আইস, আমরা আনন্দ ও উল্লাস করি, এবং তাঁহাকে গৌরব প্রদান করি, কারণ মেষশাবকের বিবাহ উপস্থিত হইল, এবং তাঁহার ভার্য্যা আপনাকে প্রস্তুত করিল।
Cross references
জাতিগণ, তাঁহার প্রজাদের সহিত হর্ষনাদ কর; কেননা তিনি আপন দাসদের রক্তের প্রতিফল দিবেন, আপন বিপক্ষগণের প্রতিশোধ লইবেন, আপন দেশের জন্য, আপন প্রজাগণের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করিবেন।
পরে হান্না প্রার্থনা করিয়া কহিলেন, আমার অন্তঃকরণ সদাপ্রভুতে উল্লাসিত, আমার শৃঙ্গ সদাপ্রভুতে উন্নত হইল; শত্রুগণের কাছে আমার মুখ বিকশিত হইল; কারণ তোমার পরিত্রাণে আমি আনন্দিতা।
এইজন্য আমি তোমার সমস্ত প্রশংসা প্রচার করিব; সিয়োন-কন্যার পুরদ্বারসমূহে, আমি তোমার পরিত্রাণে উল্লাস করিব।
বৎস, শ্রবণ কর, দেখ, কর্ণপাত কর; তোমার জাতি ও তোমার পিতৃকুল ভুলিয়া যাও।
সিয়োন পর্ব্বত আনন্দ করুক, যিহূদার কন্যারা উল্লাসিত হউক, তোমার শাসননিচয়ের জন্য।
আইস, আমরা সদাপ্রভুর উদ্দেশে আনন্দগান করি, আমাদের ত্রাণ-শৈলের উদ্দেশে জয়ধ্বনি করি।
সমস্ত পৃথিবী! সদাপ্রভুর উদ্দেশে জয়ধ্বনি কর;
তাহা দেখিয়া সরল লোকে আনন্দিত হয়, আর সমস্ত দুষ্টতা আপন মুখ রুদ্ধ করে।
ধার্ম্মিকেরা বর্দ্ধিষ্ণু হইলে প্রজাগণ আনন্দ করে, কিন্তু দুষ্ট লোক কর্ত্তৃত্ব পাইলে প্রজারা আর্ত্তস্বর করে।
অয়ি সিয়োন কন্যাগণ। তোমরা বাহিরে গিয়া শলোমন রাজাকে নিরীক্ষণ কর; তিনি সেই মুকুটে ভূষিত, যাহা তাঁহার মাতা তাঁহার মাথায় দিয়াছিলেন, তাঁহার বিবাহের দিনে, তাঁহার চিত্তের আনন্দের দিনে।
জাগ, জাগ, হে সিয়োন বল পরিধান কর; পবিত্র নগরি যিরূশালেম, তোমার রম্য বস্ত্র সকল পরিধান কর, কেননা এখন অবধি তোমার মধ্যে অছিন্নত্বক্ কি অশুচি লোক আর প্রবেশ করিবে না।
বস্তুতঃ যুবক যেমন কুমারীকে বিবাহ করে, তেমনি তোমার পুত্রগণ তোমাকে বিবাহ করিবে; এবং বর যেমন কন্যাতে আমোদ করে, তেমনি তোমার ঈশ্বর তোমাতে আমোদ করিবেন।
তোমরা যাহারা যিরূশালেমকে ভালবাস, তোমরা সকলে তাহার সহিত আনন্দ কর, তাহার বিষয়ে উল্লাস কর; তোমরা যাহারা তাহার জন্য শোকান্বিত, তোমরা সকলে তাহার সহিত অতিশয় প্রফুল্ল হও;
এই সকল দেখিলে তোমাদের হৃদয় প্রফুল্ল হইবে, তোমাদের অস্থি সকল নবীন তৃণের ন্যায় সতেজ হইবে; এবং সদাপ্রভুর হস্ত আপন দাসদের পক্ষে আত্মপরিচয় দিবে, আর তিনি আপন শত্রুদের প্রতি কুপিত হইবেন।
আর আমি চিরকালের জন্য তোমাকে বাগ্দান করিব; হাঁ, ধার্ম্মিকতায়, ন্যায়বিচারে, দয়াতে ও বহুবিধ অনুকম্পায় তোমাকে বাগ্দান করিব।
হে সিয়োন-কন্যা অতিশয় উল্লাস কর; হে যিরূশালেম-কন্যা, জয়ধ্বনি কর। দেখ, তোমার রাজা তোমার কাছে আসিতেছেন; তিনি ধর্ম্মময় ও পরিত্রাণযুক্ত, তিনি নম্র ও গর্দ্দভে উপবিষ্ট, গর্দ্দভীর শাবকে উপবিষ্ট।
স্বর্গ-রাজ্য এমন এক জন রাজার তুল্য, যিনি আপন পুত্রের বিবাহভোজের আয়োজন করিলেন।
তখন স্বর্গ-রাজ্য এমন দশটী কুমারীর তুল্য বলিতে হইবে, যাহারা আপন আপন প্রদীপ লইয়া বরের সহিত সাক্ষাৎ করিতে বাহির হইল।
এবং তোমরা এমন লোকদের তুল্য হও, যাহারা আপনাদের প্রভুর অপেক্ষায় থাকে যে, তিনি বিবাহ-ভোজ হইতে কখন ফিরিয়া আসিবেন, যেন তিনি আসিয়া দ্বারে আঘাত করিলে তাহারা তখনই তাঁহার নিমিত্ত দ্বার খুলিয়া দিতে পারে।
যে ব্যক্তি কন্যাকে পাইয়াছে, সেই বর; কিন্তু বরের মিত্র যে দাঁড়াইয়া তাঁহার কথা শুনে, সে বরের রবে অতিশয় আনন্দিত হয়; অতএব আমার এই আনন্দ পূর্ণ হইল।
কারণ ঈশ্বরীয় অন্তর্জ্বালায় তোমাদের জন্য আমার অন্তর্জ্বালা হইতেছে, কেননা আমি তোমাদিগকে সতী কন্যা বলিয়া একই বর খ্রীষ্টের হস্তে সমর্পণ করিবার জন্য বাগ্দান করিয়াছি।
কেননা স্বামী স্ত্রীর মস্তক, যেমন খ্রীষ্টও মণ্ডলীর মস্তক; তিনি আবার দেহের ত্রাণকর্ত্তা;
এই নিগূঢ়তত্ত্ব মহৎ, কিন্তু আমি খ্রীষ্টের উদ্দেশে ও মণ্ডলীর উদ্দেশে ইহা কহিলাম।
আমরাই ত ছিন্নত্বক্ লোক, আমরা যাহারা ঈশ্বরের আত্মাতে আরাধনা করি, এবং খ্রীষ্ট যীশুতে শ্লাঘা করি, মাংসে প্রত্যয় করি না।
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, তুমি লিখ, ধন্য তাহারা, যাহারা মেষশাবকের বিবাহভোজে নিমন্ত্রিত। আবার তিনি আমাকে কহিলেন, এ সকল ঈশ্বরের সত্য বাক্য।
আর আমি দেখিলাম, “পবিত্র নগরী, নূতন যিরূশালেম,” স্বর্গ হইতে, ঈশ্বরের নিকট হইতে, নামিয়া আসিতেছে; সে আপন বরের নিমিত্ত বিভূষিতা কন্যার ন্যায় প্রস্তুত হইয়াছিল।
আর যে সপ্ত দূতের কাছে সপ্ত শেষ আঘাতে পরিপূর্ণ সপ্ত বাটি ছিল, তাঁহাদের মধ্যে এক দূত আসিয়া আমার সঙ্গে আলাপ করিয়া কহিলেন, আইস, আমি তোমাকে সেই কন্যাকে, মেষশাবকের ভার্য্যাকে দেখাই।