পুত্র দলায়, অক্বোরের পুত্র ইল্নাথন, শাফনের পুত্র গমরিয় ও হনানিয়ের পুত্র সিদিকিয় প্রভৃতি সমস্ত অধ্যক্ষ উপবিষ্ট ছিলেন।
কিন্তু নেরিয়ের পুত্র বারূক আমাদের বিরুদ্ধে তোমাকে প্রবর্ত্তনা করিয়াছে, আমাদিগকে কল্দীয়দের হস্তে সমর্পণ করিবার জন্যই তাহা করিয়াছে, যেন তাহারা আমাদিগকে বধ করে, কিম্বা বন্দি করিয়া বাবিলে লইয়া যায়।
তথাকার অধ্যক্ষগণ তথায় এমন কেন্দুয়ার ন্যায়, যাহারা মৃগবিদারণ করে; তাহারা রক্তপাত করে, প্রাণ বিনাশ করে, যেন অন্যায় লাভ পাইতে পারে।
তখন বৈথেলের যাজক অমৎসিয় ইস্রায়েল-রাজ যারবিয়ামের কাছে এই কথা বলিয়া পাঠাইল, আমোষ ইস্রায়েল-কুলের মধ্যে আপনার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করিয়াছে, দেশ তাহার এত বাক্য সহিতে পারে না।
আর আমি বলিলাম, শুন দেখি, হে যাকোবের প্রধানবর্গ ও ইস্রায়েল-কুলের অধ্যক্ষগণ, ন্যায়বিচার জ্ঞাত হওয়া কি তোমাদের উচিত নয়?
ধিক্ সেই বিদ্রোহিণী ও ভ্রষ্টাকে, সেই অত্যাচার-কারিণী নগরীকে!
আর তাহারা তাঁহার উপরে দোষারোপ করিয়া বলিতে লাগিল, আমরা দেখিতে পাইলাম যে, এ ব্যক্তি আমাদের জাতিকে বিগড়িয়া দেয়, কৈসরকে রাজস্ব দিতে বারণ করে, আর বলে যে, আমিই খ্রীষ্ট রাজা।
কিন্তু তাহাদের কেহ কেহ ফরীশীদের নিকটে গেল, এবং যীশু যাহা যাহা করিয়াছিলেন, তাহাদিগকে বলিল।
এবং শাসনকর্ত্তাদের নিকটে তাঁহাদিগকে আনিয়া বলিল, এই ব্যক্তিরা আমাদের নগর অতিশয় অস্থির করিয়া তুলিতেছে; ইহারা যিহূদী;
কিন্তু তাঁহাদিগকে না পাওয়াতে তাহারা যাসোন এবং কয়েক ভ্রাতাকে নগরাধ্যক্ষদের সম্মুখে টানিয়া লইয়া গেল, ও চেঁচাইয়া বলিতে লাগিল, এই যে লোকেরা জগৎ-সংসারকে লণ্ডভণ্ড করিয়া ফেলিয়াছে, ইহারা এ স্থানেও উপস্থিত হইল;
কারণ আমরা দেখিতে পাইলাম, এই ব্যক্তি মহামারীস্বরূপ, জগতের সমস্ত যিহূদীর মধ্যে কলহ জনক, এবং নাসরতীয় দলের অগ্রণী,
কিন্তু আপনার মত কি, তাহা আমরা আপনার মুখে শুনিতে বাসনা করি; কারণ এই দলের বিষয়ে আমরা জানি যে, সর্ব্বত্র লোকে ইহার বিরুদ্ধে কথা বলিয়া থাকে।