আর বিশ্বাস হেতু ঈশ্বর পরজাতিদিগকে ধার্ম্মিক গণনা করেন, শাস্ত্র ইহা অগ্রে দেখিয়া অব্রাহামের কাছে আগেই সুসমাচার প্রচার করিয়াছিল, যথা, “তোমাতে সমস্ত জাতি আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে”।
Cross references
যাহারা তোমাকে আশীর্ব্বাদ করিবে, তাহাদিগকে আমি আশীর্ব্বাদ করিব, যে কেহ তোমাকে অভিশাপ দিবে, তাহাকে আমি অভিশাপ দিব; এবং তোমাতে ভূমণ্ডলের যাবতীয় গোষ্ঠী আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে
অব্রাহাম হইতে মহতী ও বলবতী এক জাতি উৎপন্ন হইবে, এবং পৃথিবীর যাবতীয় জাতি তাহাতেই আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে।
আর তোমার বংশে পৃথিবীর সকল জাতি আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে; কারণ তুমি আমার বাক্যে অবধান করিয়াছ।
আমি আকাশের তারাগণের ন্যায় তোমার বংশ বৃদ্ধি করিব, তোমার বংশকে এই সকল দেশ দিব, ও তোমার বংশে পৃথিবীর যাবতীয় জাতি আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে।
তোমার বংশ পৃথিবীর ধূলির ন্যায় [অসংখ্য] হইবে, এবং তুমি পশ্চিম ও পূর্ব্ব, উত্তর ও দক্ষিণ চারিদিকে বিস্তীর্ণ হইবে, এবং তোমাতে ও তোমার বংশে পৃথিবীস্থ যাবতীয় গোষ্ঠী আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে।
যিহূদা হইতে রাজদণ্ড যাইবে না, তাহার চরণযুগলের মধ্য হইতে বিচারদণ্ড যাইবে না, যে পর্য্যন্ত শীলো না আইসেন; জাতিগণ তাঁহারই আজ্ঞাবহতা স্বীকার করিবে।
তাঁহার সময়ে ধার্ম্মিক লোক প্রফুল্ল হইবে, চন্দ্রের স্থিতিকাল পর্য্যন্ত প্রচুর শান্তি হইবে।
যদ্যপি তাহার দশমাংশও থাকে, তথাপি তাহাকে পুনর্ব্বার গ্রাস করা যাইবে; কিন্তু যেমন এলা ও অলোন বৃক্ষ ছিন্ন হইলেও তাহার গুঁড়ি থাকে, তেমনি এই জাতির গুঁড়িস্বরূপ এক পবিত্র বংশ থাকিবে।
আর আমি যাকোব হইতে এক বংশকে, এবং যিহূদা হইতে আমার পর্ব্বতগণের এক অধিকারীকে উৎপন্ন করিব, আমার মনোনীত লোকেরা তাহা অধিকার করিবে, ও আমার দাসেরা সেখানে বসতি করিবে।
যে আমাতে বিশ্বাস করে, শাস্ত্রে যেমন বলে, তাহার অন্তর হইতে জীবন্ত জলের নদী বহিবে।
শাস্ত্রে কি বলে নাই, খ্রীষ্ট দায়ূদের বংশ হইতে, এবং দায়ূদ যেখানে ছিলেন, সেই বৈৎলেহম গ্রাম হইতে আসিবেন?
আবার শাস্ত্রের আর একটী বচন এই, “তাহারা যাঁহাকে বিদ্ধ করিয়াছে, তাঁহার প্রতি দৃষ্টিপাত করিবে।”
কারণ দায়ূদ তাঁহার বিষয়ে বলেন, “আমি প্রভুকে নিয়তই আমার সম্মুখে দেখিতাম; কারণ তিনি আমার দক্ষিণে আছেন, যেন আমি বিচলিত না হই।
যাবৎ আমি তোমার শত্রুগণকে তোমার পাদপীঠ না করি।”