কেননা শাস্ত্র ফরৌণকে বলে, “আমি এই জন্যই তোমাকে উঠাইয়াছি, যেন তোমাতে আমার পরাক্রম দেখাই, আর যেন সমস্ত পৃথিবীতে আমার নাম কীর্ত্তিত হয়।”
Cross references
কিন্তু বাস্তবিক আমি এই জন্যই তোমাকে স্থাপন করিয়াছি, যেন আমার প্রভাব তোমাকে দেখাই ও সমস্ত পৃথিবীতে আমার নাম কীর্ত্তিত হয়।
পরে সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, তুমি ফরৌণের নিকটে যাও; কেননা আমি তাহার ও তাহার দাসগণের হৃদয় ভারী করিলাম, যেন আমি তাহাদের মধ্যে আমার এই সকল চিহ্ন প্রদর্শন করি,
আর দেখ, আমিই মিস্রীয়দের হৃদয় কঠিন করিব, তাহাতে তাহারা ইহাদের পশ্চাৎ প্রবেশ করিবে, এবং আমি ফরৌণের, তাহার সকল সৈন্যের, তাহার রথ সকলের ও তাহার অশ্বারূঢ়গণের দ্বারা গৌরবান্বিত হইব।
জাতি সকল ইহা শুনিল, কম্পান্বিত হইল, পলেষ্টিয়া-বাসিগণ ব্যথাগ্রস্ত হইয়া পড়িল।
আর যিথ্রো কহিলেন, ধন্য সদাপ্রভু, যিনি মিস্রীয়দের হস্ত হইতে ও ফরৌণের হস্ত হইতে তোমাদিগকে উদ্ধার করিয়াছেন, যিনি মিস্রীয়দের হস্তের অধীনতা হইতে এই লোকদিগকে উদ্ধার করিয়াছেন।
আর তাহাদিগকে কহিল, আমি জানি, সদাপ্রভু তোমাদিগকে এই দেশ দিয়াছেন, আর তোমাদের হইতে আমাদের উপরে মহাভয় উপস্থিত হইয়াছে, ও তোমাদের সম্মুখে এই দেশনিবাসী সমস্ত লোক গলিয়া গিয়াছে।
আপনার দাস আমরা আপনার ঈশ্বর সদাপ্রভুর নাম শুনিয়া অতি দূরদেশ হইতে আসিলাম, কেননা তাঁহার কীর্ত্তি, এবং তিনি মিসর দেশে যে কার্য্য করিয়াছেন,
সদাপ্রভু দরিদ্র করেন ও ধনী করেন, তিনি নত করেন ও উন্নত করেন।
হায়, হায়, এই পরাক্রমী দেবগণের হস্ত হইতে আমাদিগকে কে উদ্ধার করিবে? ইহাঁরা সেই দেবতা, যাঁহারা প্রান্তরে সর্ব্বপ্রকার আঘাতে মিস্রীয়দিগকে বধ করিয়াছিলেন।
ফলে যদি তুমি এ সময়ে সর্ব্বতোভাবে নীরব হইয়া থাক, তবে অন্য কোন স্থান হইতে যিহূদীদের উপকার ও নিস্তার ঘটিবে, কিন্তু তুমি আপন পিতৃকুলের সহিত বিনষ্ট হইবে; আর কে জানে যে, তুমি এই প্রকার সময়ের জন্যই রাজ্ঞীপদ পাও নাই?
ইহারা চিরতরে লজ্জিত ও বিহ্বল হউক, ইহারা হতাশ ও বিনষ্ট হউক;
সদাপ্রভু সকলই স্ব স্ব উদ্দেশ্যে করিয়াছেন, দুষ্টকেও দুর্দ্দশাদিনের নিমিত্ত করিয়াছেন।
ধিক্ অশূরকে! সে আমার ক্রোধের দণ্ড! সে সেই যষ্টি, যাহার হস্তে আমার কোপ।
অতএব এখন, হে আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু, তুমি তাহার হস্ত হইতে আমাদিগকে নিস্তার কর; তাহাতে পৃথিবীর সমস্ত রাজ্য জানিতে পারিবে যে, তুমি, কেবল মাত্র তুমিই সদাপ্রভু।
সদাপ্রভু আপন অভিষিক্ত ব্যক্তি, কোরসের, বিষয়ে এই কথা কহেন, আমি তাহার দক্ষিণ হস্ত ধরিয়াছি, আমি তাহার সম্মুখে নানা জাতিকে পরাভব করিব, আর রাজগণের কটিবন্ধ খুলিয়া ফেলিব; আমি তাহার অগ্রে কবাট সকল মুক্ত করিব, আর পুরদ্বার সকল বদ্ধ থাকিবে না।
সম্প্রতি আমি এই সকল দেশ আপন দাস বাবিল-রাজ নবূখদ্নিৎসরের হস্তে দিয়াছি, এবং তাহার দাসত্ব করণার্থে মাঠের পশুগণও তাহাকে দিয়াছি।
আপনি বৃদ্ধি পাইয়াছেন, বলবান হইয়া উঠিয়াছেন, আপনার মহিমা বৃদ্ধি পাইয়াছে, আকাশ পর্য্যন্ত পৌঁছিয়াছে, এবং আপনার কর্ত্তৃত্ব পৃথিবীর প্রান্ত পর্য্যন্ত ব্যাপিয়াছে।
হে রাজন্, পরাৎপর ঈশ্বর আপনার পিতা নবূখদ্নিৎসরকে রাজ্য, মহিমা, গৌরব ও প্রতাপ দিয়াছিলেন।
আর আমি ইহাদিগকে তোমার নাম জানাইয়াছি, ও জানাইব; যেন তুমি যে প্রেমে আমাকে প্রেম করিয়াছ, তাহা তাহাদিগেতে থাকে, এবং আমি তাহাদিগেতে থাকি।
কিন্তু ঈশ্বরীয় বাণী তাঁহার প্রতি কি বলে? “বালের সম্মুখে যাহারা হাঁটু পাতে নাই, এমন সাত সহস্র লোককে আমি আপনার নিমিত্ত অবশিষ্ট রাখিয়াছি।”
আর বিশ্বাস হেতু ঈশ্বর পরজাতিদিগকে ধার্ম্মিক গণনা করেন, শাস্ত্র ইহা অগ্রে দেখিয়া অব্রাহামের কাছে আগেই সুসমাচার প্রচার করিয়াছিল, যথা, “তোমাতে সমস্ত জাতি আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে”।
কিন্তু শাস্ত্র সকলই পাপের অধীনতায় রুদ্ধ করিয়াছে, যেন প্রতিজ্ঞার ফল, যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস হেতু, বিশ্বাসীদিগকে দেওয়া যায়।
তথাপি শাস্ত্রে কি বলে? “ঐ দাসীকে ও উহার পুত্রকে বাহির করিয়া দেও; কেননা ঐ দাসীর পুত্র কোন ক্রমে স্বাধীনার পুত্রের সহিত দায়াধিকারী হইবে না।”